1 Answers

চিকিৎসক শ্রোণীর অংশে সম্ভাব্য লক্ষণের জন্য শারীরিক পরীক্ষা করবেন। রোগীর চিকিৎসাজনিত ইতিহাস সংগ্রহ করা হয়। কিছু পরীক্ষাও করা হয়: ইউরিনাল স্যাম্পেল টেস্ট এবং ইউরেথ্রাল সোয়্যাব টেস্ট। শ্রোণী অংশের আল্ট্রাসাউন্ড। ইউরেথ্রোস্কোপি, একটি পাতলা টিউবের সঙ্গে যুক্ত ক্যামেরার মূত্রনালীর ভিতরে প্রবেশ করানো হয়। যৌন সংক্রমিত রোগের (এসটিডিস)-র জন্য পরীক্ষা। রোগ নির্ণয়েরর পর বিভিন্ন পদ্ধতিতে রোগীর চিকিৎসা করা যায়, যেমন: সার্জারি – মূত্রনালী সঙ্কুচিত হয়ে গেলে তখন করা হয়। এটি বাধা দূর করতে সহায়ক। সুগন্ধী সাবান, দীর্ঘক্ষণ বাইক চড়া ইত্যাদি এড়িয়ে চলার মতো জীবনশৈলীতে কিছু পরিবর্তন। স্টেরয়েডবিহীন প্রদাহরোধী ওষুধের মতো উপযুক্ত ওষুধ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। দ্রুত সেরে ওঠা এবং রোগের পুনরাবৃত্তি রোধে ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা এবং শৌচকর্ম সংক্রান্ত স্বচ্ছতা অবলম্বন আবশ্যক।

3479 views

Related Questions