1 Answers
অতীতের রাজা বাদশারা অন্দর মহলে পাহারাদার নিযুক্ত করার আগে পুরুষদের খোজা করে দিতেন। তখনো আমাদের এই উপমাহাদেশে বিশেষ বিশেষ কারনে খোজা করার তথ্য পাওয়া যায়। বাংলাদেশে খোজা করনের কোন পরিসংখ্যান বা প্রমান পাওয়া না গেলেও সর্ব ভারতীয় ‘হিজড়া’ কল্যাণ সভার একটি সমীক্ষায় জানা যায় ভারতের বিভিন্ন স্থানে প্রতি বছর ছয় থেকে পঁচিশ বছরের আশি হাজার পুরুষ অবৈজ্ঞানিক পন্থায় অন্ডোকোষসহ পুরুষাঙ্গ কেটে হিজড়া হচ্ছে। এদের অর্ধেকই চিকিৎসার অভাবে মারা যায়। তবে খোজা করনের পক্ষে বাংলাদেশে সামাজিক ও আইনি কোন স্বীকৃতি নেই। ফৌজদারি দন্ডবিধির ৩২৬ ধারার লিঙ্গচ্ছেদনকে Griedoas Hurt হিসেবে চিহ্নিত করা যেতে পারে। হিজড়াদের সম্পর্কে উপরের বিশদ আলোচনার পথে একথা বলা যায় যে, ক্রোমোজোমের ত্রুটির করনে যে সকল মানুষ লিঙ্গগত সমস্যা নিয়ে জন্মগ্রহণ করে তারাই মূলত ‘হিজড়া’। আবার অন্য কথায় বলা যায় সুস্থ সামাজিক মানুষ শুধুমাত্র মানসিক তৃপ্তির জন্য ‘হিজড়া’ সাজে এমনকি তারা হরমোন থেরাপীও নিয়ে থাকে। তাই ‘হিজড়া’ বলতে বোঝায় শরীরিক ও মানসিক ভাবে যৌন প্রতিবন্ধীরাই হল ‘হিজড়া’ । হিজড়ারা সাধারন পরিবেশে সাধারন মানুষের সাথে মিশতে পারে না তাদের চরিত্রগত বৈচিত্র্যের জন্য। এইসব সামাজিক প্রতিবন্ধকতা তাদের পড়াশোনা বা অশিক্ষার অন্ধকারের ডুবে থাকে সারা জীবন। তবে বর্তমানে একটি গবেষণায় পাওয়া গেছে বাঁধন ‘হিজড়া’ সংঘ তাদের নিজেদের মধ্যে শিক্ষার আলো জালাতে সক্ষম হচ্ছে আস্তে আস্তে। তারা একত্রে শিক্ষা গ্রহণ করছে এবং তাদের এই শিক্ষা প্রদানের ভার নিয়েছে কয়েকটি এনজিও সংস্থা।