user-avatar

mahfuz08

◯ mahfuz08

CHM ফাইল কি ভাবে বানানো যায়?

CHM ফাইল এর মাধ্যমে কি ভাবে বই বানানো যায়?


CHM ফাইল তৈরির জন্য ফ্রি কি কি সফটওয়্যার আছে?

CHM এর ফ্রি অথবা ক্রেক সফটওয়্যার ডাউনলোড  এর লিংক চাই।
১ম আসমান তৈরি স্থির পানি দিয়ে, ২য় আসমান তৈরি সাদা মোতির পাথর দিয়ে, ৩য় আসমান তৈরি লোহা দিয়ে, ৪র্থ আসমান তৈরি তামা দিয়ে, ৫ম আসমান তৈরি রৌপ্য দিয়ে, ৬ষ্ঠ আসমান তৈরি স্বর্ণ দিয়ে, ৭ম আসমান তৈরি যমরুদ (মূল্যবান সবুজ পাথর) দিয়ে। সূত্রঃ তাফসীরে রুহুল মা'আনী : ৬/৩০ মাসিক মদিনা তারিখ- অক্টবর ২০১৪ প্রশ্নের উত্তর - ০৯ পৃষ্ঠা - ৪৬
কতটুকু পরিমাণ সম্পদ চুরি করলে চুর/চুরণীর হাত কাটার বিধান আল-কুরআনে ঘোষিত হয়েছে?
স্ট্যাম্প (Stamp) সাইজ ছবির মাপ কত বাই কত? অর্থাৎ, স্ট্যাম্প সাইজ ছবির Width এবং Height কত Pixels বা Inches বা cm বা mm বা Points বা Picas কত হবে? ফটোসপের দৃষ্টি কোন থেকে উত্তর দিলে ভালো হয়।
পাসপোর্ট (Passport) সাইজ ছবির মাপ কত বাই কত? অর্থাৎ, একটি পাসপোর্ট সাইজ ছবির Width এবং Height কত Pixels বা Inches বা cm বা mm বা Points বা Picas কত হবে? ফটোসপের দৃষ্টি কোন থেকে উত্তর দিলে ভালো হয়।
সোমবার ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ইং তারিখে মন্ত্রী পরিষদের সাপ্তাহিক সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, রাজধানীতে যানজট কমাতে গোটা রাজধানীকে ৭টি অঞ্চলে ভাগ করে সপ্তাহে দেড়দিন করে এলাকাভিত্তিক মার্কেট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এই খানে প্রতি সপ্তাহে এক দিন পূর্ণ দিবস এবং আরেক দিন অর্ধদিবস অর্থাৎ বেলা দুইটা পর্যন্ত। [sb]কোন দিন কোন কোন অঞ্চল এবং মার্কেট বন্ধ নিচে সেটার মোটামুটি একটা বর্ণনা নিচে দেয়া হল।[/sb] ১// শুক্রবার পূর্ণ ও শনিবার আধাবেলা বন্ধ : (অঞ্চল ১) অঞ্চল ১-এর এলাকা সমূহ।--- বাংলাবাজার, পাটুয়াটুলী, ফরাশগঞ্জ, শ্যামবাজার, জুরাইন, করিমউল্লাহবাগ, পোস্তগোলা, শ্যামপুর, মীরহাজীরবাগ, দোলাইরপাড়, টিপু সুলতান রোড, ধূপখোলা, গেণ্ডারিয়া, দয়াগঞ্জ, স্বামীবাগ, ধোলাইখাল, জয়কালী মন্দির, যাত্রাবাড়ীর দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ, ওয়ারী, আহসান মঞ্জিল, লালবাগ, কোতোয়ালি থানা, বংশাল, নবাবপুর, সদরঘাট, তাঁতীবাজার, লক্ষ্মীবাজার, শাঁখারীবাজার, চানখাঁরপুল ও গুলিস্তানের দক্ষিণ অংশ। অঞ্চল ১---- [sb]এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত উল্লেখযোগ্য বিপণিবিতানগুলো হচ্ছে: [/sb] বাংলাবাজার বইয়ের দোকানগুলো, ফরাশগঞ্জ কাঠের আড়ত, শ্যামবাজার কাঁচামালের পাইকারি বাজার, বুড়িগঙ্গা সেতু মার্কেট, আলম সুপার মার্কেট, সামাদ সুপার মার্কেট, রহমানিয়া সুপার মার্কেট, ইদ্রিস সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ বাজার, ধূপখোলা মাঠবাজার, দয়াগঞ্জ সিটি করপোরেশন মার্কেট, কাপ্তান বাজার, ঠাটারিবাজার, রাজধানী সুপার মার্কেট, চকবাজার, মৌলভীবাজার, ইমামগঞ্জ মার্কেট, বাবুবাজার, নয়াবাজার, ইসলামপুরের কাপড়ের বাজার, পাটুয়াটুলী ইলেক্ট্রনিকস ও অপটিক্যাল মার্কেট, নয়ামাটি এক্সেসরিস মার্কেট, শরিফ ম্যানশন, ছোট ও বড় কাটরা পাইকারি মার্কেট, বেগমবাজার, তাঁতীবাজার, নবাবপুর রোড ও নর্থসাউথ রোডের দোকানপাট, আজিমপুর সুপার মার্কেট, ফুলবাড়িয়া মার্কেট, গুলিস্তান হকার্স মার্কেট ও সুন্দরবন স্কোয়ার মার্কেট। ২// রোববার পূর্ণ ও সোমবার আধাবেলা বন্ধ : (অঞ্চল ২; অঞ্চল ৬) অঞ্চল ৬-এর এলাকা সমূহ।--- আগারগাঁও তালতলা, কাজীপাড়া, পল্লবী, মিরপুরের একাংশ, কাফরুল, মহাখালী, ডিওএইচএস, সেনানিবাস, গুলশান, বনানী, মহাখালী, নাখালপাড়া ও তেজগাঁও। অঞ্চল ২-এর এলাকা সমূহ।--- রামপুরা, বনশ্রী, খিলগাঁও, গোড়ান, মালিবাগের একাংশ, বাসাবো, ধলপুর, সায়েদাবাদ, মাদারটেক, মুগদা, কমলাপুরের একাংশ, যাত্রাবাড়ীর একাংশ, শনির আখড়া, দনিয়া, রায়েরবাগ ও সানারপাড়। অঞ্চল ৬----- [sb]এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত উল্লেখযোগ্য বিপণিবিতানগুলো হচ্ছে:[/sb] বিসিএস কম্পিউটার সিটি, পল্লবী শপিং মার্কেট, মিরপুর বেনারসি পল্লী, পূরবী সুপার মার্কেট, নিউ সোসাইটি মার্কেট, মোহাম্মদীয়া সোসাইটি মার্কেট, সুইডেন প্লাজা, পর্বতা টাওয়ার, তামান্না কমপ্লেক্স, ছায়ানীড় সুপার মার্কেট, রজনীগন্ধা মার্কেট, ইব্রাহিমপুর বাজার, ইউএই মৈএী কমপ্লেক্স, রহমান মার্কেট, বনানী সুপার মার্কেট, ডিসিসি মার্কেট গুলশান-১,২, নাভানা টাওয়ার, আলম সুপার মার্কেট ও কলোনি বাজার মার্কেট। অঞ্চল ২----- [sb]এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত উল্লেখযোগ্য বিপণিবিতানগুলো হচ্ছে: [/sb] মোল্লা টাওয়ার, আল আমিন সুপার মার্কেট, রামপুরা সুপার মার্কেট, মালিবাগ সুপার মার্কেট, তালতলা সিটি করপোরেশন মার্কেট, কমলাপুর স্টেডিয়াম মার্কেট, গোড়ান বাজার, মেরাদিয়া বাজার, আয়েশা মোশাররফ শপিং, দনিয়া তেজারত মার্কেট, আবেদিন টাওয়ার, ঢাকা শপিং সেন্টার ও মিতালী সুপার মার্কেট। ৩// মঙ্গলবার পূর্ণ ও বুধবার আধা বেলা বন্ধ : (অঞ্চল ৪) অঞ্চল ৪-এর এলাকা সমূহ।--- কাঁঠালবাগান, হাতিরপুল, মানিক মিয়া এভিনিউ, রাজাবাজার, মণিপুরিপাড়া, তেজকুনীপাড়া, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, নীলক্ষেত, কাঁটাবন, এলিফ্যান্ট রোড, শুক্রাবাদ, সোবহানবাগ, ধানমন্ডি, হাজারীবাগ, জিগাতলা, রায়েরবাজার, পিলখানা ও লালমাটিয়া। অঞ্চল ৪------ [sb]এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত উল্লেখযোগ্য বিপণিবিতানগুলো হচ্ছে:[/sb] হাতিরপুল বাজার, মোতালেব প্লাজা, ইস্টার্ন প্লাজা, বসুন্ধরা সিটি শপিং মল, গ্রিন সুপার মার্কেট, ফার্মভিউ সুপার মার্কেট, সৌদিয়া সুপার মার্কেট, সেজান পয়েন্ট, লায়ন শপিং সেন্টার, নিউমার্কেট, চন্দ্রিমা মার্কেট, নিউ সুপার মার্কেট, গাউছিয়া মার্কেট, চাঁদনি চক, নূর ম্যানশন, বাকুশাহ মার্কেট, ইসলামিয়া মার্কেট, ধানমন্ডি হকার্স মার্কেট, ইস্টার্ন মল্লিকা, গ্লোব শপিং, বদরুদ্দোজা মার্কেট, নূরজাহান মার্কেট, প্রিয়াঙ্গন শপিং সেন্টার, গাউসুল আযম মার্কেট, এলিফ্যান্ট রোড, রাইফেল স্কয়ার, এআরএ শপিং সেন্টার, অরচার্ড পয়েন্ট, ক্যাপিটাল মার্কেট, ধানমন্ডি প্লাজা, মমতাজ প্লাজা, মেট্রো শপিং মল, প্লাজা এআর, প্রিন্স প্লাজা, রাপা প্লাজা, অর্কিড প্লাজা, কেয়ারি প্লাজা, আনাম র‌্যাংগস প্লাজা, কাওরান বাজার ডিআইটি মার্কেট, কাব্যকস সুপার মার্কেট ও কিচেন মার্কেট। ৪// বুধবার পূর্ণ ও বৃহস্পতিবার আধাবেলা বন্ধ : (অঞ্চল ৭) অঞ্চল ৭-এর এলাকা সমূহ।--- বাড্ডা, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, বারিধারা, সাতারকুল, শাহাজাদপুর, নিকুঞ্জ, কুড়িল, খিলক্ষেত, উত্তরখান, দক্ষিণখান, জোয়ার সাহারা, আশকোনা, বিমানবন্দর সড়ক ও উত্তরা থেকে টঙ্গী সেতু। অঞ্চল ৭------ [sb]এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত উল্লেখযোগ্য বিপণিবিতানগুলো হচ্ছে: [/sb] লুৎফন শপিং টাওয়ার, হাকিম টাওয়ার, হল্যান্ড সেন্টার, নুরুন্নবী সুপার মার্কেট, সুবাস্তু নজরভ্যালি, যমুনা ফিউচার পার্ক, রাজলক্ষ্ণী কমপ্লেক্স, রাজউক সেন্টার, একতা প্লাজা, মান্নান প্লাজা, বন্ধন প্লাজা, কুশল সেন্টার, এবি সুপার মার্কেট, আমীর কমপ্লেক্স, মাসকাট প্লাজা, এস আর টাওয়ার, পুলিশ কো-অপারেটিভ মার্কেট ও রাজউক কসমো, এবি সুপার মার্কেট। ৫// বৃহস্পতিবার পূর্ণ ও শুক্রবার আধাবেলা বন্ধ : (অঞ্চল ৫; অঞ্চল ৩) অঞ্চল ৫-এর এলাকা সমূহ।--- মোহাম্মদপুর, আদাবর, শ্যামলী, গাবতলী, মিরপুর স্টেডিয়াম, চিড়িয়াখানা, টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর ও আসাদগেট। অঞ্চল ৩-এর এলাকা সমূহ।--- ইস্কাটন, মগবাজার, বেইলি রোড, সিদ্ধেশ্বরী, মালিবাগের একাংশ, শাহাজানপুর, শান্তিনগর, শহীদবাগ, শান্তিবাগ, ফকিরেরপুল, পল্টন, মতিঝিল, টিকাটুলী, আরামবাগ, কাকরাইল, বিজয়নগর, সেগুনবাগিচা, হাইকোর্ট ভবন এলাকা, রমনা শিশুপার্ক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা ও নিউমার্কেট। অঞ্চল ৫------- [sb]এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত উল্লেখযোগ্য বিপণিবিতানগুলো হচ্ছে: [/sb] মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেট, কৃষি মার্কেট, আড়ং, বিআরটিসি মার্কেট, শ্যামলী হল মার্কেট, মুক্তিযোদ্ধা সুপার মার্কেট, মাজার কো-অপারেটিভ মার্কেট, শাহ আলী সুপার মার্কেট, মুক্তবাংলা শপিং কমপ্লেক্স ও মিরপুর স্টেডিয়াম মার্কেট। অঞ্চল ৩------ [sb]এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত উল্লেখযোগ্য বিপণিবিতানগুলো হচ্ছে: [/sb] সেঞ্চুরি আর্কেড, মৌচাক মার্কেট, আনারকলি মার্কেট, বিশাল সেন্টার, আয়েশা শপিং কমপ্লেক্স, কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি, কনকর্ড টুইন টাওয়ার, ইস্টার্ন প্লাস, পলওয়েল সুপার মার্কেট, সিটি হার্ট, জোনাকি সুপার মার্কেট, গাজী ভবন, স্টেডিয়াম মার্কেট-১,২, গুলিস্তান কমপ্লেক্স, রমনা ভবন, খদ্দর মার্কেট, পীর ইয়েমেনী মার্কেট, বায়তুল মোকাররম মার্কেট, আজিজ কো-অপারেটিভ মার্কেট ও সাকুরা মার্কেট। উপরে বিভিন্ন এলাকা ও মার্কেট বন্ধের তালিকা নিচের সূত্র থেকে নেয়া হয়েছে। ১// পত্রিকাঃ দৈনিক সংগ্রাম লেখকঃ স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশঃ মঙ্গলবার ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১০ লিন্কঃ http://www.dailysangram.com/news_details.php?news_id=24730 ২// পত্রিকাঃ দৈনিক জনকন্ঠ লেখকঃ কাজী মেহের নিগার প্রকাশঃ সোমবার, ৫ এপ্রিল ২০১০, ২২ চৈত্র ১৪১৬ লিন্কঃ http://www.dailyjanakantha.com/news_view.php?nc=44&dd=2010-04-05&ni=13815 ৩// ব্লগঃ শাহরিয়ার আজগরের ব্লগ লেখকঃ শাহরিয়ার আজগর প্রকাশঃ সোমবার, ২২ অক্টোবর, ২০১২ লিন্কঃ http://shahriar.azgor.com/2012/10/weekly-market-shopingmall-holydays-in.html ৪// পত্রিকাঃ বিনোদন সারাবেলা লেখকঃ মরিয়ম সেঁজুতি প্রকাশঃ August 14, 2014 লিন্কঃ http://www.binodon-sarabela.com/%E0%A6%8F%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%95/ ৫// আরেকটা লিন্ক। http://bondhu-amar.blogspot.com/2011/01/blog-post.html ৬// ব্লগঃ সামহয়্যার ইন ব্লগ লেখকঃ মুহাম্মদ মাহফুজুর রহমান শরীফ প্রকাশঃ ০৬ ই আগস্ট, ২০১১ দুপুর ১:২৬ | লিন্কঃ http://www.somewhereinblog.net/blog/mahfuz088/29426568 [sb]নিচে বিভিন্ন মার্কেট এবং প্রতিস্ঠান ও দর্শনীয় স্থান কবে বন্ধ সেটা দেয়া হল।