3 Answers
কর্পূর সাধারণত আলমারিতে কাপড় তুলে রাখার সময় এটি ব্যবহার করা হয় যাতে দুর্গন্ধ না হয় এবং পোকামাকড় কম আক্রমণ করে। এটি সাধারণত যেকোনো মুদি/কসমেটিক্স দোকানে পাওয়া যায়। কিন্তু যৌনমিলনে সম্ভবত ব্যবহার হয় না
কপূর যৌন মিলনে কাজে লাগে কি না জানি না তবে শিশুদের জম্মের পর থেকে কয়েক মাস পর্যন্ত জিহ্বায় যে সাদাটে দাগ হয় তুলার মত (যেদিকে গ্রামের ভাষায় বত পরা বলা হয়) ঔ বত পরা বা জিহ্বার সাদা দাগ তুলতে শতভাগ কার্যকরী হওয়ায় এটি মধু দিয়ে বত তুলতে ব্যাবহার করা হয় ।
সহবাসের সময় কর্পূর (ক্যামফার) ব্যবহার করা ঠিক নয়, কারণ এটি:
চর্মরঙ্গ উত্তেজক ও জ্বালাপোড়া তৈরী করে
– কর্পুরে থাকা উপাদান ত্বকের সংবেদনশীল অংশে প্রয়োগ করলে চুলকানি, জ্বালা, লালচোট বা ফোসকা তৈরি হতে পারে।
স্বাভাবিক pH ভারসাম্য নষ্ট করে
– যোনি বা পুরুষাঙ্গের ত্বকে ক্যামফারের তীব্র রাসায়নিক pH ডিস্টরশন ঘটায়, যা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়।
অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া ও সংক্রমণ ঝুঁকি
– লিঙ্গের ত্বক অত্যন্ত সংবেদনশীল; কর্পূরের মতো তেলের পরিবর্তনজীবাণু বা ফাঙ্গাল সংক্রমণ সৃষ্টি করতে পারে।
কনডম বা ল্যাটেক্স পণ্য নষ্ট করে
– ক্যামফারযুক্ত তেল কনডমের ল্যাটেক্সকে দুর্বল করে চিরতে পারে, ফলে গর্ভনিরোধ বা STD প্রতিরোধে ব্যর্থতা।
✔️ নিরাপদ বিকল্প:
জলযুক্ত লুব্রিকেন্ট (Water-based lubricant) ব্যবহার করুন, যা সেফ, বায়োডিগ্রেডেবল এবং সংবেদনশীল ত্বকের জন্য উপযুক্ত।
যৌনকালীন অতিরিক্ত শুষ্কতা বোধ হলে সিলিকন-ভিত্তিক লুব্রিকেন্ট (Silicone-based) নির্বাচন করা যেতে পারে।
কোনো ঘরোয়া “জ্বালাতন” সঙ্কেত দেওয়ার প্রয়োজন হলে মেন্টল ফ্রি ঘরোয়া তেল কিংবা ডাক্তারের পরামর্শকৃত পণ্য ব্যবহার করুন।