3 Answers
উপকারিতাঃ হস্তমৈতুনকে বৈজ্ঞানিকভাবে একরকম স্বীকৃতিই দেয়া হয়েছে ।বিশেষজ্ঞরা মনে করেন,অল্প ক্ষেত্রে ইহা শারিরিক বা মানসিক কোন ক্ষতিসাধন করে না ।তবে মনে রাখতে হবে Excess is everything bad. হস্তমৈতুন সাধারনত তাৎক্ষনিকভাবে উত্তেজনা প্রশমন করে ।অনেক সময় নেগেটিভ কল্পনা বা অশ্লিল ছবি এবং ভিডিও দর্শনের ফলে যৌন উত্তজনা সৃষ্টি হয় । এধরনের উত্তেজনা সামাজিক অপরাধে উৎসাহিত করে । তাই পরিত্রানের উপায় হিসেবে তখনি হৈস্তমৈতুন করা যেতে পারে ।বিশেষভাবে স্বপ্নদোষ পুর্নাঙ্গ রুপ নেয়ার আগে যদি ঘুম ভেঙে যায় এবং উদ্ভট কল্পনার ফলে যদি অতিরিক্ত যৌন উত্তেজনা দেখা দেয় তবে তাৎক্ষনিক হস্তমৈতুন করাই শ্রেয় ।নয়তো সাময়িক তলপেটে ব্যাথা সহ শারিরিক বা মানসিক সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে । অপকারিতাঃ যার উপকারিতা থাকবে তার অপকারিতাও থাকবে ।হস্তমৈতুনের ক্ষেত্রে উপকারিতার চাইতে অপকারিতাই বেশি ।প্রথমত এই কাজটি সব ধর্মেই নিষেধ করা হয়েছে ।অপচয় করা প্রায় সব ধর্মেই নিষিদ্ধ । ইসলাম ধর্মে অপচয়কারিকে শয়তানের ভাই বলে উল্লেখ করা হয়েছে ।বীর্য আল্লাহর একটি নিয়ামত,আর হস্তমৈতুনের মাধ্যমে এই নিয়ামতের অপচয়ই হয়ে থাকে । অতিরিক্ত হস্তমৈতুনের ফলে লিঙ্গ বা যোনীপথে ঘা এর সৃষ্টি হতে পারে,এমনকি রক্তক্ষরন ও হতে পারে ।বিশেষ করে মেয়েদের যোনীতে বিভিন্ন বস্তু প্রবেশের কারনে জীবানু সংক্রমন ঘটতে পারে ।উভয়ের বেলায় প্রশ্রাবে জালাপোড়া সহ জীবানু সংক্রমনে সিফিলিস, গনোরিয়া ইত্যাদি রোগের সৃষ্টি হতে পারে ।নিয়মিত ও অতিরিক্ত হস্তমৈতুনে যৌনশক্তি কমে যাওয়া ও শারিরিক দুর্বলতা দেখা দিতে পারে ।ইহা অভ্যাসে পরিনত হতে পারে এবং দীর্ঘদিন এই অভ্যাসের ফলে যৌন আকাঙ্খা কমে যেতে পারে, তাছাড়া বিবাহিত জীবনে যৌন অনীহার সৃষ্টি হতে পারে যা দাম্পত্বেও প্রভাব ফেলবে । করনীয়ঃ যথা সম্ভব এই পদ্ধতিটি এড়িয়ে চলাই উত্তম । ধর্মীয় বিষয়গুলিতে মনযোগী হলে এই অভ্যাসটা সহজেই ত্যাগ করা যায় ।
আপনি হামদর্দ কোম্পানির জারনাইড সিরাপ খেয়ে দেখতে পারেন।
সবচেয়ে ভাল হয়-হোমিওপ্যাথিক ঔষধ খেলে পুরোপুরি ভাল হয়ে যাবেন।
আমারও এই সমস্যা ছিল।অনেক কিছু করছি ়ভাল হয় না।অবশেষে,ভাল হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারের পরামর্শে 3 মাস ঔষধ খেয়ে ভাল হয়ছে ইন-শাহ-আল্লাহ।
নানা জনে নানান কিছু বলে তাতে কোন কাজেই হয় না।
হ্যা সম্ভব ।আপনি আজ থেকেই এগুলা বাদ দেন ।এক সময় পুরোপরি সুস্থহয়ে যাবেন ।দেহে শক্তি পাবেন ।যৌন শক্তি বৃদ্ধি পাবে ।।
নিজের মনকে শক্ত করতে হবে ।এগুলোর বিরুদ্ধে নিজেকে দৃঢ় করতে হবে ।তাই সম্ভব ।