1 Answers
এটা একটা ভুল কথা, কারণ হিজাব নারীদের জন্য অত্যাবশ্যক/ফরয। স্বয়ং আল্লাহ্ নারীদের আদেশ করেছেন তারা যেন তাদের সৌন্দর্যকে আবৃত করে, যার মধ্যে রয়েছে মুখমন্ডল আবৃত করা, বক্ষদেশসহ তাদের যাবতীয় সৌন্দর্য আবৃত করা। এটাকে নারীদের জন্য ঢাল হিসেবে অমর্যাদা ও প্রলোভনের বিরুদ্ধে ব্যবহারের আদেশ করা হয়েছে। কারণ, নারী জাতি হল সকল বাসনার কেন্দ্রবিন্দু এবং যারা তাদেরকে প্রলোভনের বস্তু হিসেবে দেখে তাদের প্রলোভনের কেন্দ্রবিন্দু। তাই, যখন একজন নারী তার সৌন্দর্য অনাবৃত করবে, সেটা মানুষের কামনাকে উত্তেজিত করবে এবং মানুষ তার প্রতি আকৃষ্ট হবে ও তাকে অনুসরণ করবে। এই বিষয়টি নানা ধরনের অনৈতিক কার্যকলাপের উৎস যার মধ্যে রয়েছে ব্যভিচার ও এর দিকে চালিত করার নানাবিধ উপায়সমূহ। সুতরাং, হিজাব নারীদের জন্য ফরয এবং এটাকে তাদের উপর অত্যাবশ্যক করা হয়েছে নিম্নোক্ত আয়াতের মাধ্যমেঃ ▬► “ঈমানদার নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে এবং তাদের যৌন অঙ্গের হেফাযত করে। তারা যেন যা সাধারণতঃ প্রকাশমান, তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে এবং তারা যেন তাদের মাথার ওড়না বক্ষ দেশে ফেলে রাখে।”(সূরা নূরঃ৩১) ওড়না বা ‘খিমার’ হল সেই জিনিস যেটা মাথার উপর থেকে নিচে নেমে এসে মুখমন্ডল আবৃত করে আর ‘জিলবাব’ হচ্ছে একটি বাহ্যিক পোশাক যেটার মাধ্যমে একজন নারী তার সমস্ত দেহ আবৃত করতে পারে তার শরীরে যেকোন অংশের প্রদর্শন ব্যতীত। ▬► আল্লাহ্ সুবহানাওয়াতা’আলা বলেনঃ “তোমরা তাঁর(রাসূল সাঃ) পত্নীগণের কাছে কিছু চাইলে পর্দার আড়াল থেকে চাইবে।”(সূরা আহযাবঃ৩৩) ▬► হে নবী তুমি তোমার স্ত্রী, কন্যা ও মুমিনদের স্ত্রীদেরকে বল, তারা যেন তাদের চাদরের কিয়দাংশ নিজেদের উপর টেনে নেয়, এতে করে তাদেরকে চেনা সহজ হবে, ফলে তাদেরকে উত্ত্যক্ত করা হবে না। আল্লাহ তাআলা ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু"। (সূরা আহযাব, আয়াত : ৫৯) ▬► রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়াসাল্লাম বলেছেন-‘নারী হলো গোপনীয় সত্তা। যখন সে ঘর থেকে বের হয়, তখন শয়তান তার দিকে দৃষ্টি উঁচু করে তাকাতে থাকে।’(তিরমিযী শরীফ, ১/ ২২২) ▬► হযরত আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিত রাসূলুল্লাহ (সা) বলেন-"ঈমানের ষাটটিরও বেশি শাখা আছে এবং 'হায়া'(লজ্জা, আত্মসম্মানবোধ, সংযম, শালীনতা, ভদ্রতা ও মার্জিত আচরন) তার মধ্যে অন্যতম"(সহীহ আল বুখারি)হে বোন ! পরিমল টাইপের লোকগুলোর কাছে আর কতো নিজেকে পণ্য হিসাবে দেখার সুযোগ দিবেন , আপনারা কি বুঝতে পারতেছেন না নারীবাদিরা আপনাদের কোন দিকে ঠেলে দিচ্ছে । একের পর এক নারী ইভটিজিং এর শিকার হচ্ছে , পত্রিকা খুললেই দেখি ধর্ষনের খবর , এতে নারীবাদিরা নিশ্চুপ কারন তারাই হচ্ছে নারীবাদি যারা কানিজ আলমাস-পরিমল টাইপ সমাজ গঠনের লক্ষে আজ ' নারীবাদি ' , যে কারনে পরিমল'রা অপরাধ করেও বেঁচে যায় । অথচ দেখুন , এমন একজন নারী দেখাতে পারবেন যে , পর্দা করতো কিন্তু ধর্ষিত হয়েছে ? পারবেন না কারন পর্দা নারীকে হেফাযতের মাধ্যমে সম্মানিত করে , কারন পর্দা নারীর সম্ভ্রম ! হয়তো আধুনিক নারীরা মনে করছে পাশ্চাত্যের স্রোতে নিজেকে ভাসিয়ে দিতে পারলেই বুঝি উন্নতির উচ্চ চূড়ায় পৌঁছতে পারবে , আর এমন চিন্তা তাদের মধ্যে ব্রেইন ওয়াশ করা হয়েছে । একবারও কি তারা ভেবে দেখেছেন, যে পথে তারা চলছেন সে পথ থেকে কখনও ফিরে আসতে?" উলঙ্গপনা করে পর্দা বিহীন চলাফেরা করা যদি আধুনিক হয় , তাহলে পশু-পাখিরা ও আধুনিক " । আল্লাহ কে ভয় করুন এবং প্রতিফল দিবসকে স্মরণ করুন । আল্লাহ বুঝার তওফিক দান করুন । আমীন
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy