2 Answers
প্রথমত, ফেসবুক আইডিতে ব্যাবহার করা মেইল এবং ফেসবুক আইডির পাসওয়ার্ড ভিন্ন রাখা। হ্যাকাররা হ্যাকের পরই প্রথম লক্ষ থাকে ই- মেইল এড্রেসটা বদলে ফেলা। আর কোনোক্রমে ই-মেইল এড্রেসটি বদলে ফেলতে পারলে আর হ্যাকিং হওয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি পুনরুদ্ধার করা খুবই কঠিন হয়ে যায়। কারণ হ্যাকিং হওয়ার পর অ্যাকাউন্টটি পুনরুদ্ধার করার একমাত্র উপায় হলো ই-মেইল এড্রেস। দ্বিতীয়ত, ফেসবুকের কোথাও পাসওয়ার্ড দেয়ার প্রয়োজন হলে প্রথমেই লক্ষ রাখতে হবে ওয়েব এড্রেসটি মূল ফেসবুকের এড্রেস কিনা। অনেক সময় কাছাকছি এড্রেসেরএবং দেখতে সম্পূর্ণ ফেসবুকেরওয়েবসাইটের মতো সাইটগুলোতে পাসওয়ার্ড দিলেই সাইটটি হ্যাক হয়ে যায়। facebook.com- এর পরিবর্তে যদি facebookie.com, facabook.com ইত্যাদি রকম দেখা যায় তবে কখনোই ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ডদেয়া যাবে না। তৃতীয়ত, পাবলিক কম্পিউটারে বসলে কাজের শেষে অবশ্যই লগআউট করতে হবে এবং পাবলিক কম্পিউটারে কখনোই পাসওয়ার্ড রিমেম্বার দেয়া যাবে না। চতুর্থ, কখনও কোথাও থেকে আসা Facebook Password Reset Confirmation এরকম মেইলে পাসওয়ার্ড রিসেটে ক্লিক করা যাবে না। পঞ্চম, পাবলিক কম্পিউটারে বসলে কাজ শেষে অবশ্যই cache এবং cookies ডিলেট করতে হবে। ষষ্ঠ, মেইলে আসা সফটওয়্যার না বুঝে সেটআপদেয়া যাবে না। অনেক সময় দেখা যায়,ফাইলটি দেখতে ভিডিও বা অডিও ফাইলমনে হচ্ছে কিন্তু আসলে এটি একটি সেটআপ ফাইল,যেটি সেটআপ দিলেই কম্পিউটারের পাসওয়ার্ড চলে যাবে দুর্বৃত্তদের কাছে। সপ্তম, হ্যাকার যদি ফিশিং বা অন্য কোন উপায়ে আপনারপাসওয়ার্ড জেনেও যায় তাহলেও সে আপনার আইডির কোন ক্ষতিই করতে পারবে না ।এর জন্য প্রথমেই যা করতে হবে তা হল যদি আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এআপনার মোবাইল নাম্বার দেওয়া না থাকে তবে তা দিন । এবার আপনারaccount settings এ যান ।সেখানে Account Security এরপাশে লিখা change অপশনে ক্লিক করুন । এবার Login Notifications এরনিচে লিখা Send me a text message সিলেক্ট করুন । এতে করে যদি আপনার সবসময় ব্যাবহার করা ডিভাইস (যেমন আপনার নিজের কম্পিউটার,মোবাইল) ছাড়া অন্য কোন ডিভাইস থেকে লগইন করা হয় তবে সাথে সাথে আপনার মোবাইলে বার্তা যাবে। এরপর Login Approvals এর নিচে লিখা Require me to enter a security code sent to my phone সিলেক্ট করুন । এতে করে যদি আপনার সবসময় ব্যাবহার করা নিজের ডিভাইস ছাড়া অন্য কোন ডিভাইস থেকে লগইন করার চেষ্টা করা হয় তবে ফেসবুক একটি কোড চাইবে যা আপনার মোবাইলে মেসেজ করে পাঠানো হবে। কোডটি ছাড়া কোনভাবেই লগইন করা সম্ভব হবে না । এটা সবচেয়ে গরুত্বপূর্ণ। এবার নিশ্চয় আর হ্যাক হবে না, আপনার প্রিয় ফেসবুক।
1/ Secure ব্রাউজিং Enable করুন- Secure ব্রাউজিং বলতে মূলতএকটি সুরক্ষিত ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে ফেসবুক ব্রাউজ করাকে বুঝানো হয়েছে। নিরাপদ কানেকশন এর মাধ্যমে একটি সফল হ্যাকিং আক্রমণ থেকে 90% ঝুকিমুক্ত থাকা সম্ভব। 2/ Login Approvals অন করুন এতে পাসওয়ার্ড জানতে পারলেও লগিন করতে পারবে না কারন লগিন করার সাথে সাথে আপনার মোবাইলে কনফার্মেশন কোড পাঠাবে এফবি যতক্ষন না কোড সাবমিট করেছেন লগিন হবে না আপনি নিরাপদ দ্রুত আপনার পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করেন । 3/ Text message নাটিফিকেশন Active করুন- ফেসবুক সকল FB ব্যবহারকারীদের বিনামূল্যে টেক্সট মেসেজ নাটিফিকেশন সুবিধা প্রদান করছে। যখন কোনো কম্পিউটার অথবা মোবাইল থেকে আপনার একাউন্টে ঢোকা হবে তখন টেক্সট মেজেস নাটিফিকেশন আপনার কাছে পৌছে যাবে। এরপর আপনি সহজেই বুঝতে পারবেন আপনি নিজে অথবা হ্যাকার আপনার একাউন্টে লগইন করেছে কিনা। তখন আপনি দ্রুত আপনার পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করিতে পারবেন। 4/ সর্বদা একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড তৈরি করুন- শক্তিশালী পাসওয়ার্ড হ্যাকার থেকে ফেসবুক একাউন্ট সংরক্ষণ করার সেরা উপায়। যদি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড তৈরি করতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই সর্বনিম্ন ৩টি ক্যাপিটাল লেটার, ৩টি স্মলার লেটার, ৩টি নাম্বারির সংখ্যা ব্যবহার করতে হবে (উদাহরণস্বরুপ TriCKbD@123)। এই ধরনের শক্তিশালী পাসওয়ার্ড আপনার ফেসবুক একাউন্টের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা বৃদ্ধি করতে সহায়তা করবে। 5/ 3rd পার্টি এপ্লিকেশন ব্যবহার করার সময় সতর্ক থাকুন- ফেসবুকে আরো মজা এবং আরো আরামদায়ক করার জন্য তৃতীয় পক্ষের Apps এর অভাব নেই। কিন্তু এখন হ্যাকাররা এগুলো কে ব্যবহার করে তাদের হ্যাকিং কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। আমরা কোন নির্দিষ্ট সময়ে এগুলো ব্যবহার করে থাকি কিন্ত ব্যবহার শেষে সেগুলো কে remove/disable করতে ভূলে যাই। এর ফলে আমাদের ফেসবুক একাউন্ট হ্যাক হতে পারে। সুতরাং আপনার এপস্ সেটিং পৃষ্ঠায় যান, তারপর যেসব এপস্ আপনি ব্যবহার করছেন না সেগুলো কে disable করে দিন। 6 / আপনার সিক্যুরিটি কোয়েশ্চন সেট করা থাকলে ভালো না থাকলে আরো ভালো । তাই সিকুরিটি কোয়েশ্চেন সিলেক্ট করার আগে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে কারন আমরা প্রায় সব সময় সহজ আনসার দিয়ে রাখি তাই সিক্যুরিটি আনসার দেবার সময় অবশ্যই সহজ কোনো কিছু না দিয়ে কঠিন কিছু দিন । কারন আমি দেখেছি প্রায় বেশির ভাগ এফবি ব্যাবহার কারি কোন টাউনে জন্ম গ্রহন করেছেন বা দাদি নানি পেশায় কি ছিলেন তা দিয়ে রেখেছেন যে গুলার উত্তর অনেকেই আইডিয়া করে সাবমিট করে আপনার এক্যাউন্ট টি হ্যাক করে নিতে পারে তাই সিক্যুরিটি আনসার দেবার সময় ভেবে চিনতে দিয়েন । যাতে সহজে কেউ বের করতে না পারে । না দিলে ভালো এই জন্য বললাম কারন সিক্যুরিটি কোয়েশ্চেন না থাকলে এই প্রসেসে কেউ আইডি নিতে পারবে না । 7 / বর্তমানে এফবি (Trusted Friends Password Recovery) ট্রাস্টেড ফ্রেন্ড চালু করেছে যেটা অবশ্যই ভালো কিন্তু এইটা দিয়েও আপনার আইডি হ্যাক করে নিতে পারে । কারন আপনার ট্রাস্টেড ফ্রেন্ড সিলেক্ট করা না থাকলে যে কেঊ আপনার আইডি তে ওর ৩ টা ফেইক আইডি দিয়ে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠিয়ে বন্ধু হবে এবং পরে সামান্য চেষ্টা করেই ওই ৩ টা আইডি তে কোড পাঠাতে পারবে এবং আপনার আইডি হ্যাক করে নিবে । তাই যাদের ট্রাস্টেড ফ্রেন্ড সিলেক্ট করা নয় আজি সিলেক্ট করেন এবং আপনার আইডি সুরক্ষিত রাখেন