কী করবো.?
আমার একটা ছেলে বন্ধু আছে তার নামঃ রাজ
আমি যখন প্রথম ক্লাস ৯ এ প্রথম ফেসবুক চালু
করি।তখন রাজের সাথে আমার পরিচয়।
আমি জানি অন্য ছেলে দের সাথে কথা বললে গুনা
হয়।তাই আমি ভেবেছি কোন ছেলের সাথে কথা বলবো
না কিন্ত একটা সমস্যা আছে।
রাজ কে আমি বলেছিলা যে দিন তুমি ৫ ওয়াক্ত নামায
পড়বে সে দিন আমাকে নক করবে তার আগেগে না।
গত ১ বছর কোন যোগাযোগ ছিলো না ওর আর আমার
কিন্তু কিছু দিন আগে আবার কথা শুরু হয় এবং আমাকে
বলে ও প্রতিদিন ৪ ওয়াক্ত নামায পড়ে।
ভোর বেলা তে উঠতে পারে না।
ও আমাকে বলে তুমি আমাকে ভোর বেলা তে ডেকে
দিবা
আমি ওকে ডেকে দিয় ভোর বেলা
আমরা মোবাইল এ কথা বলি,
কোন রকম বাজে কথা হয় না
সব সময় ভালো কথা বলি
এখন কী করবো আমি।
আমি যদি আবার ওর সাথে কথা বলা
বন্ধ করে দেয়।
তাহলে হয়তো রাজঃ নামায পড়া ছেড়ে দিতে পারে
বাজে পথে চলে যেতে পারে।
এখন আমি কী করবো.???
রাজ বিপথে গেলে তখন তো আমার ও
পাপ হবে।
কী করবো কেউ জানালে ভালো হতো.?????
2 Answers
কেউ বিপথে গেলে এর জন্য আপনি দায়ী হবেন না।বরং আপনি ভালো কাজ করেছেন। আপনি তাকে সত্যের পথে নিয়ে এসেছেন। আপনি তাকে ডেকে উঠালে নাময কায়েম করবে আর না ডেকে উঠালে নামায কায়েম করবে না এমন নাময আল্লাহতা'য়ালা কখনই কবুল করবেন না। নামায আদায় করা প্রত্যেকের নিজস্ব দায়িত্ব ও কর্তব্য। তাই উনাকে এই কথাই বলুন "নাময পড়লে পাঁচ ওয়াক্তই পড়তে হবে" এবং আপনিও উনার ঘুম ভাঙাবেন না তাহলেই কেবলমাত্র উনার নামায কবুল হবে। আপনি যদি উনাকে ভোরে ঘুম না ভাঙিয়ে দেন এতে আপনার অপরাধ কীসের? আপনি তো কোনো খারাপ কাছ করবেন না। নামায কায়েম করা প্রত্যেক মুসলিমের নিজস্ব দায়িত্ব ও কর্তব্য তাই নাময আদায় করার জন্য নিজেকে ঘুম থেকে উঠতে হবে অন্য কারো ডাকে নয়। আপনার কথায় তিনি নামায পড়বেন, না হলে পড়বে না এমনটা করলে নামায তো কবুলই হবে না বরং চরম গুণাহ হবে। একমাত্র আল্লাহকে ভয় করতে হবে এবং তারই কথা স্মরণ করে নামায আদায় করতে হবে অন্য কারো কথা স্মরণ করে নামায আদায় করা যাবে না। আপনি উনাকে এ সকল কথা বুঝান। এরপরও তিনি বিপথে গেলে এর জন্য তিনিই দায়ী। এর জন্য আপনার কোনো গুণাহ হবে না।
আপনার বন্ধু তার মতো করে নামাজ পড়া বন্ধ করে
দিলে আপনার কোনো পাপ হবে না।
"রাজ বিপথে গেলে তখন তো আমার ও
পাপ হবে।" এটা আপনার ভুল ধারণা।
আপনার বন্ধু পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়লে তার
সাথে আপনি কথা বলবেন এমন চুক্তিই ইসলাম
ধর্মের নীতিমালার বিপক্ষীয়।
প্রেম ভালবাসার দৃষ্টিকোণ থেকে বললে এটা বলা
যায় যে, আপনাকে যে প্রকৃত ভালবাসবে সে একটানা
এক বছর কখনোই কথা বলা হতে বিরত থাকবে না।
গভীর বন্ধুত্ব হলে তখনই সে নিয়মিত নামাজ পড়তো।
ধর্মীয় বিভাগে প্রশ্নটি করেছেন তাই তার আলোকে উত্তর
দিচ্ছি:
বিবাহ পূর্বক বিপরীত লিঙ্গের সাথে বন্ধত্ব করা নিষেধ
ধর্মীয়গ্রন্থে। যাদের সাথে বিবাহ জায়েজ আছে তাদের
সাথে অত্যাবশ্যকীয় কথোপকথন ছাড়া কোনো কথা
বার্তা বলা যাবে না বা বন্ধুত্ব সৃষ্টি করা যাবে না।
যদিও আপনাদের বন্ধুত্বে অশ্লীন কিছু নেই তবুও এটা হারাম।
আপনাদের বন্ধুত্ব থাকলে সে নামাজ পড়বে বন্ধুত্ব
না থাকলে হয়তো সে নামাজ পড়বে না এমন যৌক্তিকতা
দেখানো বোকামি।
প্রথমে হিজাব পালন করতে হবে তারপর অন্যকিছু।
সুতরাং, একজন প্রকৃত মুসলিম হিসাবে আপনার
উচিত হবে বা যা করা ঈমানীয় দায়িত্ব তা হলো তার
সঙ্গ ত্যাগ করা এবং তাকেও শেষ বারের মতো কথা
বলে উপদেশ দেওয়া যেন সে আল্লাহর বিধিবিধান
মেনে চলে এবং হিজাব পালন করে।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy