2 Answers
হিটলার তার দমননীতির কারণেই বেশি আলোচিত ও সমালোচিত। সে পৃথিবী থেকে ইহুদি জাতিকে পুরোপুরি উৎখাত করতে চেয়েছিল। এছাড়াও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে তার নেতৃত্বের কারণেও সে আলোচিত।
এডলফ হিটলার
বিশ্বজুড়ে একইসাথে আলোচিত-
সমালোচিত ও
যুদ্ধাপরাধের
অভিযোগে ঘৃণিত ব্যক্তি।
এখনো ইতিহাস কুখ্যাত এ
ব্যক্তিকে নিয়ে গবেষকদের
গবেষণার অন্ত নেই।
ইতিহাস বলে, হিটলার
ছিলেন চরম
ইহুদী বিদ্বেষী, চরম
মাত্রায় নৃশংস। কিন্তু
এটা কি জানেন হিটলারের
প্রথম ভালোবাসা ছিল এক
ইহুদী তরুণীর জন্য? এছাড়া প্রথম
বিশ্বযুদ্ধে এক ব্রিটিশ
সেনা তার জীবন
বাঁচিয়েছিলেন,
নয়তো হিটলার সে যাত্রায়
মারাই যেতেন। এবার
জানা যাক হিটলারের
এরকম আরো কিছু
জানা তথ্য,
যা হয়তো অনেকেই জানেন
না!
(১) হিটলারের নাম কিন্তু
প্রথমে ছিল Adlof
Shicklgruber। তবে তার
বাবা ১৮৭৭ সালে তার
ছেলের নামের শেষ অংশ
পরিবর্তন করে এডলফ
হিটলার রাখেন।
(২) হিটলারের প্রথম
ভালোবাসা ছিল একজন
ইহুদী তরুণী। কিন্তু সাহসের
অভাবে হিটলার তার
ভালোবাসার কথা সেই
তরুণীকে জানাতেই পারেন
নি! অথচ এ ব্যক্তিই
পরবর্তী জীবনে বহু
ইহুদীকে হত্যা করেছেন।
(৩) হিটলার Chronic
flatulence এ আক্রান্ত
ছিলেন। এর
থেকে প্রতিকার
পেতে তিনি ২৮ ধরণের ওষুধ
সেবন করতেন।
(৪) অত্যন্ত
অস্বাভাবিকভাবে হিটলারের
অণ্ডকোষ ছিল একটি!
(৫) হিটলার
ইংল্যান্ডে লিভারপুলে তার
ভাগ্নের বাড়ির ওপর
বোমা বর্ষণ করেন। কেন
জানেন? যাতে তার
ভাগ্নে তার ওপর ক্ষিপ্ত
হয়ে আমেরিকান
সেনাবাহিনীতে যোগ দেয়
ও তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে।
(৬) আমেরিকার
সাথে শত্রুতা থাকা সত্ত্বেও
হিটলারের
অনুপ্রেরণা ছিলেন
হেনরি ফোর্ড। আমেরিকার
এ ব্যক্তি ছিলেন বিখ্যাত
ফোর্ড গাড়ি কোম্পানির
প্রতিষ্ঠাতা। হিটলারের
ডেস্কের পেছনে ফোর্ডের
একটা পোট্রেট ছিল।
(৭) হিটলার নিজে ছিলেন
নিরামিষভোজী ও
প্রাণী হত্যাকে নিষিদ্ধ
করে আইন প্রণয়ন
করেছিলেন।
(৮) মাত্র চার বছর
বয়সে হিটলারকে পানিতে ডুবে যাবার
হাত থেকে বাঁচিয়েছিলেন
এক পাদ্রী।
(৯) জার্মানিতে সে সময়
একজন ইহুদী বংশোদ্ভূত
চিকিৎসক ছিলেন।
যিনি হিটলারের
পরিবারের কাছ
থেকে চিকিৎসার জন্য
অর্থ নেন নি। কারণ
হিটলারের পরিবার সেসময়
আর্থিক অনটনে ছিল।
পরে ইহুদীদের প্রতি চরম
অত্যাচার চালালেও
হিটলার
সে চিকিৎসককে রক্ষা করেন।
তিনি এ
ব্যক্তিকে ডাকতেন ‘মহান
ইহুদী’।
(১০) ছোটবেলায় হিটলার
চেয়েছিলেন একজন
পাদ্রী হতে।
(১১) হিটলার ছিলেন
ডিজনি নির্মিত কার্টুনের
বিশাল ভক্ত!
(১২) ইহুদীদের নির্যাতন
করে মারার জন্য হিটলারর
নাৎসি বাহিনী তৈরি করেছিল
কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প।
তবে অদ্ভুত বিষয় হচ্ছে,
হিটলার তার
জীবনে কখনোই এসব
কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প
নিজের চোখে দেখেনই নি!
(১৩) আধুনিক
ইতিহাসে হিটলারই প্রথম
ধূমপান-
বিরোধী প্রচারণা শুরু
করেন।
(১৪) ১৯৩৯ সালে হিটলার
মনোনীত হয়েছিলেন
নোবেল শান্তি পুরস্কারের
জন্য।