1 Answers

৪৫০মিলিয়নের বেশী লোক মানসিক প্রতিবন্ধতায় ভোগে। ডব্লু এইচ্ ও এর অনুসারে ২০২০সালে বিষাদগ্রস্থতা বিশ্বব্যপী রোগের বোঝার মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে থাকবে(মারে এবং লোপেজ,১৯৬৬)। মানসিক স্বাস্থ্যের বিশ্বব্যপী বোঝা উন্নত এবং উন্নতশীল দেশগুলির চিকিতসা ক্ষমতার বাইরে চলে যাবে। মানসিক অসুস্থতার সাথে জড়িত সামাজিক ও আর্থিক মূল্য মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতিকরণ এবং মানসিক রোগের নিবারণ ও চিকিতসার সম্ভাবনার দিকে লক্ষ্য বিস্তার করে। এইভাবে মনসিক স্বাস্থ্য ব্যবহারের সাথে সম্পর্কিত এবং শারীরিক স্বাস্থ্য ও জীবনের মানের ভিত্তি। শারীরিক স্বাস্থ্য এবং মানসিক স্বাস্থ্য ওতপ্রোতভাবে জড়িত এবং এটা নিঃসন্দেহে প্রমানিত যে অবসাদ থেকে হৃদরোগ এবং নালীঘটিত রোগ হয়। মানসিক বৈকল্য একজন লোকের স্বাস্থ্যসন্মত অভ্যাসকে, যেমন সঙ্গত খাওয়া দাওয়া, নিয়মিত ব্যায়াম, যথেষ্ট ঘুম, নিরাপদ যৌনাভ্যাস, মদ এবং তামাক সেবন, চিকিত্‌সা গ্রহণ ইত্যাদিকে, প্রভাবিত করে এবং এভাবে শারীরিক রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। মানসিক অ-স্বাস্থ্য বেকারত্ব, পরিবার ভেঙে যাওয়া, দারিদ্র, মাদকদ্রব্য সেবন এবং এইসবের সাথে জড়িত অপরাধে প্রবৃত্ত করে। খারাপ মানসিক স্বাস্থ্য অনাক্রম্যতা কমানোতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। অবসাদগ্রস্ত রোগীরা অন্য অবসাদহীন রোগীদের তুলনায় বেশী ভোগে। দীর্ঘকালীন রোগ যেমন ডায়াবেটিস, ক্যান্সার, হৃদ্‌রোগ ইত্যাদি অবসাদগ্রস্ততার ঝুঁকি বাড়ায়।

2521 views

Related Questions