আর হস্তমেথুন না করলে আমার রাত্রে ঘুম আসে না। ঘুম না হলে  ব্রেইনে ঘুমের চাপ থেকে যায় ।তারপরও ঘুম হয় না।

আমি চেষ্টা করি ঘুমানুর জন্য কিন্তু হয় না ঘুম ।প্রতিদিন ৩ টার পরে ঘুম আসে ,তার আগে নয়। ১১ বা ১২টায় শুয়ে থাকি ঘুম হয় না তাই

৩ টার সময় হস্তমেথুন করতে হয় তখন ঘুম হয়। প্রতিদিন ৯ টায় ঘুম থেকে উঠি । হস্তমেথুন না করে ও পরীক্ষা করলাম, না ঘুম হয় নাভ, হস্তমেথুন করতেই হয়। 

এ সমস্যা থেকে কিভাবে রখা পেতে পারি ??

#হস্তমৈথুন
3064 views

2 Answers

প্রতিদিন হস্তমৈথুন করলে কি কি ক্ষতি হবে বা আদৌ কোন ক্ষতি হবে কিনা সেটা নির্ভর করে কিভাবে হস্তমৈথুন করা হচ্ছে তার উপর। হস্তমৈথুনের সময় (তাড়াতাড়ি) বীর্যপাতের জন্য যদি তাড়াহুড়ো করা হয় তবে শীঘ্রপতনের সমস্যা তৈরি হতে পারে। অত্যধিক ঘষার ফলে লিঙ্গমুন্ডের সংবেদনশীলতা কমে যেতে পারে যার ফলে যৌনসঙ্গমের সময় আনন্দ কম হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। হস্তমৈথুন অভ্যাসে পরিণত হলে যৌনসঙ্গমে তৃপ্তি না হওয়ার সম্ভাবনাও সৃষ্টি হয়। এমন ঘটনা দেখা গেছে যেখানে হস্তমৈথুন করতে করতে এমন অবস্থা হয়েছিল যে কেবল হস্তমৈথুন করলেই অর্গ্যাজম হত। এছাড়াও কিছু কিছু ব্যক্তি হস্তমৈথুনের প্রতি আসক্ত হয়ে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে হস্তমৈথুনের ফলে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হতে পারে।

অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের পরিণাম

অনেকেই অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে শক্তি হ্রাস সহ নানাবিদ শারীরিক সমস্যায় ভোগেন। তার মধ্যে উল্ল্যেখযোগ্য হলোঃ

১. শারীরিক ব্যথা এবং মাথা ঘোরা।

২. যৌন ক্রিয়ার সাথে জড়িত স্নায়ুতন্ত্র দুর্বল হওয়া অথবা ঠিক মত কাজ না করার পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়া।

৩. শরীরের অন্যান্য অঙ্গ যেমন: হজম প্রক্রিয়া এবং প্রসাব প্রক্রিয়ায় সমস্যা সৃষ্টি করে। দ্রুত বীর্যস্থলনের প্রধান কারণ অতিরিক্ত হস্তমৈথুন।

৪. হস্তমৈথুনের ফলে অনেকেই কানে কম শুনতে পারেন এবং চোঁখে ঘোলা দেখতে পারেন।

তবে, যারা হস্তমৈথুনে অভ্যস্ত, তাদের পক্ষে হঠাৎ করে হস্তমৈথুন ত্যাগ করা সম্ভব নয়। তাই ধীরে ধীরে হস্তমৈথুন ত্যাগ করুন এবং অকাল বীর্যপাত রোধ করুন।

আরেকটি সমস্যা হল অকাল বীর্যপাত। ফলে স্বামী তার স্ত্রীকে সন্তুষ্ট করতে অক্ষম হয় । বৈবাহিক সম্পর্ক বেশিদিন স্থায়ী হয় না।  

অকাল বীর্যপাত হলে বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা কমে যায় । তখন বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা হয় ২০ মিলিয়নের কম । যার ফলে সন্তান জন্মদানে ব্যর্থতার দেখা দেয় ।

*******  হস্তমৈথুন ছাড়ার উপায়  *********

কোন কোন সময় হস্তমৈথুন বেশি করেন, সেই সময়গুলো চিহ্নিত করুন। বাথরুম বা ঘুমাতে যাওয়ার আগে যদি উত্তেজিত থাকেন, বা হঠাত কোন সময়ে যদি এমন ইচ্ছে হয়, তাহলে সাথে সাথে কোন শারীরিক পরিশ্রমের কাজে লাগে যান। যেমন বুকডন বা অন্য কোন ব্যায়াম করতে পারেন। যতক্ষণ না শরীর ক্লান্ত হয়ে যায়, অর্থাৎ হস্তমৈথুন করার মত আর শক্তি না থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত সেই কাজ বা ব্যায়াম করুন। গোসল করার সময় এমন ইচ্ছে জাগলে শুধু ঠাণ্ডা পানি ব্যবহার করুন এবং দ্রুত গোসল ছেড়ে বাথরুম থেকে বের হয়ে আসুন।

▬► মেয়েদের দিকে কুনজরে তাকাবেন না। তাদের ব্যাপারে বা দেখলে মন আর দৃষ্টি পবিত্র করে তাকাবেন। নিজের মা বা বোন মনে করবেন।

