4 Answers

ইসলাম ধর্মে প্রেম/ ভালোবাসাকে বিয়ের আগে হারাম করা

হয়েছে, প্রেম/ ভালোবাসার জন্য উক্ত ব্যাক্তিকে জাহান্নামে

যেতে হবে। এখন আপনি নিজেই বুঝে নিন প্রেম মন্দ না ভালো



যিনা কি ……? প্রেম কি …? ও শাস্তি কি ?

বিয়ের পূর্বের প্রেম = যিনা ,( অবৈধ , হারাম )।

বিয়ের পরে প্রেম = ইবাদত ,( বৈধ , হালাল !)

.~~~~~~~~~~~~~~~~

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ “কোন বেগানা নারীর প্রতি দৃষ্টি দেওয়া চোখের যিনা , অশ্লীল কথাবার্তা বলা জিহ্বার যিনা , অবৈধভাবে কাউকে স্পর্শ করা হাতের যিনা , ব্যাভিচারের উদ্দেশ্যে হেঁটে যাওয়া পায়ের যিনা , খারাপ কথা শোনা কানের যিনা , আর যিনার কল্পণা করা ও আকাংখা করা মনের যিনা।

অতঃপর লজ্জাস্থান একে পূর্ণতা দেয় অথবা অসম্পূর্ণ রেখে দেয় ”।

.

[ সহীহ আল - বুখারী , মিশকাত : ৮৬ , সহীহ আল - মুসলিম : ২৬৫৭ , সুনানে আবু দাউদ , সুনানে আন -নাসায়ী ]

.

যিনা হারাম ও অত্যন্ত মন্দ কাজ আল্লাহ তাআ ’ লা যিনাকে হারাম ঘোষণা করে বলেছেন , “তোমরা যিনার কাছেও যাবে না।

কেননা তা অত্যন্ত নির্লজ্জ এবং খারাপ কাজ। ” [ সুরা বনী-ইসরাঈলঃ ৩২ ]

.

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন , “আল্লাহর দৃষ্টিতে শিরকের পর সবচাইতে বড় গুনাহ হচ্ছে এমন কোন জরায়ুতে একফোটা বীর্য ফেলা , যা আল্লাহ তার জন্য হালাল করেন নি।

.

” [ সহীহ বুখারী ] রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন , “যিনাকারী যখন যিনা করে , সে তা ঈমানদার অবস্থায় করে না। ” [ বুখারি ও মুসলিম ]

.

যিনার শাস্তি : যে সব বড় পাপ করলে দুনিয়াতেই কঠোর শাস্তি নির্ধারণ করা হয়েছে যেনা তার মধ্যে অন্যতম।

.

দুনিয়াতে দু ' টি বড় পাপের প্রতিক্রয়া খুবই নিন্দনীয়। যেনা তার একটি।

যেনাকারীর বাস্তব বিচার বা সামাজিক বিচার যেমন অপমানজনক তেমনি সমাজে দুর্নাম ছড়িয়ে যাওয়াও অপমানজনক।.

.

কাজেই যেনাকারী ইহকালেও ক্ষতিগ্রস্ত , পরকালেও ক্ষতিগ্রস্ত। এটা এমন একটা পাপ যার মাধ্যম অনেক। যেমন: - চোখ , হাত , পা, কান , মুখ, অন্তর ও লজ্জাস্থান। এগুলির দ্বারা মানুষ যেনার মত জঘন্য পাপ করে থাকে।

.

অাল্লাহ তা ' য়ালা বলেন : তোমরা যেনার নিকটবর্তীও হয়োনা, এটা অশ্লীল ও নিকৃষ্ট পথ। সুরা -বানী -ইসরাঈল - ( ৩২)

.

ব্যভিচারিনী নারী ও ব্যভিচারী পুরুষ তাদের প্রত্যেককে একশত করে বেত্রাঘাত কর ।

.

আল্লাহর আইন কার্যকর করার ব্যাপারে তাদের প্রতি দয়ামায়া তোমাদেরকে যেন প্রভাবিত না করে , যদি তোমরা আল্লাহ ও আখিরাত দিনের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে থাক। একদল মু ’মিন যেন তাদের শাস্তি প্রত্যক্ষ করে। -সুরা - নুর -( ২)

.

বর্তমানে,

একশ্রেনীর জ্ঞানহীন কিছু যুবক - যুবতী , লজ্জা -শরম ভুলে গিয়ে পরকিয়া প্রেমে অাসক্ত হয়ে যেনা করছে ও মা-বাবার অবাধ্য হচ্ছে।

যৌনাচারের মত বিষাক্ত ভাইরাস ছড়িয়ে বেড়াচ্ছে সমাজে।

.

এরা মুসলীম নামের কলঙ্গ।

সতর্ক করতে গেলে বিভিন্ন যুক্তি দেখায় , বিভিন্ন অযুহাত দেখিয়ে ( নিজের করা জঘন্যতম ) পাপকে অস্বীকার করে।

.

অার এই পরকিয়া প্রেমের সাহায্যে হিসাবে কিছু ( অজ্ঞ জ্ঞানী ) লোকেরা ইসলামিক লেবাস পড়ে টাকা কামিয়ে পাপের ভাগীদার হচ্ছে।

.

অাল্লাহ তায়ালা যেনো অামাদের সবাইকে , সমাজে ছড়িয়ে থাকা অশ্লীল কাজ কর্ম থেকে হেফাজত করেন ,

3573 views Answered

ইসলামের দৃষ্টিতে প্রেম করা হারাম।কারণ প্রেম এর মাধ্যমে এক জন অপর জনের উপর আকৃষ্ট হয়।যার ফলে বিভিন্ন রকমের অশোভন কথাবার্তা প্রকাশ পায়।যে কারণে প্রেম এর মাধ্যমে মানুষ ইসলাম বিরোধী বিভিন্ন পাপ কাজে লিপ্ত হয়।

3573 views Answered

ইসলামের দৃষ্টিতে ইহা নিষেধ। কারন ইসলাম কোখন ও  বিয়ের আগে ছেলে মেয়ে একসাথে মিলামেশা করা গ্রহণ করে না।তাছাড়া আপনি যদি কারও সাথে প্রেম করার পর আপনি যদি অন্য কাওকে বিয়ে করেন তাহলে আপনিই কষ্ট পাবেন।এখন বুঝুন।

3573 views Answered

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

মহান আল্লাহ পাক বলেন -
"মুমিনদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি নত রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গর হেফাযত করে। এতে তাদের জন্য খুব পবিত্রতা আছে। নিশ্চয় তারা যা করে আল্লাহ তা অবহিত আছেন।" (সূরা নুর -৩০) 
এখানে পুরুষদের চোখ নীচু রাখতে এবং লজ্জা স্থান হিফাজত করতে বলা হয়েছে।

সূরা মায়েদার ৫ নম্বর আয়াতে আল্লাহপাক বলেছেন-

"আজ তোমাদের জন্য পবিত্র
বস্তুসমূহ হালাল করা হল। আহলে
কিতাবদের খাদ্য তোমাদের জন্যে
হালাল এবং তোমাদের খাদ্য তাদের
জন্য হালাল। তোমাদের জন্যে হালাল
সতী-সাধ্বী মুসলমান নারী এবং
তাদের সতী-সাধ্বী নারী, যাদেরকে
কিতাব দেয়া হয়েছে তোমাদের
পূর্বে, যখন তোমরা তাদেরকে
মোহরানা প্রদান কর তাদেরকে স্ত্রী
করার জন্যে, কামবাসনা চরিতার্থ
করার জন্যে কিংবা গুপ্ত প্রেমে লিপ্ত
হওয়ার জন্যে নয়। যে ব্যক্তি বিশ্বাসের
বিষয় অবিশ্বাস করে, তার শ্রম বিফলে
যাবে এবং পরকালে সে ক্ষতিগ্রস্ত
হবে।"

রাসুল (সাঃ) বলেছেনঃ“যার সাথে বিবাহ হারাম নয় এই রকম কোন নারীর সাথে একাকী অবস্থান নিষেধ,অনুরুপ বিবাহ হারাম নয় এই রকম পুরুষের সাথে একাকি অবস্থানও নিষেধ ,কেননা সেখানে শয়তান তৃতীয় জন হিসেবে থাকে।“(সাহীহ মুসলিম)

3573 views Answered

Related Questions

Next steps