লেখাপড়া কি ইবাদাত?
আমি জেনারেল লাইনে লেখাপড়া করি।আমি যদি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য লেখাপড়া করি।তাহলে ইবাদতের মধ্য গণ্য হবে কি?
3 Answers
আপনি নিশ্চয়ই এই বাক্যটি শুনে থাকবেন - প্রত্যেক মুসলমান নরনারীর জন্য জ্ঞান অর্জন করা ফরজ। জ্ঞানের কথা বলা হয়েছে। জেনারেল বা অন্য কোন মাধ্যমের কথা নির্দেশ করা হয় নি। এবার আপনার প্রশ্নের উত্তর আপনি নিজেই চিন্তা করুন।
বিসমিল্লাহ বলে পড়া শুরু করবেন। তাহলে ঐ সময়টুকু এবাদতের মধ্যেই থাকবেন। আর জ্ঞান অর্জন করার জন্য আলাদা সওয়াব তো আছেই। ধন্যবাদ।
“প্রত্যেক মুসলমানের জন্য জ্ঞান অর্জন করা ফরজ” ইবনে মাজাহ। উল্লেখ্য, এখানে জ্ঞান বলতে ইসলামী জ্ঞান বুঝানো হয়েছে। @@@@@@@@@@@@@@@@ ‘‘জ্ঞান অর্জন করা প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর উপর ফরয।’’ কুরআন মাজিদে আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন : ‘‘আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে জ্ঞানী লোকেরাই আল্লাহকে ভয় করে।’’ (৩৫:২৮) পবিত্র কুরআনে আরো উল্লেখ করা হয়েছে : ‘‘আর যে ব্যক্তি তার প্রভূর সামনে উপস্থিত হতে ভয় পায়, তার জন্য দু’টি বেহেশত।’’ (৫৫:৪৬) যেন খোদাভীতিই বেহেশতের চাবী। আর এ খোদাভীতি ইলম বা জ্ঞানের মাধ্যমেই সৃষ্টি হয়ে থাকে। কিন্তু ধর্মে যে, জ্ঞান অর্জনকে ফরয বলা হয়েছে, এর দ্বারা পার্থিব সমস্ত ইলমকে বুঝায় না। কেননা পৃথিবীতে নানাপ্রকার বিদ্যা রয়েছে। এ সমস্ত জ্ঞান অর্জন করা প্রত্যেক মানুষের পক্ষে যেমন সম্ভব নয়, তেমনি তার জন্য ফরযও নয়। যে জ্ঞান অর্জন করা সবার জন্য ফরয বলা হয়েছে, তা হলো শরীয়ত- বিশেষ করে ফরয ও ওয়াজিবসমূহের জ্ঞান লাভ করা, এর সাথে সাথে শরীয়ত বুঝার জন্য যা কিছু শিক্ষা করা প্রয়োজন, তা স্বাভাবিকভাবেই আবশ্যকীয় হয়ে পড়েছে। যেমন মনোবিজ্ঞান, অংক, ভূগোল, রাজনীতি, অর্থনীতি, আইন ব্যবসা ইত্যাদি) @@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@ আশা করি আপনি বুযতে পেরেছেন,আপনি যে জেনারেল লাইনে লেখাপড়া করতেছেন,,এটা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কতুটুকঐ আর ইবাদতের মধ্য গণ্য হবে।