আসসালামুলাইকুম, আমার এক বনধু, ছদ্ম নাম রোকন সে ছোট থাকা অথাৎ তার বয়স যখন ১মাস তখন তার বাবা মায়ের বিচেছদ ঘটে,। তারপর তার মা তাকে নিয়ে চলে আসে এবং সে আর কখনো তার বাবার বাড়ি যায়নি, অন্য দিকে তার বাবা পুনরায় বিবাহ করে,সেই ঘরে তার একটি বোন হয়। রোকন কখনো তার সৎ মায়ের দুধ পান করেনি,তাছাড়া সে বড় হবার পর সেই বাড়িতে যায়, যখন বয়স ১৬। অতপর তার ওই বোনের সাথে ধীরে ধীরে প্রেমময় সমর্পক হয়। তারা একজন আরেক জনকে জীবন সাথী হিসাবে পেতে চায়। আমার প্রশন হল তারা কি বিবাহ করতে পারবে,আর ইসলাম কী বলে। অনুগ্রহ করে জানালে ভাল হয়।।।
11342 views

3 Answers

না সত্‍ বোন কে বিবাহ করতে পারবে না।

11342 views

ভাই, আপনার প্রশ্নের বিবরণ অনুযায়ী এধরনের সৎ বোনের সাথে সম্পর্ক স্থাপন অনৈতিক এবং হারাম। আর ইসলাম সৎবোনের সাথে বিবাহ বন্ধনকে হারাম করেছে।

11342 views

যে সকল স্ত্রীলোকদের বিয়ে করা হারাম তা নিম্নে দেয়া হলঃ--- ১/ মা, সৎ মা, দাদী, পর দাদী, নানী, পর নানী ও যত উপরে যাবে। ২/ নিজ কন্যা, কন্যার কন্যা, কন্যার নাতনী এইরুপ যত নিচে নামবে। ৩/ সহোদরা বোন, সৎ বোন অথবা মা এক বাপ দুই এরুপ বোন অর্থাৎ নিজ মায়ের গর্ভে তার অন্য স্বামী হতে যে মেয়ে জন্মলাভ করেছে। ৪/ ফুফু অর্থাৎ পিতার আপন বোন, সৎ বোন ও মা এক, বাপ দুই এরুপ বোন। তদ্রুপ মা,বাপ,দাদা,দাদি, নানা, নানি এইরুপ যত উপরে যাবে তাদের ফুফু। ৫/ খালা অর্থাৎ মায়ের আপন বোন, সৎ বোন, ও মা এক বাপ দুই এইরুপ বোন, তদ্রুপ মা, বাপ, দাদা ,দাদি, নানা, নানি ও যত উপরে যাবে তাদের খালা। ৬/ ভাতিজী অর্থাৎ আপন ভাইয়ের কন্যা ও সৎ ভাইয়ের কন্যা এবং তাদের সন্তানাদির কন্যা ৭/ ভাগিনী অর্থাৎ আপন ও সৎ বোনের কন্যা এবং তাদের সন্তানাদি ৮/ দুধ মা অর্থাৎ আড়াই বৎসর বয়সের মধ্যে যার দুধ পান করেছ। ৯/ দুধ বোন এবং দুধ মায়ের কন্যা, অর্থাৎ যার দুধ পান করেছ তার অন্যান্য কন্যা । বাইরের যে কোন মেয়ে শিশু আপন মা হতে দুধ পান করলে সেই মেয়ে শিশুকে ধুধ বোন বলে। তদ্রুপ কোন একজন স্ত্রী লোক হতে তার আপন সন্তান ছাড়া অন্য যতজন ছেলে ও মেয়ে শিশু দুধ পান করবে তারা সকলে একে অপরের দুধ ভাই বোন। তাদের মধ্যে একে অপরের সাথে বিয়ে হারাম/ ১০/ শাশুড়ি, স্ত্রীর দাদী ও নানীগণ ১১/ স্ত্রীর অন্য স্বামীর কন্যা ও কন্যার কন্যা ১২/আপন পুত্রের বধু, পুত্রের পুত্রবধু ও যত নিচের দিকে যাবে ১৩/ সহোদরা দুই বোনকে একত্রে বিয়ে করা বা স্ত্রীর বর্তমানে স্ত্রীর বোনকে বিয়ে করা। তদ্রুপ স্ত্রী তালাক প্রাপ্ত হলে ইদ্দত পালন কালে তার বোনকে বিয়ে করা। ১৪/ অন্য কোন লোকের স্ত্রীকে বিয়ে করা। কোন স্ত্রী লোক তালাকের পর বা স্বামীর মৃত্যুর পর ইদ্দত পালন করা অবস্থায় তাকে বিয়ে করা হারাম। তাছাড়া কাফের, বা বিধর্মী মেয়ে, মুরতাদ অর্থাৎ ইসলাম ত্যাগ কারি ও ৪জন স্ত্রী বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ থাকা কালে ৫ম কোন নারী বিয়ে করা হারাম। তদ্রুপ ৪জন স্ত্রীর মধ্যে কোন স্ত্রী তালাকের ইদ্দত পালন কালে ৫ম নারী বিয়ে করা হারাম। এখন নিশ্চয় বুজতে পারলাম রোকনের কাজটি ইসলামের মতে সম্পূর্ণ হারাম।।।। এবং সে যে তার সৎবোন এর সাথে প্রেম করে তা ও হারাম।।

11342 views

Related Questions