[/sb] বিদ্র.-- নিচের এই অংশটুকু প্রথম আলো থেকে নেওয়া হয়েছিলো। পরবর্তীতে আরো কিছু সংযুক্ত করা হয়েছে। ১/ জাতীয় জাদুঘর, শাহবাগ সাপ্তাহিক বন্ধ: বৃহস্পতিবার। শুক্রবার খোলা থাকে বেলা তিনটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত। শনি থেকে বুধবার সকাল সাড়ে নয়টা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা (অক্টোবর থেকে মার্চ), সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকেল সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত (এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর)। সরকারি ছুটির দিন বন্ধ থাকে। ফোন: ৮৬১৯৩৯৬-৯৯ ২/ আহসান মঞ্জিল জাদুঘর সাপ্তাহিক বন্ধ: বৃহস্পতিবার। শুক্রবার খোলা থাকে বেলা তিনটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত। শনি থেকে বুধবার সকাল নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা (অক্টোবর থেকে মার্চ), সকাল ১০টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত (এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর)। সরকারি ছুটির দিন বন্ধ থাকে। ফোন: ৭৩৯১১২২, ৭৩৯৩৮৬৬ ৩/ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘর, ধানমন্ডি সাপ্তাহিক বন্ধ: বুধবার। অন্য দিন খোলা থাকে সকাল ১০টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত। সরকারি ছুটির দিন খোলা থাকে। ফোন: ৮১১০০৪৬ ৪/ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, সেগুনবাগিচা সাপ্তাহিক বন্ধ: রোববার। সোম থেকে শনিবার খোলা থাকে সকাল ১০টা থেকে বিকেল পাঁচটা (অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি), সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত (মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর)। ফোন: ৯৫৫৯০৯১-২ ৫/ শিশু একাডেমী জাদুঘর সাপ্তাহিক বন্ধ: শুক্র ও শনিবার। রবি থেকে বৃহস্পতিবার খোলা থাকে সকাল নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত। সরকারি ছুটির দিন বন্ধ থাকে। ফোন: ৯৫৫৮৮৭৪ ৬/ জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর, আগারগাঁও সাপ্তাহিক বন্ধ: বৃহস্পতি ও শুক্রবার। শনি থেকে বুধবার খোলা থাকে সকাল নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত। প্রবেশমূল্য: জনপ্রতি পাঁচ টাকা। এ ছাড়া শনি ও রোববার সন্ধ্যা ছয়টা থেকে ১০ টাকার টিকিটের বিনিময়ে টেলিস্কোপে আকাশ পর্যবেক্ষণ করা যায়। সরকারি ছুটির দিন বন্ধ থাকে। ফোন: ৯১১২০৮৪ ৭/ সামরিক জাদুঘর বিজয় সরণি সাপ্তাহিক বন্ধ: বৃহস্পতি ও শুক্রবার। শনি থেকে বুধবার খোলা থাকে সকাল সাড়ে নয়টা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত। সরকারি ছুটি ও সেনাবাহিনীর ঐচ্ছিক ছুটির সময় বন্ধ থাকে। ফোন: সেনানিবাস এক্সচেঞ্জ-৯৮৭০০১১, ৮৭৫০০১১ (জাদুঘর এক্সটেনশন-৭৫৪২) ৮/ লালবাগ কেল্লা লালবাগ সাপ্তাহিক বন্ধ: রোববার। সোমবার খোলা থাকে দুপুর দেড়টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত। মঙ্গল থেকে শনিবার খোলা থাকে সকাল নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা (অক্টোবর থেকে মার্চ), সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত (এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর)। জুমার নামাজের জন্য শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে দুইটা পর্যন্ত বন্ধ থাকে। সরকারি ছুটির দিন বন্ধ থাকে। প্রবেশমূল্য: জনপ্রতি ১০ টাকা। তবে বিদেশি পর্যটকদের জন্য ১০০ টাকা। ফোন: ৯৬৭৩০১৮ ৯/ জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান (বোটানিক্যাল গার্ডেন), মিরপুর প্রতিদিন খোলা থাকে সকাল নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা (মার্চ থেকে নভেম্বর), সকাল নয়টা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা (ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি)। প্রবেশমূল্য: পাঁচ টাকা। শিশুদের জন্য প্রবেশমূল্য দুই টাকা। কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে শিক্ষা সফরে আসা শিক্ষার্থীদের জন্য প্রবেশমূল্য তিন টাকা। ফোন: ৮০৩৩২৯২ ১০/ শহীদ জিয়া শিশুপার্ক, শাহবাগ সাপ্তাহিক বন্ধ: রোববার। বুধবার শুধু দুস্থ ও ছিন্নমূল শিশুদের জন্য খোলা। দুপুর দেড়টা থেকে বিকেল চারটা (অক্টোবর থেকে মার্চ), দুপুর দুইটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা (এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর)। বুধবার ছাড়া সোম থেকে শনিবার খোলা থাকে দুপুর একটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা (অক্টোবর থেকে মার্চ), বেলা দুইটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত (এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর)। প্রবেশমূল্য: জনপ্রতি আট টাকা। প্রতিটি রাইডে চড়ার জন্য মাথাপিছু ছয় টাকার টিকিট দরকার হয়। ফোন: ৮৬২৩৩০৪ ১১/ ঢাকা চিড়িয়াখানা, মিরপুর-১ সাপ্তাহিক বন্ধ: রোববার (তবে রোববার অন্য কোনো সরকারি ছুটি থাকলে খোলা থাকে)। সোম থেকে শনিবার খোলা থাকে সকাল আটটা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা (অক্টোবর-এপ্রিল)। সকাল নয়টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা (মে-সেপ্টেম্বর)। প্রবেশমূল্য: ১০ টাকা। আগে আবেদন করলে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষা সফরের জন্য ৫০ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দেওয়া হয় (এতিম ও শারীরিক-মানসিক প্রতিবন্ধীদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ ছাড়)। ফোন: ৮০৩৫০৩৫, ৯০০২০২০, ৯০০২৭৩৮, ৯০০৩২৫২ ১২/ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব নভোথিয়েটার বিজয় সরণি সাপ্তাহিক বন্ধ: বুধবার। প্রদর্শনী শুরু হয় প্রতিদিন বেলা ১১টা, দুপুর একটা, বেলা তিনটা, বিকেল পাঁচটা ও সন্ধ্যা সাতটায় (শনি থেকে মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার)। শুক্রবার প্রদর্শনী বেলা সাড়ে ১১টা, বেলা তিনটা, বিকেল পাঁচটা ও সন্ধ্যা সাতটায়। সরকারি ছুটির দিন বন্ধ থাকে। টিকিট: সকালের প্রদর্শনীর এক ঘণ্টা আগে এবং অন্যান্য প্রদর্শনীর দুই ঘণ্টা আগে কাউন্টার থেকে টিকিট সংগ্রহ করা যাবে। তবে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষা সফরের ক্ষেত্রে অগ্রিম টিকিট নেওয়ার সুযোগ আছে। টিকিটের মূল্য: ৫০ টাকা। ফোন: ৯১৩৯৫৭৭, ৯১৩৮৮৭৮, ৮১১০১৫৫, ৮১১০১৮৪ ১৩/ বাহাদুর শাহ পার্ক প্রতিদিন ভোর পাঁচটা থেকে সকাল নয়টা এবং বেলা তিনটা থেকে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকে। ১৪/ বলধা গার্ডেন, ওয়ারী প্রতিদিন খোলা থাকে সকাল নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা (মার্চ থেকে নভেম্বর), সকাল নয়টা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা (ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি) প্রবেশমূল্য: পাঁচ টাকা। অনূর্ধ্ব-১০ বছরের শিশুদের ক্ষেত্রে প্রবেশমূল্য দুই টাকা। আর শিক্ষা সফরে আসা শিক্ষার্থীদের জন্য প্রবেশমূল্য তিন টাকা। ১৫/ নন্দন পার্ক, আশুলিয়া প্রতিদিন খোলা থাকে সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত। যেকোনো সরকারি ছুটির দিন সকাল ১০টা থেকে খোলা থাকে। ফোন: ৯৮৯০২৮৩, ৯৮৯০২৯২, ০১৮১৯২২৩৫২৯ ১৬/ ফ্যান্টাসি কিংডম, আশুলিয়া প্রতিদিন খোলা থাকে বেলা ১১টা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত। শুক্রবারসহ অন্যান্য সরকারি ছুটির দিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকে। ফোন: ৯৮৯৬৪৮২, ৮৮৩৩৭৮৬, ৭৭০১৯৪৪-৪৯ ১৭/ মাল্টিপ্ল্যান সেন্টার এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা - ১২০৫। সাপ্তাহিক বন্ধ : মঙ্গলবার ১৮/ নিউ মার্কেট সাপ্তাহিক বন্ধ: মঙ্গলবার ১৯/ কম্পিউটার সিটি সাপ্তাহিক বন্ধ: রবিবার,তবে সোমবার ১২:০০ PM এর পরে খুলে। ২০/ নগর জাদুঘর, নগর ভবন সাপ্তাহিক: বন্ধ শুক্র ও শনিবার। রবি থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত খোলা। সরকারি ছুটির দিন বন্ধ। ফোন : ৯৫৫৮২৫৫-৫৯, ৯৫৬৭৬০৯। ২১/ শহীদ জননী জাহানারা ইমাম স্মৃতি জাদুঘর, এলিফ্যান্ট রোড শুধু শনিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে। ফোন : ০১৭৩২১৭৪০৮৮। ২২/ ঢাকাকেন্দ্র, ফরাশগঞ্জ ২৪ মোহিনীমোহন দাস লেন (দোতলা)। প্রতিদিন বিকেল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকে। শুক্রবার খোলা থাকে সকাল ৯টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত। ফোন : ০১৭১১৫২২৯২১ ২৩/ ওয়ান্ডারল্যান্ড, গুলশান-২ প্রতিদিন খোলা থাকে সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত। শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত। ফোন : ৯৮৯৭১২৮, ৯৮৯৯৭৩৫। স্টার সিনেপ্লেক্স, বসুন্ধরা সিটি বৃহস্পতিবার ফোন: ৯১৩৪০৯৮, ৯১৩৮২৬ বলাকা ১ ও ২, নীলক্ষেত মঙ্গলবার ফোন: ৮৬২২১০৩, ৮৬২০০৯০ মধুমিতা, মতিঝিল বৃহস্পতিবার। ফোন: ৯৫৫৪৩৮৬, ৯৫৫০৪৬৩, ৯৫৫০৯৫৩, ৯৫৫০৯৫৪
ঢাকায় কোন এলাকায় কবে কোন মার্কেট বন্ধ থাকে বা মার্কেটগুলির সাপ্তাহিক বন্ধ কবে কবে?

