1 Answers

পাতার ভেতরে আছে অতি ক্ষুদ্র লাখ লাখ রঙের পুটলি। সেগুলো হল হলুদ, কমলা ও সবুজ। এই রঙগুলোর আবার আলাদা আলাদা নাম। হলুদ রঙের নাম জ্যানথোফিল, কমলা রঙের নাম ক্যারোটিন আর সবুজ রঙের নাম ক্লোরোফিল

সবুজ রং অন্য সব রং থেকে গাঢ় বলে চোখে পড়ে বেশি। ক্লোরোফিল যখন সূর্যের আলোর সঙ্গে কাজ করে, তখনই পাতা বেশি সবুজ দেখায়।

পাতার ভেতরে আছে খুব সরু শিরা উপশিরা। ওগুলোর ভেতর দিয়ে পাতায় পানি ঢোকে। কিন্তু শীতের আগে আগে পাতার বোঁটার মুখে নরম কাঠের একটি স্তর জমে। ফলে পাতায় পানি ঢোকার পথ বন্ধ হয়ে যায়। তখন পানি না পেয়ে পাতার সবুজ ক্লোরোফিল বিবর্ণ হয়ে যায় এবং এক সময় খসে পড়ে যায়।

সে সময় পাতার জ্যানথোফিল ও ক্যারোটিন রঙই চোখে পড়ে। তাই শরৎকালে অনেক গাছের পাতার রঙ হয় হলুদ বা কমলা রঙের। শরতে কোনো কোনো গাছের পাতা লাল রঙ ধারণ করে। কারণ গোটা গরম কাল জুড়ে পাতারা গাছে খাদ্য হিসাবে চিনি উৎপাদন করে। ওই চিনি রসের আকারে সারা গাছে ছড়ায়। কিন্তু যখন পাতার বোঁটার মুখে নরম কাঠের স্তর জমে, তখন ওই চিনি পাতায় আটকে যায়। ঐ আটকে পড়া চিনি লাল রঙ ধারণ করে।

5196 views

Related Questions