যোনি থেকে কত ধরনের তরল বের হয়?
মাসিক, বীর্য, যোনিরস, সাদাস্রাব, এগুলো কি একই জিনিস? ভিন্ন হলে প্রতিটির আলাদা আলাদা বর্ণনা দিন।
কেউ বলে মাসিকের সময় সহবাস না করলে নাকি সন্তান হয় না, কিন্তু ইসলাম বলে মাসিকের সময় সহবাস করা নিষেধ। তাহলে হুজুরদের সন্তান হয় কিভাবে। আর একটি কথা, মাসিক যদি নাই প্রয়োজন হয় তাহলে জন্মনিরোধে পিল সেবন করে মাসিক বন্ধ করা হয় কেনো।
1 Answers
নারীদের বীর্য নাই। আর মাসিক, যোনিরস, সাদাস্রাব, এগুলো একই জিনিস না। আলাদা আলাদা।
আর মাসিক হলো :- দেহে লক্ষাধিক ডিম্বাণু নিয়ে জন্ম হয় নারীদের। বয়সন্ধিকালের শুরুতেই সেগুলো নষ্ট হয়ে যায়। কেবল অল্প কিছু সংখ্যক ডিম্বাণু বেঁচে থাকে। যা পরবর্তীতে, প্রতি ২৮ দিন পর পর/প্রতি মাসে ১টি করে ডিম্বাণু ফিলুপিউন টিউব এ আসে এবং জরায়ুতে অবস্থান করে এবং তা এক সময় নষ্ট হয়ে, ৩-৭ দিন সময়ের মধ্যে রক্তাকারে নারীদের যোনীপথ দিয়ে বেরিয়ে আসে। তাকেই মাসিক/পিরিয়ড/মিন্স/ঋতুস্রাব/হায়েজ ইত্যাদি বলা হয়। যা নারীদের ১টি স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়া।
যোনি রস :- যা সেক্সুুয়াল বিষয়ে চিন্তাভাবনা ফলে এই রস নির্গত হয়।এছাড়াও সহবাসের সময় ও তৃপ্তি পেলে এই রস আশে।
সাদাস্রাব:- যাকে লিকোরিয়া বলা যায় এটি
যোনিতে ইনফেকশন হলে,ইউরিন ইনফেকশন হলে,যোনিতে চত্রাক আক্রম করলে,জন্মবিরতীকরন পিল খেলেও এই সাদা স্রাব যায় এছাড়াও বিভিন্য কারনেও সাদা স্রাব যায় যোনি দাড়া।
কেউ বলে মাসিকের সময় সহবাস না করলে নাকি সন্তান হয় না,
আপনার এই কথা ভূল । বরং মাসিকের সময় মিলন করলে সন্তান হয় না এই সময় হলো নিরাপদ সময়।এই সময়ে মিলন করা ইসলামে হারাম।
অবশ্যই মাসিক প্রয়োজন হয় যা সন্তান জন্মদিতে প্রয়োজন।একজন মেয়ের সন্তান হবে কিনা তা নির্ভর করবে মেয়েটির মাসিকের উপর তাই সন্তান নিতে না চাইলে জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল খেয়ে মাসিক নিয়ন্ত্রনে আনে ও এতে বাচ্চা জন্মানো অব্যাহত রাখে।।
আশা করি বুঝতে পারছেন।