নিচের ওয়েব সাইটগুলি থেকে সহজেই নতুন চাঁদের খবর পাওয়া যাবে।
ফলে সহজেই ঈদ, সাওম বা রোজার আগাম খবর জানা যাবে।

লিন্কঃ http://astro.ukho.gov.uk/moonwatch/nextnewmoon.html

নিচের সাইটে একটি মাসে চাঁদের অবস্থার খবর পাওয়া যাবে।

লিন্কঃ http://www.noreast.com/moon

নিচের সাইটে আজকের আরবি তারিখ পাওয়া যাবে।
লিন্কঃ http://moonsighting.com

সূত্রঃ

ব্লগার - "নতুন"
পোস্ট - নতুন চাদের খোজ খবর ( টেকি স্টাইল)
তারিখ - ২৭ শে জুলাই, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২৩ |
লিন্কঃ http://www.somewhereinblog.net/blog/neoblog/29968432

নতুন চাঁদ (ঈদ, সাওম) কবে উঠবে সেটা কি ভাবে জানা যাবে? অথবা প্রতি আরবি মাসের প্রথম চাঁদ কবে উঠবে সেটা কি ভাবে জানা যাবে?
মাল্টিভার্স বা বুদ্বুদ বা বুদবুদ মহাবিশ্বের তত্ত্ব কি?
পানি অথবা সাবানের ফেনায় বুদবুদ বা বুদ্বুদ কি ভাবে সৃষ্টি হয় এবং ফাটে?
আকাশ বিভিন্ন রং-এর দেখায় কেন? অর্থাৎ, সাধারণত পরিষ্কার মেঘমুক্ত আকাশের দিকে তাকালে আকাশের অনেকাংশ নীল দেখায়, আবার সূর্যোদয় বা সূর্যাস্তের সময় আকাশের রঙ লাল বা কমলা দেখায়, কেন?

কোন নারী যদি ধর্ষণের স্বীকার হয়, তবে তার কোন শাস্তি প্রাপ্য হবে না এবং সে ধর্ষণকারীর কাছ থেকে মোহরের টাকা পাবে।

(মুয়াত্তা মালিক :: বিচার সম্পর্কীত অধ্যায় ৩৬::হাদিস ১৪১৮)

আর যে ধর্ষণকারী সেই শাস্তি পাবে এবং পাশাপাশি তাকে মোহরের টাকাও পরিশোধ করতে হবে। (সহিহ আত্ তিরমিজি :: হাদ্দ বা দণ্ডবিধি অধ্যায়:: অধ্যায় ১৭ :: হাদিস ১৪৫৩)

তবে এই ব্যাপারে ধর্ষত নারীকে সাথে সাথে যে কোন ভাবেই হোক প্রমাণ করতে হবে যে, তাকে আসলেই ধর্ষণ করা হয়েছে।

যদি সে প্রমাণ করতে না পারে, তবে সেই নারী অবশ্যই শাস্তি পাবে। (মুয়াত্তা মালিক :: হুদুদের:: অধ্যায় ৪১ :: হাদিস:: ১৫১৮)

কারণ, উক্ত নারী কি মিখ্যা বলেছে নাকি কারো উপর মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছে সেটাও একটা বিবেচ্য বিষয় হয়ে দাড়ায়।

আর যদি সে গর্ভবতী হয়ে যায় তো, এইখানে তো একটা পরিস্কার যে, কারো সাথে তার যৌন মিলন হয়েছিলো, তাহলে সে এতদিন গোপন করেছিলো কেন।

নিচে এই ব্যাপারে কিছু হাদিসের সূত্র দেওয়া হলো।

1// মুয়াত্তা মালিক :: বিচার সম্পর্কীত অধ্যায় ৩৬

হাদিস ১৪১৮

2// মুয়াত্তা মালিক :: হুদুদের অধ্যায় ৪১

হাদিস ১৫১৮

3//সহিহ আত্ তিরমিজি :: হাদ্দ বা দণ্ডবিধি অধ্যায়

অধ্যায় ১৭ :: হাদিস ১৪৫৩


4//সহিহ আত্ তিরমিজি :: হাদ্দ বা দণ্ডবিধি অধ্যায়

অধ্যায় ১৭ :: হাদিস ১৪৫৪



5// সুনানু ইবনে মাজাহ্ :: হাদিস ২০৬৭

তালাক অধ্যায়


6// রিয়াযুস স্বা-লিহীন :: বই ১৮ :: হাদিস ১৬২৯
7// রিয়াযুস স্বা-লিহীন :: বই ১৮ :: হাদিস ১৬২২
8// মুয়াত্তা মালিক :: কথাবার্তা সম্পর্কীত অধ্যায় ৫৫

হাদিস ১৮১২

9// তওবা অধ্যায় ::
রিয়াযুস স্ব-লিহীন :: বই ১ :: হাদিস ২২

 

কোন নারী ধর্ষণের স্বীকার হলে ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী তার শাস্তি কি হবে?

