1 Answers
এর বৈশিষ্ট্য হচ্ছে সামান্য স্পর্শেই এর পাতা গুটিয়ে যায়। লজ্জাবতী লতার নামের পেছনে এর আচরণগত বৈশিষ্ট্যই প্রধান কারণ। সাধারণত পথের পাশের ঝোপঝাড়েই এরা বেশি জন্মে। লজ্জাবতী লতার বোটানিকাল নাম হলো mimosa pudica। এদের পাতার গঠন যৌগিক। পাতাগুলি বৃনত্দের সাথে যেখানে সংযুক্ত থাকে, সে অংশটি অনেকখানি স্ফীত। স্ফীত অংশটিতে পাতলা আবরণের অসংখ্য কোষ থাকে। পানি পেলে কোষগুলো তা শোষণ করে এবং স্ফীত হয়। পানি বেরিয়ে গেলে আবার সংকুচিত হয়ে পড়ে। আমরা অনেক সময় খেলাচ্ছলেই লজ্জাবতী লতার পাতা স্পর্শ করি এবং স্পর্শকাতরতার জন্যই নিজেদের এরা গুটিয়ে নেয়। আসলে তখন পাতলা আবরনের কোষ থেকে জলকণা কান্ডে চলে যায়। কোষগুলো সংকুচিত হয় এবং তারা তাদের দৃঢ়তা বা stiffness হারিয়ে ফেলে। এর ফলে পাতাগুলি কুঞ্চিত হয়। শুধু মানুষের স্পর্শেই যে পাতাগুলো কুঞ্চিত হয়, ব্যপারটা তেমন নয়। পোকা, ৰুদ্রবসত্দু, এমনকি পাতার এক ফোঁটা পানিও ওই প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। গুটিয়ে নেয়ার প্রক্রিয়া কয়েক সেকেন্ডে সমাপ্ত হয়। কিন্তু স্বাভাবিক বা আগের অবস্থায় ফিরে আসতে তাদের আধঘন্টা থেকে একঘন্টা পর্যন্ত সময় লাগে। মানুষের কাছে লজ্জাবতী লতা তার আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্যের জন্য খুব ভালভাবেই পরিচিত। একই বৈশিষ্ট্যে সম্পন্ন আরও কিছু উদ্ভিদ আছে। তবে তাদের পাতা কুঞ্চিত হতে অপেৰাকৃত বেশি সময় লাগে।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy