1 Answers

খুব সাধারণ ভাবে এবং সহজ ভাষায় বলতে গেলে, প্রাথমিক ভাবে যে কোন রাষ্ট্রের অর্থের আন্তর্জাতিক মূল্যের নির্ধারিত হয় তার যোগান এবং চাহিদার ওপরে নির্ভর করে। যেমন উদাহরণ রূপে যদি টাকার কথা ভাবি: টাকার মান পরিমাপ করার সাধারণত তিনটি উপায় আছে। প্রথম পদ্ধতিটি হল - প্রতিটি টাকা কতগুলি বা কত কম বৈদেশিক মুদ্রা কিনতে পারে। এবং বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে বৈদেশিক মুদ্রার ব্যবসায়ীরা সেই বিনিময় হার নির্ধারণ করে। তারা টাকার সরবরাহ এবং চাহিদা বিবেচনা করে এবং তারওপরে নির্ভর করে ভবিষ্যতে টাকার জন্য তাদের প্রত্যাশা পরিমাপ করে। এই সরবরাহ এবং চাহিদা বাড়া কোমর জন্যই আন্তর্জাতিক মুদ্রার বাজার যতক্ষণ খোলা থাকবে ততক্ষন সারাদিন টাকার দর ওঠা নামা করতে থাকে। দ্বিতীয় পদ্ধতিটি হল - ট্রেজারি নোটের মান। ট্রেজারির জন্য সেগুলকে বাজারে মাধ্যমে সহজেই টাকা রূপান্তর করা যাবে। ট্রেসুরির চাহিদা বেশি হলে, ভারতীয় টাকার মূল্য বেড়ে যায়। তৃতীয় পদ্ধতিটি হল - বিদেশী মুদ্রার সঞ্চিত পুঁজির মাধ্যমে হয়। অর্থাৎ বিদেশী সরকার দ্বারা টাকা ধরে রাখার পরিমাণের ওপরে নির্ভর করে। অন্য রাষ্ট্র যত বেশি টাকা মজুত করবে, বাজারে টাকার যোগান তাতো কমবে এবং টাকার মূল্য ততই বৃদ্ধি পাবে। যদি বিদেশি রাষ্ট্রগুলো সমস্ত টাকা বাজারে বিক্রি করে দিতে থাকে তাহলেই টাকার দাম পড়ে যেতে থাকেব।

8531 views Answered

Related Questions

Next steps