এখানে তো দোষ করেছে ধর্ষণকারী, তবুও কি উক্ত নির্দোষ নারী শাস্তি পাবে।

উট প্রতি ঘন্টায় ৩৭৫ থেকে ৬০০ পাউন্ড (১৭০ থেকে ২৭০ কিলোগ্রাম) পণ্যের বোঝা নিয়ে একদিনে ২৯ মাইল বা ৪৭ কিলোমিটার চলতে পারে।
সাধারণত একটি উট ১ ঘন্টায় ২.৫ মাইল বা ৪ কিলোমিটার গতিতে পথ চলে।

এর মানে হলো উট একদিনে (৪৭/৪)=১১.৭৫ বা প্রায় ১২ ঘন্টা ধরে পথ চলতে পারে।

লিন্কঃ http://www.nationalgeographic.com/weepingcamel/thecamels.html

 

উল্লেখ্য যে,
হযরত ইব্রাহিম আ.-এর পক্ষে তার স্ত্রী হাজেরা রা. ও তার শিশুপুত্র ইসমাইল আ.-কে নিয়ে প্যালেস্টাইন থেকে মক্কাতে কঠিন উত্তপ্ত মরুভূমির পথ পাড়ি দিয়ে যেতে মোটামুটি ১২০০/১৩০০ কি মি পথ পার হতে হয়েছিলো।

উটে করে এই পথ পার হতে সময় লেগেছিলো ({১২০০ অথবা ১৩০০} / ৪৭)=  ২৬ দিন অথবা ২৮ দিন।

কাজেই এই বিষয়টা অসম্ভব ভাবার কোন কারণ নেই।



অবশ্য এর পরবর্তিতে ইব্রাহীম আ. বুরাক নামক জন্তুকে মক্কায় যাওয়ার জন্য ব্যাবহার করেছিলেন বলে জানা যায়।

বিশিষ্ট তা-বিয়ী সায়ীদ ইবনুল মুসাইয়িব বলেন, এই বুরাকটি সেই জন্তু, যাতে চড়ে নবী ইব্রাহীম আ. (সিরিয়া থেকে মক্কায় তার পুত্র) ইসমায়ীল আ.-কে দেখতে যেতেন।
লিন্কঃ http://www.ittefaq.com.bd/index.php?ref=MjBfMDVfMTZfMTRfNF8yMl8xXzEzMDczNg==

 

