2 Answers
মনে করুন, আপনি একজন ক্বারী। তো, একটি ছাত্র বা কয়েক
জন ছাত্রকে আপনি কোরআন শিখাইলেন। এক মাস পর, আপনাকে ৫,০০০/- টাকা দেওয়া হলো। এই টাকাগুলো দেওয়া হয়েছে এই জন্য যে, আপনি একমাস শ্রম দিয়েছেন। এভাবে, কোনো ক্বারিয়ানা বা মাদরাসার শিক্ষকরাও টাকা উপার্জন করেন।
ইসলামের প্রথম যুগে ইমামতি করিয়ে, কুরআন শিখিয়ে, ইলমে দীন শিখিয়ে জনগণের থেকে টাকা নেওয়া অবৈধ মনে করা হত।কারণ তখন আলেম ও ইমামদেরকে সরকারি ভাতা দেওয়া হত।কিন্তু বর্তমান যুগে তখনকার যুগের মত ইসলামি সরকার না যে তাদেরকে ভাতা দিবে।অথচ ইমামতি করানো, কুরআন হাদীস শিখা শিখানো ছাড়া ইসলামের অস্তিত্ব কল্পনাও করা যায়না।যদি কোন ব্যাক্তিকে বেতনের মাধ্যমে এই সকল কাজে নিযুক্ত করা না হয় তাহলে পেটের চিন্তায় স্বেচ্ছায় এই সকল কাজে কেউ আগ্রহ দেখাবেনা।তাই পরবর্তী যুগের ফকীহগণ এই বিষয়টাকে সর্বসম্মতভাবে বৈধ বলে ঘোষণা দেন।জানা থাকা চাই যে ফকীহদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তকে ইসলাম বৈধ বলে ঘোষণা দিয়েছেন।