▬► যতটা সম্ভব নিজেকে কাজে ব্যস্ত রাখুন।

▬►ধৈর্য ধরতে হবে। একদিনেই  নেশা থেকে মুক্তি পাবেন, এমন হবে না। একাগ্রতা থাকলে ধীরে ধীরে যে কোন নেশা থেকেই বের হয়ে আসা যায়। মাঝে মাঝে ভুল হয়ে যাবে। তখন হতাশ হয়ে সব ছেড়ে দেবেন না। চেষ্টা করে যান। করতেই থাকুন। ইনশাআল্লাহ  আপনি সফল হবেন ই।

▬►যে কোন উপায়ে পর্ণমুভি আর চটি এড়িয়ে চলুন।

▬►কম্পিউটারে পর্ণ দেখতে দেখতে হস্তমৈথুন করলে কম্পিউটার লিভিং রুমে নিয়ে নিন যাতে অন্যরাও দেখতে পায় আপনি কী করছেন। এতে পর্ণ সাইটে ঢোকার ইচ্ছে কমে যাবে।

▬►যেসব ব্যাপার আপনাকে হস্তমৈথুনের দিকে ধাবিত করে, সেগুলো ছুড়ে ফেলুন, সেগুলো থেকে দূরে থাকুন। যদি মাত্রাতিরিক্ত হস্তমৈথুন থেকে সত্যি সত্য মুক্তি পেতে চান তাহলে পর্ণ মুভি বা চটির কালেকশন থাকলে সেগুলো এক্ষুনি নষ্ট করে ফেলুন। পুড়িয়ে বা ছিড়ে ফেলুন। হার্ডড্রাইভ বা মেমরি থেকে এক্ষুনি ডিলিট করে দিন। 

▬►যারা বাজে বিষয় নিয়ে বা মেয়েদের নিয়ে বা পর্ণ মুভি বা চটি নিয়ে বেশি আলোচনা করে, তাদেরকে এড়িয়ে চলুন।

▬►হস্তমৈথুনে চরম ভাবে এডিক্টেড হলে কখনোই একা থাকবেন না, ঘরে সময় কম কাটাবেন, বাইরে বেশি সময় কাটাবেন। জগিং করতে পারেন, সাইকেল নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন। ছাত্র হলে ক্লাসমেটদের সাথে একসাথে পড়াশুনা করতে পারেন। লাইব্রেরি বা কফি শপে গিয়ে সময় কাটাতে পারেন।

▬►সেক্সুয়াল ব্যাপারগুলো একেবারেই এড়িয়ে চলবেন। এধরনের কোন শব্দ বা মন্তব্য শুনবেন না।

▬►ছোট ছোট টার্গেট সেট করুন। ধরুন প্রথম টার্গেট টানা দুইদিন হস্তমৈথুন করবেন না। দুইদিন না করে পারলে ধীরে ধীরে সময় বাড়াবেন।

▬►যখন তখন বিছানায় যাবেন না। কোথাও বসলে অন্যদের সঙ্গ নিয়ে বসুন।

▬►বাথরুম শাওয়ার নেয়ার সময় হস্তমৈথুনের অভ্যাস থাকলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বাথরুম থেকে বের হয়ে আসতে চেষ্টা করুন।

▬►যখনি মনে সেক্সুয়াল চিন্তার উদয় হবে, তখনই অন্য কিছু নিয়ে চিন্তা করবেন।

▬►বন্ধুবান্ধব ও পরিবারের সবার সাথে বেশি সময় কাটান।

▬►ধ্যান বা মেডিটেশন করতে পারেন। যোগ ব্যায়াম করতে পারেন।

▬►নিজের পরিবারের কথা চিন্তা করবেন, আপনার সাথে যারা আছে তাদের কথা ভাববেন।

▬►ফোনসেক্স (Phone Sex) এড়িয়ে চলুন।

* আপনি প্রতিদিন ভোর বেলায় ঘুম থেকে ওঠবেন

যে কোনো উপায়েই তাহলে রাত্রের বেলায় ও দ্রুত

ঘুম হবে [দিনের বেলায় ঘুমাবেন  না]

সমস্যা প্রকট হলে একাকি কখনোই থাকবেন না, 

ঘুমানোর সময়েও পরিবারের কারো সাথে বা

বন্ধুদের পাশে নিয়ে ঘুমাবেন। 

3064 views

অাপনার এ ধারনাটি সম্পূর্ন রুপে ভুল। হস্তমৈথুনের সাথে ঘুমের কোন সম্পর্ক নেই হ্যা তবে অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে শরীর য়খন ক্লান্ত হয়ে যায় তখন ঘুম অাসে কিন্তু অাপনি কি জানেন এইভাবে প্রতিনিয়ত অাপনি অাপনাকে ধ্বংশের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন.... এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে হলে অাপনাকে অবশ্যই হস্তমৈথুন না করার প্রতিঙ্গা করতে হবে... দুই একদিন ঘুমের সমস্যা হলেও পরে ঠিক হয়ে যাবে অার হ্যা ৫ ওয়াক্ত নামাজ ঠিকমত অাদায় করুন দেখবেন খারাপ এ চিন্তা গুলো একদমই মাথায় অাসবে না।

3064 views

Related Questions