উটের সাধারণ ভাবে পথ চলার গতি কত?
ফরমালিনঃ ফরমালডিহাইড-এর (রাসায়নিক সংকেত HCHO) ৩৭ থেকে ৪০ শতাংশ জলীয় দ্রবণই হলো ফরমালিন। ফরমালিনে ফরমালডিহাইড ছাড়াও ১০ থেকে ১৫ শতাংশ মিথানল মিশ্রত থাকে। ফরমালডিহাইড ও মিথানল উভয়ই বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ এবং মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর। ফরমালিন যুক্ত খাবারের ক্ষতিঃ ফরমালিনযুক্ত খাবার খেলে পেটের পীড়া, বদহজম, ডায়রিয়া, আলসার, চর্মরোগ ইত্যাদি তাৎক্ষনিকভাবে হতে পারে। এছাড়াও পাকস্থলি, অস্থিমজ্জা, ফুসফস ও শ্বাসনালী আক্রান্ত করতে পারে। ফরমালিন যুক্ত খাবার গ্রহণের ফলে ফুসফুসের কার্যক্ষমতা নষ্ট, হাঁচি, কাশি, শ্বাসকষ্ট, আ্যাজমা, মাথাব্যথা, চোখ জ্বালাপোড়া করা, রক্তশূন্যতাস, অন্যান্য রক্তের রোগ, অন্ধত্ব ইত্যাদি রোগের উপদ্রব হয়। ফরমালিন বিভিন্ন রকমের ক্যান্সারও সৃষ্টি করতে পারে, যেমন- পাকস্থলী, লিভার, ফুসফস ও শ্বাসনালীতে ক্যান্সার এবং ব্লাড ক্যান্সার। ফরমালডিহাইড চোখের রেটিনায় এডিমা সৃষ্টির মাধ্যমে রেটিনার কোষ ধ্বংস করে ফেলে। এর ফলে মানুষ অন্ধ হয়ে যেতে পারে। ফরমালিনের ফলে গর্ভবর্তী মায়েদের ক্ষেত্রেও মারাত্মক ঝুকি রয়েছে, যেমন- বাচ্চার জন্মগত দোষত্রুটি, হাবা-গোবাসহ প্রতিবন্ধী ও বিকলাঙ্গ শিশুর জন্ম হতে পারে। ফরমালিন মানুষের শারীরিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আশংকাজনকভাবে নষ্ট করে ফেলে। ফরমালিন থেকে বাচার উপায়ঃ মাছঃ--- ১// পানিতে ফরমালিনযুক্ত মাছ প্রায় ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখলে ফরমালিনের মাত্রা শতকরা ৬০ ভাগ কমে যায়। ২// প্রথমে চাল ধোয়া পানিতে ও পরে সাধারণ পানিতে ফরমালিনযুক্ত মাছ ধুলে শতকরা প্রায় ৭০ ভাগ ফরমালিন দূর হয়। ৩// লবনাক্ত পানিতে ফরমালিন দেওয়া মাছ ১ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখলে শতকরা প্রায় ৯০ ভাগ ফরমালিনের মাত্রা কমে যায়। ৪// সবচাইতে কার্যকরী পদ্ধতি হল ভিনেগার ও পানির মিশ্রনে (পানিতে ১০% আয়তন অনুযায়ী বা এক লিটার পানিতে এক কাপ ভিনেগার) ১৫ মিনিট ভিজিয়ে রাখলে প্রায় শতকরা ১০০ ভাগ ফরমালিন মুক্ত হয়। শাক-সবজি ও ফলমূলঃ----- ৫// শাক-সবজি ও ফলমূল রান্না করার আগে ১৫-২০ মিনিট আগে গরম লবণ পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। ৬// যে কোন ধরনের রাসায়নিক দেয়া হোক না কেন ,ফল খাওয়ার আগে ফলগুলো পানিতে ১ ঘন্টা বা তার চেয়ে কিছুক্ষন বেশী সময় ধরে ডুবিয়ে রাখতে হবে। ৭// সবজি ও ফলমূল -এর ক্ষেত্রে ১৫-২০ মিনিট পানিতে ভিজিয়ে রাখার পরে সেই পানি পরিবর্তন করে নতুন পানির মধ্যে হাত দিয়ে ভাল ভাবে কচলে ৩-৪ মিনিট ধরে ধুতে হবে। এই ভাবে কয়েক বার (সাধারণত ২ থেকে ৩ বার) ধুলে অনেকটা ফরমালিন মুক্ত করা যায়। তরল খাদ্যঃ----- ১// উল্লেখ্য যে, খাবারে তাপের মাধ্যমে ফরমালিনের ক্ষতিকর প্রভাব নষ্ট হয় না। তাই দুধে ফরমালিন মিশালে কিছু করার নেই। ফরমালিন ও রাসায়নিকযুক্ত খাবার চিনার সামান্য কিছু সহজ পদ্ধতি নিচে দেওয়া হলো। ১// মাছে ফরমালিন দিলে সাধারণত সেই সকল মাছে কোন মাছি বসে না এবং স্বাভাবিক গন্ধও থাকে না। ২// লিচুর রং কাচা অবস্থায় সবুজ থাকে। এবং পাকার পর হয় ইটা লাল । তবে গাছে থাকা অবস্থায় রাসায়নিক দেয়ার কারনে লিচুর রং ম্যাজেন্টা হয়ে যায় । এই অবস্থায় এই ধরনের লিচু দেখতে ভালো দেখায়, তাই ম্যাজেন্টা রং এর লিচু না কিনার চেষ্টা করবেন । সূত্রঃ ১// টিউন করেছেন : মানজুরুল হক প্রকাশিত হয়েছে : 19 July, 2012 on 5:14 pm লিন্কঃ http://www.techtunes.com.bd/reports/tune-id/138939 ২// টিউন করেছেন : শীতল প্রকাশিত হয়েছে : 3 July, 2012 on 8:19 pm লিন্কঃ http://www.techtunes.com.bd/tips-and-tricks/tune-id/134169 ৩// http://www.ans.bissoy.com/68157 ৪// http://www.ans.bissoy.com/26761 ৫// http://www.ans.bissoy.com/12240 ৬// http://helpfulhub.com/5022
ফরমালিন বা Formalin যুক্ত খাবারকে ফরমালিন মুক্ত করে খাওয়ার উপায় কি কি?
বিষমুক্ত আম যেভাবে পেতে পারেন ক্রেতারা ড. মো: শরফ উদ্দিন বর্তমানে দেশের সব জেলাতেই কম-বেশি আমের চাষাবাদ হচ্ছে। তবে বাণিজ্যকভাবে আমের চাষাবাদ দেশের উত্তর ও পশ্চিমের জেলাগুলোতে এখনও সীমাবদ্ধ। মাটি ও আবহাওয়াগত কারণে সুস্বাদু ও ভাল গুণগত মানসম্পন্ন আম উত্পাদন হয় চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী জেলাতে। তবে আমের রাজধানী চাঁপাইনবাবগঞ্জ এতে কোনো সন্দেহ নেই। এদেশে মোট উত্পাদিত আমের প্রায় ৫০-৬০ ভাগই উত্পাদন হয় এই দুই জেলাই। অবস্থানগত পার্থক্যের কারণে কোনো জেলায় এখন গুটি আম সংগ্রহ শুরু হয়েছে, কোনো জেলায় আরও কিছুদিন বাকি আছে এবং কোথায় আবার মাঝামাঝি অবস্থায়। আবার বিভিন্ন জাতের আম সংগ্রহের সময়ও আলাদা। প্রতিবছর আমের মৌসুমে সবার দৃষ্টি থাকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী জেলার আমের উপর। বিশেষ করে ক্রেতাদের নজর থাকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহীর আমের উপর। আম বাজারজাতকরণ শুরু হলে ক্রেতা ও বিক্রেতার মাঝে চলতে থাকে আমের উত্পাদন স্থান ও জাত নিয়ে প্রতারণা। আম যে স্থানের হোক না কেন রাজধানীসহ অন্যান্য জেলার গুরুত্বপূর্ণ বাজারগুলোতে কেনাবেচার সময় সব আমেই হয়ে যায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ বা রাজশাহীর আম। রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার মানুষের ভাল জাতের আম চিনতে পারেন সহজেই কিন্তু অন্যান্য জেলার মানুষের পক্ষে ভাল আম চেনা খুবই কষ্টসাধ্য ব্যাপার। ফলে অনেকে বিক্রেতার কথা বিশ্বাস করে অন্য এলাকার আম চাঁপাইনবাবগঞ্জ বা রাজশাহীর আম হিসেবে কিনে থাকেন। ফলে প্রতিবছর না জেনে প্রতারণার স্বীকার হন ক্রেতারা। তবে আমের প্রধান জাতগুলোর পরিপক্বতার সময় সম্পর্কে একটু ধারণা থাকলেই সহজেই খুঁজে পেতে পারেন, খেতে পারেন ভাল জাতের বিষমুক্ত আম। এছাড়াও বিগত বছরগুলোতে বিভিন্ন ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ আম, লিচুসহ অন্যান্য ফল পাকানোর জন্য ব্যবহার হয়ে আসছে। আমাদের দেশীয় ফলসমূহ অসাধু কিছু ফল ব্যবসায়ীর কারণে হারিয়ে ফেলছে ফলের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য। বর্তমান সময়ে যে জিনিসটি ক্রেতাদের সবচেয়ে বেশি ভাবিয়ে তুলেছে তা হলো বিভিন্ন ফলে বিভিন্ন রাসায়নিক দ্রব্যের অপপ্রয়োগ। অপরিপক্ব ফল পাকানোর জন্য, আকর্ষণীয় করার, দ্রুত পচনের হাত হতে রক্ষা করার জন্য বিভিন্ন রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে। অতীতে ফল পাকানোর জন্য বিভিন্ন রাইপেনিং হরমোন ব্যবহার করা হলেও বর্তমানে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও সোডিয়াম কার্বাইড এবং ইথোফোনসহ অন্যান্য ক্ষতিকারক রাসায়নিক দ্রব্য (পত্রিকায় প্রকাশিত) ব্যবহার করা হচ্ছে। বিষমুক্ত আম খাওয়ার জন্য প্রথমে জানা দরকার কোন জাতের আম কখন পরিপক্ব হয়, সংগ্রহ করা হয় এবং বাজারে পাওয়া যায় । কারণ অপরিপক্ব আমে বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক দ্রব্য সেপ্র করে আমকে আগাম পাকানো অথবা একসাথে পাকানো হয়। মৌসুমের শুরুতে বিভিন্ন আমে বিভিন্ন হরমোন ও রাসায়নিকের ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। সুতরাং অতি আগাম আম না খাওয়াই ভাল। আমাদের দেশের মানুষ সচরাচর যে জাতগুলো বেশি পছন্দ করে সেগুলো হলো- বারি আম-১, গোপালভোগ, খিরসাপাত, হিমসাগর, ল্যাংড়া, বারি আম-২ (লক্ষণভোগ), বারি আম-৩ (আম্রপালি), বারি আম-৪ (হাইব্রিড), বারি আম-৫, বারি আম-৬ (বৌভুলানি), বারি আম-৭ (আপেল আম), ফজলি ও আশ্বিনা আম। এছাড়াও কিছু জাত রয়েছে তবে সেগুলো স্থানভেদে পাওয়া যাবে যেমন- রংপুর জেলায় হাঁড়িভাঙ্গা এবং দিনাজপুর জেলায় সূর্যপুরী। এদেশে মে মাসের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত কোনো ভাল জাতের আম বাজারে পাওয়া যায় না বা যাবে না। তবে এই সময়ে বাজারে গুটিজাতের আম পাওয়া যাবে। বারি আম-১ (মহানন্দা), বারি আম-৫ ও গোপালভোগ এই জাতগুলো প্রকৃতিগতভাবে পাকে মে মাসের শেষ সপ্তাহ হতে জুন মাসের প্রথম ও দ্বিতীয় সপ্তাহে, বারি আম-২ (লক্ষণভোগ), খিরসাপাত ও হিমসাগর আমগুলো পাকে জুন মাসের দ্বিতীয় হতে চতুর্থ সপ্তাহে, ল্যাংড়া, বারি আম-৩ (আম্রপালি), বারি আম-৬ (বৌভুলানি) এবং বারি আম-৭ (আপেল আম) আমগুলো পাকে জুন মাসের তৃতীয় হতে জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহে, ফজলি, বারি আম-৪, হাঁড়িভাঙ্গা এবং বারি আম-৮ আমগুলো পাকে জুলাই মাসের দ্বিতীয় হতে চতুর্থ সপ্তাহ পর্যন্ত এবং আশ্বিনা জাতটি পাকে আগস্ট-সেপ্টেবর মাসে। সুতরাং জুন মাসে বাজারে বিভিন্ন জাতের আমের সরবরাহ থাকে সবচেয়ে বেশি। তবে অবস্থানগত পার্থক্য ও আবহাওয়াগত পরিবর্তনের (তাপমাত্রা বেশি হলে) কারণে নির্ধারিত সময়ের আগেই কোনো কোনো জাত পাকতে পারে তবে এটি হবে ব্যতিক্রম। উল্লেখিত সময়ে ক্রেতাগণ খুব সহজেই ভাল জাতের আম কিনতে পারবেন ও আপনজনকে অনায়াসেই পাঠাতে পারবেন নিজের পছন্দের আম। আম কেনার সময় আঘাতপ্রাপ্ত, বেশি নরম ও কালো দাগযুক্ত আম না কেনাই উত্তম। সুতরাং পছন্দনীয় আমের পরিপক্বতার সময় সম্পর্কে মোটামুটি একটু ধারণা থাকলে খুব সহজেই ভাল আম খাওয়া যাবে। অপরপক্ষে আম পাকানোর জন্য ব্যবহূত বিভিন্ন হরমন ও বিষাক্ত কীটনাশকমুক্ত আম খাওয়া সম্ভব। আরেকটি পরামর্শ হল বেশি আম কেনার ক্ষেত্রে একটি আম খেয়ে তারপর কেনা ভাল। আরেকটি লক্ষণীয় বিষয় হল, চলতি মৌসুমে ভারতীয় আম ইউরোপীয় ইউনিয়নে নিষিদ্ধ হয়েছে। সেক্ষেত্রে ভারত হতে বিভিন্ন জাতের আম এদেশের বাজারকে নষ্ট করতে পারে। যে কারণে ভারতীয় আম নিষিদ্ধ হয়েছে সেই পোকার আক্রমণ এখনও বাংলাদেশের আমে দেখা যায়নি। সুতরাং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের উচিত বিশেষ করে চলতি মৌসুমে ভারতীয় আম যেন এদেশে বাজারজাত না করা হয় অথবা প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তারপর এদেশে প্রবেশের অনুমতি দেয়া উচিত। পরিশেষে বলা যায়, অসাধু ব্যবসায়ীদের দেশের প্রতি ও দেশের মানুষের প্রতি ভালবাসা, সাধারণ ক্রেতাসাধারণের সচেতনতা ও বিচক্ষণতা পারে আমসহ বিভিন্ন ফলে অনাকাঙ্ক্ষিত বিষ প্রয়োগ বন্ধ করতে। লেখক:কৃষিবিদ, ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সুত্রঃ হেডিংঃ বিষমুক্ত আম যেভাবে পেতে পারেন ক্রেতারা লেখকঃ ড. মো: শরফ উদ্দিন পত্রিকাঃ দৈনিক ইত্তেফাক তারিখঃ বুধবার ০৪ জুন ২০১৪, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২১, ০৫ শাবান ১৪৩৫ বিভাগঃ দৃষ্টিকোণ লিন্কঃ http://www.ittefaq.com.bd/index.php?ref=MjBfMDZfMDRfMTRfMV81XzFfMTM1NTQ2
বিষমুক্ত আম খাওয়ার উপায় কি?

হযরত মুহাম্মদ সাঃ-এর সময়ে আরবে কোনই প্রচলিত সন-তারিখ ছিল না।
এটা ছিলো অনেকটা হাইব্রীড পদ্ধতির বর্ষ গণনার মতো, অর্থাৎ চান্দ্র-সৌর বর্ষ বা luni-solar period.

বর্তমানে যে হিযরী সন চলছে, সেটাও হযরত মুহাম্মদ সাঃ-এর জন্মের ৫২ বৎসর পর (আর্থাৎ ৬২২ খ্রীষ্টাব্দে) আরম্ভ হয়।

এখন যে পদ্ধতিতে হিযরী সন গণনা করা হচ্ছে, মহানবী সাঃ-এর জন্ম-সময় ঠিক সেই পদ্ধতিতেও আরবী-বর্ষ গণনা করা হত না।

তখন প্রত্যেক বৎছরের মাস ও দিন সংখ্যাও সমান থাকিত না। প্রথম ও দ্বিতীয় বৎসর একরুপে গণনা করা হত, তৃতীয় বৎসরে অন্যরুপে গণনা করা হত।
প্রথম দুই বৎসরের প্রত্যেকটিতে ৩৫৪ দিন থাকত, তৃতীয় বৎসরে ৩৮৪ দিন থাকত। এইরুপে প্রতি তিন বৎসরের গড় ধরিলে তবে এক বৎসরে ৩৬৪ দিন পাওয়া যেত; যথা (৩৫৪+৩৫৪+৩৮৪)/৩=৩৬৪ দিন।
অন্য কথায় প্রথম দুই বৎসরের প্রত্যেকটিতে ১০ দিন করে কম থাকত এবং প্রতি তৃতীয় বৎসরে ৩০ দিনের একটি অতিরিক্ত মাস (Intercalary Month) জুড়ে দেওয়া হত।

এইরুপে গোঁজামিল দিয়ে প্রতি তিন বৎসরান্তে সৌর ও চান্দ্রবর্ষের মধ্য একটা সামন্ঞ্জস্য বিধান করা হত। বলা বাহুল্য এই সংযোগ-বিয়োগের ফলে কোন্‌ বৎসরের কোন্‌ মাস কখন আরাম্ভ হত, তাহা নিশ্চিতরুপে জানা যেত না।
এই অনিশ্চয়তার দরুন আরবের 'পবিত্র' মাসগুলির অর্থাৎ মহররম, রজব, জিলকদ্‌ এবং জিলহাজ্ব মাসগুলির স্থিরতা থাকত না।

ফলে দস্যু ও লুন্ঠকারীরা ইহার সুযোগ লইয়া পবিত্র মাসগুলিতেও লুটতরাজ করিত।

স্যার উইলিয়াম মূয়র বলিয়াছেনঃ
"There is reason to believe at the (Arabic) year was originally lunar so continued till the beginning of the fifth century, When imitation of the Jews it was turned, by the interjection of a month at the close of every third year, into a luni-solar period."
Rf.- (The life of Mohammad, page c-2)

কোন্‌ সময়ে যে এই অতিরিক্ত মাসটি জুড়ে দেওয়া হত, তার কোন রেকর্ড বা প্রমাণ বিদ্যমান নেই।


আরবী বর্ষ গণনায় এই বিভ্রাট লক্ষ করে সয়ং আল্লাহ্‌ এর সংশোধনের জন্য এক আয়াত নাযিল করেন।

"নিশ্চয় আল্লাহর বিধান ও গননায় মাস বারটি, আসমানসমূহ ও পৃথিবী সৃষ্টির দিন থেকে। তন্মধ্যে চারটি সম্মানিত। এটিই সুপ্রতিষ্ঠিত বিধান; সুতরাং এর মধ্যে তোমরা নিজেদের প্রতি অত্যাচার করো না। আর মুশরিকদের সাথে তোমরা যুদ্ধ কর সমবেতভাবে, যেমন তারাও তোমাদের সাথে যুদ্ধ করে যাচ্ছে সমবেতভাবে। আর মনে রেখো, আল্লাহ মুত্তাকীনদের সাথে রয়েছেন।
(At-Tawba {Madani}- 9: 36)"

কিন্তু এই আয়াতও হিযরী ১০ম সনে অবতীর্ণ হয়, অর্থাৎ হযরত মুহাম্মদ সাঃ-এর জন্মের প্রায় ৬২ বৎসর পরে।
অতঃপর ১১শ হিযরী হইতে অতিরিক্ত মাস (Intercalary Month) যোগ করার প্রথা রহিত হয়ে যায়। কিন্তু এই নতুন গণনা পদ্ধতিও সরকারীভাবে অনুমোদিত হয় ১৭শ বা ১৮শ হিযরীতে, অর্থাৎ হযরত ওমর রাঃ-এর খেলাফতের সময়ে।

কাজেই এটা নিশ্চিতরুপে প্রমাণিত হচ্ছে যে, হযরত মুহাম্মদ সাঃ-এর জীবদ্দশায় আরবী বষগণনার কোনই বিধিবদ্ধ নিয়ম-কানুন ছিল না; যা ছিলো তাও হযরত ওমর রাঃ -এর সময় হতে রদ-বদল হয়ে গেছে।

সূত্রঃ
গ্রন্থঃ বিশ্বনবী (দ্বিতীয় খন্ড, পরিচ্ছেদ নং-১; নাম - "হযরত মুহম্মদের সাঃ জন্ম-তারিখ কবে", পৃষ্ঠা- ৩৬০-৩৬১)
লেখকঃ কবি মৌলভী গোলাম মোস্তফা
সংস্করণঃ ত্রয়োবিংশতিতম ;মার্চ-১৯৯০
প্রকাশকঃ মহিউদ্দিন আহমদ (আহমদ পাবলিশিং হাউস)

মূলত চাঁদ কিন্তু ইসলামের কোন প্রতীক নয়, অথচ মুসলিমরা বিভিন্ন অবকাঠামো, মসজিদ, পতাকা ইত্যাদিতে সৌন্দর্যের জন্য বা কারুকাজ হিসেবে বাকা চাঁদ অথবা বাকা চাঁদ ও তারকা এত বেশি ব্যাবহার করে যে, অমুসলিমরা হয়তো ভূলবশত ধারণাই করে বসে যে, বাকা চাঁদ অথবা বাকা চাঁদ ও তারকা হয়তো ইসলামের প্রতীক।
কিন্তু এটা একদমই ভূল ধারণা। ইসলামের কোন প্রতীক নেই এবং এটা কাবা ঘরেও ব্যাবহার করা হয় না। কোন কিছু ব্যাপক ভাবে সৌন্দর্যের জন্য বা কারুকাজ হিসেবে ব্যাবহার করলেই সেটা প্রতীক হয়ে যায় না।
কিন্তু কেন ইসলামে বাকা চাঁদের এত ব্যাপক ব্যাবহার?
এর কারণ হতে পারে ইসলামের বিভিন্ন উৎসব যেমনঃ ঈদ, ইত্যাদি চান্দ্র বর্ষের উপর অর্থাৎ চাঁদের উপর নির্ভরশীল। হয়তো সেই জন্যই মুসলিমদের অবচেতন মনেই বাকা চাঁদের প্রতি একটা ভালোবাসা বা টান চলে এসেছে।
এছাড়া ইসলামে কোন প্রানীর ছবি ও মূর্তি ব্যাবহার করাও নিষিদ্ধ এবং সেটাও সৌন্দর্য প্রিয় মুসলিমদেরকে সৌন্দর্যের জন্য বা কারুকাজ হিসেবে বাকা চাঁদ অথবা বাকা চাঁদ ও তারকা ব্যাবহার করতে উদ্ভুদ্ধ করেছে ।

 


"তাঁর নিদর্শনসমূহের মধ্যে রয়েছে দিবস, রজনী, সূর্য ও চন্দ্র। তোমরা সূর্যকে সেজদা করো না, চন্দ্রকেও না; আল্লাহকে সেজদা কর, যিনি এগুলো সৃষ্টি করেছেন, যদি তোমরা নিষ্ঠার সাথে শুধুমাত্র তাঁরই এবাদত কর।
(Ha mim Sajdah/Fussilat {Makki}- 41: 37)"



 

আসলে আল্লাহ চাঁদ ও সূর্যকে সময় গণনার জন্যই সৃষ্টি করেছেন এবং নিচে এই ব্যাপারে কিছু কোরআনের আয়াত দেওয়া হলো।

"তিনি প্রভাত রশ্মির উন্মেষক। তিনি রাত্রিকে আরামদায়ক করেছেন এবং সূর্য ও চন্দ্রকে হিসেবের জন্য রেখেছেন। এটি পরাক্রান্ত, মহাজ্ঞানীর নির্ধারণ।
(Al-An'aam {Makki}- 6: 96)"

"তোমার নিকট তারা জিজ্ঞেস করে নতুন চাঁদের বিষয়ে। বলে দাও যে এটি মানুষের জন্য সময় নির্ধারণ এবং হজ্বের সময় ঠিক করার মাধ্যম। আর পেছনের দিক দিয়ে ঘরে প্রবেশ করার মধ্যে কোন নেকী বা কল্যাণ নেই। অবশ্য নেকী হল আল্লাহকে ভয় করার মধ্যে। আর তোমরা ঘরে প্রবেশ কর দরজা দিয়ে এবং আল্লাহকে ভয় করতে থাক যাতে তোমরা নিজেদের বাসনায় কৃতকার্য হতে পার।
(Al-Baqara {Madani}- 2: 189) "

"তিনিই সে মহান সত্তা, যিনি বানিয়েছেন সুর্যকে উজ্জল আলোকময়, আর চন্দ্রকে স্নিগ্ধ আলো বিতরণকারীরূপে এবং অতঃপর নির্ধারিত করেছেন এর জন্য মনযিল সমূহ, যাতে করে তোমরা চিনতে পার বছরগুলোর সংখ্যা ও হিসাব। আল্লাহ এই সমস্ত কিছু এমনিতেই সৃষ্টি করেননি, কিন্তু যথার্থতার সাথে। তিনি প্রকাশ করেন লক্ষণসমূহ সে সমস্ত লোকের জন্য যাদের জ্ঞান আছে।
(Yunus {Makki}- 10: 5)"

"আমি রাত্রি ও দিনকে দুটি নিদর্শন করেছি। অতঃপর নিস্প্রভ করে দিয়েছি রাতের নিদর্শন এবং দিনের নিদর্শনকে দেখার উপযোগী করেছি, যাতে তোমরা তোমাদের পালনকর্তার অনুগ্রহ অন্বেষণ কর এবং যাতে তোমরা স্থির করতে পার বছরসমূহের গণনা ও হিসাব এবং আমি সব বিষয়কে বিস্তারিত ভাবে বর্ণনা করেছি।
(Bani Israil/Al-Israa {Makki}- 17: 12)"




