2 Answers
বিভিন্ন পুষ্টিকর খাবার , প্রচুর পানি খেতে হবে মাসিকের সময়ে ,সেইসাথে প্রয়োজন মত বিশ্রাম নিতে হবে।ইনফেকশন এড়াতে পরিষ্কার পরিছন্ন থাকা জরুরি। এই সময় স্যানিটারি ন্যাপকিন বা কাপড় যেটাই ব্যবহার করা হোক তা প্রতি ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা পর পর পাল্টাতে হবে। মাসিক শুরু হবার পর প্রথম ৫ থেকে ৭ বছর নিয়মিতভাবে নাও হতে পারে। যেহেতু মাসিক হরমোন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় , তাই হরমোনের মাত্রা কম বেশি হলেই মাসিকের উপর প্রভাব পড়ে। এতে ভয়ের কিছু নাই।
----------------------------------------------------------------------
মাসিকের সময় সুষম ও স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করতে হবে যেমন :
শর্করা সম্বলিত-শস্য, ডাল, শাকসবজি, দই, আলু খেতে হবে
আমিষ জাতীয় খাদ্য যেমন : দুধ, ডিম, বাদাম, মাছ ও মাংস খেতে হবে
আয়রণ বা লৌহ জাতীয় খাদ্য যেমন-ডিম, সিম, পালংশাক, আলু, কলা, আপেল, গুড়, খেজুর, কালোজাম ইত্যাদি খেতে খেতে হবে
ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাদ্য যেমন-বাদাম, সয়াবিন, গাঢ় সবুজ শাকসবজি খেতে হবে
ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার-দুগ্ধজাত খাবার, দুধ, ডিম, বাদাম (Almond), এবং সয়াবিন খেতে হবে
কম লবণযুক্ত খাবার খেতে হবে
তাজা ফলের রস পান করতে হবে এবং অতিরিক্ত চা-কফি পান থেকে বিরত থাকতে হবে
প্রতিদিন ৮-১০ গ্লাস পানি পান করতে হবে
ত্বকের যত্নে করণীয়
ত্বকের মরা কোষ, ঘাম ও ক্ষতিকর জীবাণু থেকে রক্ষার জন্য দিনে অন্তত দুইবার ভালো সাবান দিয়ে মুখ ধুতে হবে
তলপেট ব্যথা হলে করণীয়
তলপেটে এবং পিঠে গরম পানির বোতল ধরে রাখা
তলপেটে হালকা মেসেজ করলে ব্যথা কমে যাবে
হালকা ব্যায়াম করা
ডাক্তারের পরামর্শ মতো পরীক্ষা নিরীক্ষা করে ব্যথার কারণ নির্ণয় ও সেই অনুযায়ী চিকিৎসা করা
মাসিকের সময় মেয়েদের যা যা করণীয় তা নিচে আলোচনা করা হলো- ১. এ সময়ে মেয়েদের পর্যাপ্ত পুস্টিকর খাবার খাওয়া দরকার। যেমন: দুধ, ডিম, শাকসবজি ইত্যাদি খেতে হবে। ২. পরিস্কার পরিছন্নতা বজায় রাখতে হবে। ৩. প্রচুর পরিমানে পানি পান করতে হবে। ৪. অনেক মেয়েরাই এ সময় সাধারণ টুকরা কাপড় ব্যবহার করে থাকেন, যা খুবই অস্বাস্থ্যকর। এ সময় স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহার করা উত্তম। ৫. ন্যাপকিন ৫-৭ ঘন্টার বেশি রাখা উচিত নয়। ৬. মাসিকের সময় তীব্র ব্যথা অনুভূত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।