ছোট বাচ্চার প্রস্রাব সম্পর্কে জানতে চাই?
2 Answers
বাচ্চাটি যদি ছেলে হয় এবং মায়ের দুধ ছাড়া অন্য কিছু না খায় তাহলে পানির ছিটা দিতে হবে বা পানি দিয়ে হালকাভাবে কাপড়টি ধৌত করতে হবে। হাদীসে এসেছে, কুতায়বা (রহঃ) উম্মে কায়স বিনতে মিহসান (রাঃ) থেকে বর্ণিত। খাদ্যগ্রহণ করেনি, তার এমন একটি ছেলেকে নিয়ে তিনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামএর নিকট উপস্থিত হলেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামতাকে তার কোলে বসালেন, সে তার কাপড়ে প্রস্রাব করে দিল। তিনি কিছু পানি আনিয়ে কাপড়ে ঢেলে দিলেন, তা ধুলেন না। সহিহ, ইবনু মাজাহ হাঃ ৫২৪, বুখারি হাঃ ২২৩, মুসলিম (ইসলামিক সেন্টার) হাঃ ৫৭২, ৫৭৪ আর যদি শিশুটি মায়ের দুধের সাথে অন্য কোন খাবার খায় অথবা শিশুটি মেয়ে হয়, তবে তার প্রস্রাব হালকা ধৌত করলে চলবে না। বরং বেশি পানি দিয়ে বড়দের প্রস্রাবের মতো করে ভালোভাবে ধৌত করতে হবে এবং শরীরের যে স্থানে লাগবে সে স্থানও ধৌত করতে হবে।
হাদিস গবেষণা করে, ইমাম আবু হানিফা [রহ.] সহ অধিকাংশ আলেমদের মত হলো, দৃগ্ধপোষ্য শিশুর প্রস্রাবও অপবিত্র এবং তা কাপড়ে লাগলে সে কাপ বলেছেন, প্রস্রাব থেকে নিজেকে রক্ষা করো। অর্থাৎ পবিত্র থাকো। কেননা, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কবরের আজাব হবে, প্রস্রাব থেকে ভালোভাবে পবিত্র না হওয়ার কারণে। এই সকল হাদিস গবেষণা করে, ইমাম আবু হানিফা [রহ.] সহ অধিকাংশ আলেমদের মত হলো, দৃগ্ধ শিশুর প্রস্রাবও অপবিত্র এবং তা কাপড়ে লাগলে সে কাপড় পরে নামাজ আদায় বিশুদ্ধ হবে না। তবে এ ক্ষেত্রে একটি বিষয় হলো, হাদিসের মূলপাঠ দ্বারা বোঝা যায়, প্রস্রাব অপবিত্রতার ক্ষেত্রে ছেলের প্রস্রাবের থেকে মেয়ের প্রস্রাবে নাপাকি বেশি থাকে। ফলে আলেমগণ মত দিয়েছেন যে, দুগ্ধপোষ্য শিশু যদি ছেলে হয়, তবে তার প্রস্রাব হালকা ধৌত করলেই হবে। কিন্তু শিশু যদি মেয়ে হয়, তাহলে হালকা ধৌত করলে চলবে না। বরং বেশি পানি দিয়ে বড়দের প্রস্রাবের মতো করে ভালোভাবে ধৌত করতে হবে। [বযলুল মাজহুদ, মায়ারিফুস সুনান] মাওলানা মনযূরুল হক