 

হযরত মুহাম্মদ সাঃ-এর সময়ে আরবে বর্ষ গণনার পদ্ধতি হাইব্রীড পদ্ধতি তথা চান্দ্র-সৌর বর্ষ (বা luni-solar period) হলেও মাস (Lunar Month) গণনা প্রধানত চাঁদের উপরই নির্ভরশীল ছিলো, এই ব্যাপারে কিছু হাদীস নিচে দেয়া হলো।


১/// সূত্রঃ সহিহ বুখারী :: খন্ড- ৩ :: অধ্যায় ৩১ :: অধ্যায়ের নাম- সাওম বা রোজা:: হাদিস- ১৩১
"‘আবদুল্লাহ ইবন মাসলামা (র)...’আব্দুল্লাহ ইবন ‘উমর (রা) থেকে বর্নিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ)বলেছেনঃ মাস ঊনত্রিশ রাত বিশিষ্ট হয়। তাই তোমরা চাঁদ না দেখে সাওম শুরু করবে না। যদি আকাশ মেঘাবৃত থাকে তাহলে তোমরা ত্রিশ দিন পূর্ন করবে।"

(প্রায় এই ধরণের বেশ কিছু হাদীস সহিহ মুসলিম, মুয়াত্তা মালিক, সুনান আবু দাউদ-এ রয়েছে।
যেমন-
সূত্রঃ সহিহ মুসলিম :: খন্ড ৬ :: অধ্যায়ের নাম- কিতাবুস সিয়াম :: হাদিস ২৩৭০
সূত্রঃ মুয়াত্তা মালিক :: সাওম বা রোযা :: অধ্যায় ১৮ হাদিস ৬৩৪
সূত্রঃ সুনান আবু দাউদ :: সাওম বা রোজা :: অধ্যায় ১৪ :: হাদিস ২৩২৫)


২/// সূত্রঃ সহিহ বুখারী :: খন্ড ৩ :: অধ্যায় ৩১ :: অধ্যায়ের নাম- সাওম বা রোজা :: হাদিস ১৮৬
সারাংশঃ "রাসূলুল্লাহ (সা) বিরতিহীন সাওম পালন করতে নিষেধ করলেও লোকেরা সেটা শুনেনি, এরপরে একদিন মাসের নতুন চাঁদ উঠলে সকলেই সাওম ভেঙ্গে ফেলেন।"

৩/// সূত্রঃ সহিহ বুখারী :: খন্ড ৬ :: অধ্যায় ৬০ :: অধ্যায়ের নাম- তাফসির :: হাদিস ৩৭৪
সারাংশঃ "নবী (সাঃ) চৌদ্দ তারিখের রজনীর চাঁদের দিকে তাকিয়ে বললেন, তোমরা যেমন এ চাঁদটি দেখতে পাচ্ছ, অনুরূপভাবে তোমরা তোমাদের রবকে দেখতে পাবে এবং তাঁকে দেখার ব্যাপারে (তোমরা একে অন্যের কারণে) বাধাপ্রাপ্ত হবে না।"


৪/// সূত্রঃ সহিহ মুসলিম :: খন্ড ৬ :: অধ্যায়ের নাম- কিতাবুস সিয়াম :: হাদিস ২৩৯১
বাক্যাংশঃ "মু-আবিয়া (রাঃ)-এর চাঁদ দেখা এবং তাঁর সওম পালন করা আপনার জন্য যথেষ্ট নয় কি? তিনি বললেন, না, যথেষ্ট নয় । কেননা রাসুলুল্লাহ (সা) আমাদেরকে এরুপ করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন । "

(প্রায় কাছাকাছি ধরণের এমন হাদিস "সুনান আবু দাউদ"-এ রয়েছে ।সূত্রঃ সুনান আবু দাউদ :: সাওম বা রোজা :: অধ্যায় ১৪ :: হাদিস ২৩৩২)

৫/// সূত্রঃ সহিহ মুসলিম :: খন্ড ৬ :: অধ্যায়ের নাম- কিতাবুস সিয়াম :: হাদিস ২৬৩৫
"মুহাম্মাদ ইবন আববাদ ও ইবন আবু উমর (র)......আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত । তিনি বলেন আমরা রাসুলুল্লাহ (সা)-এর সামনে কদরের রাত সস্পর্কে আলাপ-আলোচনা করছিলাম । তিনি বললেন, তোমাদের মধ্যে কে সেই (রাত) স্বরন রাখবে, যখন চাদ উদিত হরে থালার একটি টূকরার ন্যায় ।"


৬/// সূত্রঃ মুয়াত্তা মালিক :: হাজ্জ অধ্যায় ২০ :: হাদিস ৭৫৩
বাক্যাংশঃ "আয়েশা (রাঃ) প্রথমে হজ্জের পর যিলহজ্জ মাসেই মক্কা হইতে ইহরাম বাঁধিয়া ওমরা করিতেন, পরে উহা ত্যাগ করিয়া মুহাররম মাসের চাঁদ দেখার পূর্বে জুহফা আসিয়া অবস্থান করিতেন এবং মুহাররম মাসের চাঁদ উঠিলে ওমরার ইহরাম বাঁধিতেন।"


৭/// সূত্রঃ সুনান আবু দাউদ :: সাওম বা রোজা :: অধ্যায় ১৪ :: হাদিস ২৩২৯
সারাংশঃ " মু‘আবিআ  লোকদের  সম্মুখে  খুতবা দেয়ার সময়ে বললেন, হে  জনগণ!  আমরা  অমুক  দিন  চাঁদ  দেখেছি।  কাজেই  আমরা  রোযা  রাখতে  যাচ্ছি। আমি  রাসূলুল্লাহ্  (সাঃ)  কে  বলতে  শুনেছিঃ  তোমরা  (  শা‘বান)  মাসে  রোযা  রাখবে  এবং  বিশেষভাবে  এর  শেষের  দিকে। "

৮/// সূত্রঃ সুনান আবু দাউদ :: সাওম বা রোজা :: অধ্যায় ১৪ :: হাদিস ২৩১৯

সুলায়মান  ইবন  হরব--ইবন  উমার  (রা)  হতে বর্ণিত।  তিনি বলেন,  রাসূলুল্লাহ্  (সাঃ)  ইরশাদ  করেছেনঃ  আমরা  উম্মী  জাতির  অর্ন্তভূক্ত।  আমরা  লিখতে  জানি  না  এবং  মাসের  হিসাবও  করতে  পারি না।  এপর  তিনি এরূপ  , এরূপ  বলে(  তিনবার)  নিজের  ( দশ)  অংগুলি  প্রসারিত  করেন।  রাবী  সুলায়মান  তৃতীয়বারে  তার  একটি  আঙ্গুল  সূংকুচিত  করেন,  অর্থাৎ  রোযার  মাস  উনত্রিশ  বা  তিরিশ  দিনে হয় (  এর প্রতি  ইশারা  করে।)


৭/// সূত্রঃ রিয়াযুস স্বা-লিহীন :: বই ১ :: হাদিস ৪৯২ :: অধ্যায়ের নাম :: ক্ষুধার্ত থাকা, অনাসক্তির জীবন-যাপন, খাদ্য, পানীয় ও পোশাক ইত্যাদিতে অল্পে তুষ্টি এবং আসক্তি পরিত্যাগ সংক্রান্ত ফযীলত অধ্যায়
সারাংশঃ "এভাবে দু’মাসে তিন তিনটা নতুন চাঁদ দেখতাম। অথচ এ দীর্ঘ সময়ে রাসূলুল্লাহ (সা)-এর কোন ঘরের চুলায় আগুন জ্বলত না।"

৮/// সূত্রঃ রিয়াযুস স্বা-লিহীন :: বই ৯ :: হাদিস ১২২১ :: অধ্যায়ের নাম- রমযানের রোযা ফরয এবং রোযার গুরুত্ব ও তার আনুসঙ্গিক বিষয় সমূহ অধ্যায়
সারাংশঃ "রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেনঃ চাঁদ দেখে রোযা রাখ এবং চাঁদ দেখে ইফতার কর। আর যদি মেঘের আড়ালের কারণে চাঁদ দেখা না যায় তাহলে শাবান মাস তিরিশ দিন পূর্ণ কর।"

৯/// সূত্রঃ রিয়াযুস স্বা-লিহীন :: বই ৯ :: হাদিস ১২২৫ :: অধ্যায়ের নাম- অর্ধ শাবানের পর হতে রমযানের পূর্ব পর্যন্ত রোযা পালন করার উপর নিষেধাজ্ঞা, তবে যার পূর্বের সঙ্গে মিলাবার অভ্যাস হয়ে গেছে অধ্যায় ::
সারাংশঃ "রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেনঃ রমযানের আগেই রোযা রেখো না। চাঁদ দেখে রোযা রাখ এবং চাঁদ দেখে রোযা ছাড়।"

৯/// সূত্রঃ রিয়াযুস স্বা-লিহীন :: বই ৯ :: হাদিস ১২২৭ :: অধ্যায়ের নাম- অর্ধ শাবানের পর হতে রমযানের পূর্ব পর্যন্ত রোযা পালন করার উপর নিষেধাজ্ঞা, তবে যার পূর্বের সঙ্গে মিলাবার অভ্যাস হয়ে গেছে অধ্যায় ::
"আবূ ইয়াকযান আম্মার ইবনে ইয়াসির (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ যে ব্যক্তি সন্দেহের দিন (অর্থাৎ মেঘের কারণে চাঁদ না দেখে যাওয়ার দিন রোযা রাখা সন্দেহযুক্ত হয় সেদিন) রোযা রাখে, সে অবশ্যই আবুল কাসেম মুহাম্মাদ (সা)-এর নাফরমানী করে।"

