2 Answers
সারাজীবনে সব কিছুই কি মন মতো হওয়া সম্ভব? নিজের ইচ্ছায় কিংবা অনিচ্ছায় এমন অনেক কিছুই ঘটে যেগুলোর কারণে পরবর্তিতে অনুশোচনা করতে হয় সারাজীবন। বিশেষ করে কিছু পারিবারিক ও নিজস্ব বিষয় নিয়ে নারীরা সারাজীবনই আফসোস ও অনুশোচনা করে কাটিয়ে দেয়। হয়তো এগুলোর মাঝে কিছু কারণ বেশ তুচ্ছ। কিন্তু তারপরেও নারীরা এগুলো নিয়ে আফসোস করেন বা অপরাধবোধে ভোগেন প্রায় সারাজীবনই। আসুন জেনে নেয়া যাক ৫টি কারণ সম্পর্কে যেগুলো নিয়ে নারীরা দীর্ঘদিন ধরে অনুশোচনায় ভোগেন। আর আশেপাশে তাকিয়ে দেখুন, হয়তো আপনার মা-বোন-স্ত্রী-বান্ধবী কারো বুকের মাঝে আছে হয়তো এমন দীর্ঘশ্বাস।
সন্তানকে যথেষ্ট সময় না দেয়া
সন্তানকে ঠিক মত সময় দিতে না পারলে কম-বেশি সব নারীরাই অনুশোচনায় ভুগে থাকেন। যেসব নারীরা সন্তান ছোট থাকতে চাকরী করেন তাদের মধ্যে এই অনুশোচনাটা অনেক বেশি থাকে। সন্তানকে সঙ্গ দিতে না পারা, তার সাথে খেলতে না পারা, পছন্দের খাবার বানিয়ে দেয়ার সময় না পাওয়া ইত্যাদি কারণ গুলো অধিকাংশ নারীর মনে অনুশোচনা সৃষ্টি করে।
মেহমানের জন্য করা রান্না ভালো না হওয়া
অনেক মেহমান দাওয়াত দিয়েছেন। কিন্তু পোলাওটা নরম হয়ে গিয়েছে বেশি আর গরুর মাংসটা ঠিক মত সেদ্ধ হয়নি। শুনতে হাস্যকর মনে হলেও এই পরিস্থিতিতে একজন নারী মোটামুটি হাত-পা ছড়িয়ে কাঁদতে বসে যাওয়ার মত আফসোস করেন। মেহমান দাওয়াত দিয়ে রান্না ভালো না হলে সেই আফসোস একজন নারীর মনে সারাজীবন রয়ে যায়। যে নারী একেবারেই রান্না করেন না, তিনিও চান যে সকলে তার রান্নার প্রশংসা করুক।
উচ্চ শিক্ষা বা চাকরীর সুযোগ পেয়েও না করা
অনেক নারীই বিয়ের পর উচ্চশিক্ষা বা চাকরী করার সুযোগ পেয়েও করেন না। সংসারের কথা ভেবে, সন্তানের কথা ভেবে, স্বামীকে সময় দেয়ার জন্য কিংবা শ্বশুরবাড়ির চাপের কারণে শিক্ষা বা চাকরীর সুযোগ হাতছাড়া করেন অনেক নারীই। যারা কম বয়সে শিক্ষা বা চাকরীর সুযোগ পেয়ে হাতছাড়া করেন, তাঁরা বৃদ্ধ বয়সে এই বিষয়টি নিয়ে আফসোস প্রকাশ করে থাকেন। বিশেষ করে অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অর্জনের সুযোগ হাতছাড়া করার জন্য সর্বদা আফসোস করেন।
ভালোবাসা দিতে কিংবা নিতে না পারা
যে সব নারীরা পরিবারকে সময় দিতে গিয়ে কিংবা চাকরী সামলাতে গিয়ে সঙ্গীকে ঠিক মত সময় দিতে পারেন না তাঁরা এই বিষয়টা নিয়ে বেশ অনুশোচনায় ভোগেন। সঙ্গীর সাথে ঘুরতে যেতে না পারা, সঙ্গীর সঙ্গে আন্তরিক সময় না কাটানো কিংবা সঙ্গীকে নিজের হাতের পছন্দসই খাবার না খাওয়ানোর আফসোস সারা জীবন রয়ে যায় অনেক নারীর মনে। আবার অনেক নারীর জীবনটাই এই আফসোসে কেটে যায় যে পৃথিবীতে কেউ তাঁকে সত্যিকারের ভালবাসলেন না কিংবা স্বামী তার মন বুঝলেন না। এই বিষয়টি নিয়ে নারীদের মাঝে চরম হতাশা কাজ করে।
যৌবনে নিজেকে সময় দিতে না পারা
যেসব বিষয় নিয়ে নারীদের আফসোস সবচাইতে বেশি হয়, সেটা হলো এটি। একজন বিবাহিত নারী তার পুরো যৌবন কাটিয়ে দেন পরিবারের পেছনে। যারা চাকরি করেন, তাদের হ্যাপা আরও বেশি। চাকরি আর সংসার সামলে নিজের জন্য কিছুই বাকি থাকে না। একটা পর্যায়ে গিয়ে নিজেকে নিয়ে খুব হতাশায় ভোগেন। বারবার আফসোস করেন যে কাজের ফাঁকে একটু সময় যদি নিজের সৌন্দর্য ও স্বাস্থ্যকেও দিতেন!
বিয়ের পূর্বেঘটিত প্রেম এবং অনৈতিক কাজের জন্যও অনেক সময় অনুশোচনা ভোগ করে থাকে ... বিশেষ করে যা স্বামী কে বলতে পারেনা ...সংসার ভেঙ্গে যাবার ভয়ে......।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy