2 Answers
লিঙ্গ হতে বীর্য বের হওয়ার পূর্বে যে পানি বের হয় সেটার নাম মযী। মযী বের হলে শুধু অযু ভেঙ্গে যায়, এতে গোসল ফরয হয় না। (সহীহ বুখারী, হাদীস নং- ২৬৯)
বীর্যপাতের সময় পরিধেয় কাপড়ে নাপাকী না লাগলে তা নাপাক হয় না। তা সম্পূর্ণ পবিত্র থাকে।
(ঘন আঠালো সাদা বীর্য) বের হলে ওযু- গোসল দুটোই ফরয হয়। কারো মজি বের হলে, সে নামাযের আগে লজ্জাস্থান ধৌত করে ওযু করে নামায পড়বে।
কামরস লাগা জামা-কাপড় পরে নামাজ পড়লে নামাজ হবে না। কেননা, কামরস বা মযী নাপাক। এজন্য আগে কাপড় পবিত্র করতে হবে।
কামরস, বীর্যরস বা মযী শরীরে লাগলে ধুয়ে ফেলা ফরয। কাপড়ে লাগলে কাপড় পবিত্র করার জন্য আলিমগণের মধ্যে মতভেদ রয়েছেঃ
☞ ইমাম শাফিঈ ও ইসহাকের মতে কাপড় ধুতে হবে। ☞ কেউ কেউ বলেন, মযী লাগার জায়গায় পানি ঢেলে দেওয়াই যথেষ্ট।
☞ ইমাম আহমাদ বলেন, আমার মতে পানি ছিটিয়ে দেওয়াই যথেষ্ট ।
তাই কাপড়ের যে অংশে লাগবে, কেবল সে অংশটি ধুয়ে ফেলা পানি ছিটিয়ে দেওয়া জরুরী। পুরো কাপড় ধৌত করা আবশ্যক নয়।
কাপড়ে বীর্যরস লেগে গেলে কি করতে হবে এ ব্যাপারে, সাহল ইবনু হুনাইফ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, বীর্যরস বের হওয়ার কারণে আমি কঠিন অবস্থার মধ্যে ছিলাম। কেননা এ কারণে আমাকে প্রায়ই গোসল করতে হত। আমি ব্যাপারটা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট বর্ণনা করলাম এবং তার বিধান জানতে চাইলাম। তিনি বললেনঃ “এটা বের হলে তোমার জন্য ওযুই যথেষ্ট।"
আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! তা যদি আমার কাপড়ে লেগে যায়, তবে কি করব? তিনি বললেনঃ “এক আঁজলা পানি তোমার কাপড়ের যে অংশে বীর্যরস দেখতে পাও সেখানে ছিটিয়ে দাও, এটাই তোমার জন্য যথেষ্ট।"
(সূনান আত তিরমিজী [তাহকীককৃত], অধ্যায়ঃ ১/ হাদিস নম্বরঃ ১১৫, ইবনু মাজাহঃ ৫০৬ হাদিসের মানঃ সহিহ)।