১০/// সূত্রঃ রিয়াযুস স্বা-লিহীন :: বই ৯ :: হাদিস ১২২৮ :: অধ্যায়ের নাম- চাঁদ দেখে যে দোয়া পাঠ করতে হবে অধ্যায়
সারাংশঃ "নবী করীম (সা) নতুন চাঁদ দেখলে বলতেন, হে আল্লাহ! এ চাঁদকে আমাদের ওপর উদিত করুন নিরাপত্তা, শান্তি, ঈমান ও ইসলামের সাথে। (হে চাঁদ) তোমার ও আমার প্রভু একমাত্র আল্লাহ। (হে আল্লাহ!) এ চাঁদ যেন সঠিক পথের ও কল্যাণের চাঁদ হয়।"

(প্রায় এর কাছাকাছি একটি হাদিস "সুনান আবু দাউদ"-এ রয়েছে। সূত্রঃ সুনান আবু দাউদ :: আদব ও শিষ্টাচার অধ্যায় ৪৩ :: হাদিস ৫০৯২)


১১/// সূত্রঃ বুলুগূল মারাম  অধ্যায় ৫ :: অধ্যায়ের নাম- সাওম বা রোজার নিয়মাবলী :: হাদিস ৬৮৪
"আবূ যার (রাঃ) হতে বর্ণিত; রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে প্রতি মাসে তিনটি রোযা রাখার আদেশ দিলেন - চাঁদের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ। "

 

হযরত মুহাম্মদ সাঃ-এর সময়ে আরবে আরবী-বর্ষ গণনা করার পদ্ধতি কি ছিলো?
বৌদ্ধদের ধর্মগ্রন্থ ত্রিপিটক -এর সর্বাধিক প্রাচিনতম কপি কোনটি এবং তা কোথায় ও কি ভাবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং তা কতটা পুরাতন? ধর্মীয় প্রধান ও প্রামাণ্য গ্রন্থ গুলোর তথ্য উপস্থাপনের সময় দয়া করে নিচের বিষয় গুলো একটু খেয়াল করবেন। ১// সর্বপ্রথম হস্তলিখিত গ্রন্থের লিখনের তারিখ ও প্রাপ্তিস্থান ও লেখকের নাম ও বর্তমান সংরক্ষিত স্থান ও কতটা পুরাতন ইত্যাদি। ২// সর্বপ্রথম ছাপানো গ্রন্থের ছাপানোর তারিখ ও প্রাপ্তিস্থান ও লেখকের নাম ও বর্তমান সংরক্ষিত স্থান ও কতটা পুরাতন ইত্যাদি। ৩// একই ভাবে অন্য কোন ভাবে সংরক্ষিত হলে সেটার তারিখ ও প্রাপ্তিস্থান ও লেখকের নাম ও বর্তমান সংরক্ষিত স্থান ও কতটা পুরাতন ইত্যাদি। তথ্যগুলো কারো জানা থাকলে রেফারেন্স সহ উপস্থাপন করার অনুরোধ জানিয়ে রাখলাম। আর সেই সাথে রেফারেন্সের ওয়েব লিন্ক দেয়া সম্ভব হলে সেটাও দেওয়ার অনুরোধ জানালাম।
হিন্দু/ সনাতনদের ধর্মগ্রন্থ বেদ, পুরাণ, উপনিষৎ, গীতা, মহাভারত, রামায়ণ -এর সর্বাধিক প্রাচিনতম কপি কোনটি এবং তা কোথায় ও কি ভাবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং তা কতটা পুরাতন? ধর্মীয় প্রধান ও প্রামাণ্য গ্রন্থ গুলোর তথ্য উপস্থাপনের সময় দয়া করে নিচের বিষয় গুলো একটু খেয়াল করবেন। ১// সর্বপ্রথম হস্তলিখিত গ্রন্থের লিখনের তারিখ ও প্রাপ্তিস্থান ও লেখকের নাম ও বর্তমান সংরক্ষিত স্থান ও কতটা পুরাতন ইত্যাদি। ২// সর্বপ্রথম ছাপানো গ্রন্থের ছাপানোর তারিখ ও প্রাপ্তিস্থান ও লেখকের নাম ও বর্তমান সংরক্ষিত স্থান ও কতটা পুরাতন ইত্যাদি। ৩// একই ভাবে অন্য কোন ভাবে সংরক্ষিত হলে সেটার তারিখ ও প্রাপ্তিস্থান ও লেখকের নাম ও বর্তমান সংরক্ষিত স্থান ও কতটা পুরাতন ইত্যাদি। তথ্যগুলো কারো জানা থাকলে রেফারেন্স সহ উপস্থাপন করার অনুরোধ জানিয়ে রাখলাম। আর সেই সাথে রেফারেন্সের ওয়েব লিন্ক দেয়া সম্ভব হলে সেটাও দেওয়ার অনুরোধ জানালাম।
পার্শী/ অন্গি উপাসকদের ধর্মগ্রন্থ জিন্দাবেস্তা ও দাসাতির -এর সর্বাধিক প্রাচিনতম কপি কোনটি এবং তা কোথায় ও কি ভাবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং তা কতটা পুরাতন? ধর্মীয় প্রধান ও প্রামাণ্য গ্রন্থ গুলোর তথ্য উপস্থাপনের সময় দয়া করে নিচের বিষয় গুলো একটু খেয়াল করবেন। ১// সর্বপ্রথম হস্তলিখিত গ্রন্থের লিখনের তারিখ ও প্রাপ্তিস্থান ও লেখকের নাম ও বর্তমান সংরক্ষিত স্থান ও কতটা পুরাতন ইত্যাদি। ২// সর্বপ্রথম ছাপানো গ্রন্থের ছাপানোর তারিখ ও প্রাপ্তিস্থান ও লেখকের নাম ও বর্তমান সংরক্ষিত স্থান ও কতটা পুরাতন ইত্যাদি। ৩// একই ভাবে অন্য কোন ভাবে সংরক্ষিত হলে সেটার তারিখ ও প্রাপ্তিস্থান ও লেখকের নাম ও বর্তমান সংরক্ষিত স্থান ও কতটা পুরাতন ইত্যাদি। তথ্যগুলো কারো জানা থাকলে রেফারেন্স সহ উপস্থাপন করার অনুরোধ জানিয়ে রাখলাম। আর সেই সাথে রেফারেন্সের ওয়েব লিন্ক দেয়া সম্ভব হলে সেটাও দেওয়ার অনুরোধ জানালাম।
খ্রীস্টানদের ধর্মগ্রন্থ বাইবেল -এর সর্বাধিক প্রাচিনতম কপি কোনটি এবং তা কোথায় ও কি ভাবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং তা কতটা পুরাতন? ধর্মীয় প্রধান ও প্রামাণ্য গ্রন্থ গুলোর তথ্য উপস্থাপনের সময় দয়া করে নিচের বিষয় গুলো একটু খেয়াল করবেন। ১// সর্বপ্রথম হস্তলিখিত গ্রন্থের লিখনের তারিখ ও প্রাপ্তিস্থান ও লেখকের নাম ও বর্তমান সংরক্ষিত স্থান ও কতটা পুরাতন ইত্যাদি। ২// সর্বপ্রথম ছাপানো গ্রন্থের ছাপানোর তারিখ ও প্রাপ্তিস্থান ও লেখকের নাম ও বর্তমান সংরক্ষিত স্থান ও কতটা পুরাতন ইত্যাদি। ৩// একই ভাবে অন্য কোন ভাবে সংরক্ষিত হলে সেটার তারিখ ও প্রাপ্তিস্থান ও লেখকের নাম ও বর্তমান সংরক্ষিত স্থান ও কতটা পুরাতন ইত্যাদি। তথ্যগুলো কারো জানা থাকলে রেফারেন্স সহ উপস্থাপন করার অনুরোধ জানিয়ে রাখলাম। আর সেই সাথে রেফারেন্সের ওয়েব লিন্ক দেয়া সম্ভব হলে সেটাও দেওয়ার অনুরোধ জানালাম।
ইহুদীদের ধর্মগ্রন্থ তাওরাত -এর সর্বাধিক প্রাচিনতম কপি কোনটি এবং তা কোথায় ও কি ভাবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং তা কতটা পুরাতন? ধর্মীয় প্রধান ও প্রামাণ্য গ্রন্থ গুলোর তথ্য উপস্থাপনের সময় দয়া করে নিচের বিষয় গুলো একটু খেয়াল করবেন। ১// সর্বপ্রথম হস্তলিখিত গ্রন্থের লিখনের তারিখ ও প্রাপ্তিস্থান ও লেখকের নাম ও বর্তমান সংরক্ষিত স্থান ও কতটা পুরাতন ইত্যাদি। ২// সর্বপ্রথম ছাপানো গ্রন্থের ছাপানোর তারিখ ও প্রাপ্তিস্থান ও লেখকের নাম ও বর্তমান সংরক্ষিত স্থান ও কতটা পুরাতন ইত্যাদি। ৩// একই ভাবে অন্য কোন ভাবে সংরক্ষিত হলে সেটার তারিখ ও প্রাপ্তিস্থান ও লেখকের নাম ও বর্তমান সংরক্ষিত স্থান ও কতটা পুরাতন ইত্যাদি। তথ্যগুলো কারো জানা থাকলে রেফারেন্স সহ উপস্থাপন করার অনুরোধ জানিয়ে রাখলাম। আর সেই সাথে রেফারেন্সের ওয়েব লিন্ক দেয়া সম্ভব হলে সেটাও দেওয়ার অনুরোধ জানালাম।
সূর্যের গতি কত প্রকার ও কি কি?
সূর্য অস্তের দেশ কোনটি?

নিচের লিন্কগুলোতে কুরআন শরীফের বিভিন্ন সূরার অবতরণ স্থান বা সময়ানুক্রমিক কি ছিলো সেটা ভালো ভাবে জানা যাবে।

লিন্কঃ http://tanzil.net/wiki/Revelation_Order

লিন্কঃ http://www.bombaxo.com/chronsurs.html

কাপি দেওয়ার ইচ্ছা থাকলেও এই খানে সেটা কপি করা গেলোনা কারণ সেটা করতে গেলে নিচের লিখাটি আসে।

সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্য 8000 বর্ণের