1 Answers
পৃথিবীর বায়ুমন্ডলের উপরের অংশে ওজোন গ্যাসের পুরু আস্তরণ আছে। এই ওজোন গ্যাসের স্তর সূর্য থেকে আসা অতিবেগুনী রশ্মিকে পৃথিবীপৃষ্ঠে আসতে দেয় না, তাই এই ওজোন স্তর অতিবেগুনী রশ্মির ক্ষতিকারক প্রভাব থেকে জীবকুলকে রক্ষা করে। কিন্তু বর্তমানে মানুষের কিছু ক্রিয়াকলাপে, সভ্যতার অগ্রগতির সাথে সাথে ও জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে ক্ষতিকারক গ্রীন হাউস গ্যাসগুলি বেশি পরিমানে সৃষ্টি হচ্ছে। এই গ্রীন হাউস গ্যাসগুলির মধ্যে ক্লোরো-ফ্লুরো কার্বন, মিথেন, কার্বন ডাই অক্সাইডের ভূমিকা অন্যতম। এই গ্যাসগুলি ব্যাপক পরিমানে সৃষ্টি হওয়ায় এই গ্যাসগুলি ওজোন স্তরকে ছিদ্র করে দিচ্ছে এবং ওজোন স্তর ক্রমশ পাতলা হয়ে আসছে। এর ফলে এই ছিদ্রপথে ক্ষতিকারক অতিবেগুনী রশ্মি রাসরি ভূ-পৃষ্ঠে এসে পৌঁছাচ্ছে এবং জীবকুলের ক্ষতিসাধন করছে। এছাড়া সূর্যালোকে আমাদের চামড়ায় মেলোনিন নামে এক প্রকার রঞ্জক পদার্থ তৈরি হয়। এই মেলোনিন অতিবেগুনী রশ্মিকে শোষণ করে চামড়ার নীচের কোশগুলিকে বাঁচিয়ে দেয়। যেখানে সূর্যরশ্মি প্রখর, সেখানকার মানুষের চামড়ায় মেলোনিনের পরিমাণও খুব বেশি থাকে। মেলোনিন বেশি থাকলে চামড়া বাদামী বা কালো হয়। তাই সাদা চামড়ার মানুষদের অতিবেগুনী রশ্মিতে ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।