kaziaminulislam

kaziaminulislam

kaziaminulislam

About kaziaminulislam

যোগ্যতা ও হাইলাইট
Unspecified
Work Experiences
Skills
Language
Trainings
Education
Social Profile
Add social profile
প্রশ্ন-উত্তর সমূহ 4.97k বার দেখা হয়েছে এই মাসে 24 বার
0 টি প্রশ্ন দেখা হয়েছে 24 বার
6 টি উত্তর দেখা হয়েছে 4.94k বার
1 টি ব্লগ
0 টি মন্তব্য
টাইমলাইন

 অনেক সময় আমাদের ল্যাপটপের মডেল নাম্বার বা কনফিগারেসন মনে থাকেনা, তখন আপনি নিচের মেথডে ল্যাপটপ মডেল ও কনফিগারেসন জানতে পারবেন।


মেথড ১ঃ আপনি প্রথমে system যান, সেইখান থেকে system information যাবেন, তারপর programs যাবেন, তারপর System summary তে গেলেই ল্যাপটপ মডেল ও কনফিগারেসন জানতে পারবেন।


মেথড ২ঃ আপনি আপনার ল্যাপটপ থেকে মাই কম্পিউটারে ক্লিক করুন। তারপর প্রপার্টিজ ক্লিক করুন তাহলে ল্যাপটপ মডেল ও কনফিগারেসন জানতে পারবেন।

৫০ হাজার টাকা বাজেটে আপনি ভাল মানের  Laptop পাবেন।  তবে আমার মতে Asus, HP, Dell, Lenovo & Acer Laptop  বাংলাদেশে পরিচিত ব্র্যান্ড এর বাহিরে না নেয়া ভাল তাহলে আপনাকে সেলস সার্ভিস নিয়ে ভুগতে হবে। তবে বাজেট বেশি থাকলে Mac Laptop  দেখতে পারেন। 

উপকরণ

পাকা কলা ১ টি, ২ চা চামচ বেসন, ৩-৪ চা চামচ ঠান্ডা দুধ|

পদ্ধতি

একটি পাত্রে পাকা কলা চটকে নিয়ে তার সাথে পরিমাণ মত বেসন ও ঠান্ডা দুধ মিশিয়ে আপনার ফেসপ্যাকটি বানিয়ে নিন| প্রথমে গোলাপ জলে তুলো ভিজিয়ে আপনার মুখে ভালো করে লাগিয়ে নিন| এবার ফেসপ্যাকটি মুখে ভালো করে লাগিয়ে নিন| পুরোপুরি শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা জল দিয়ে ভালো করে মুখ ধুয়ে ফেলুন|

উপকারিতা

কলাতে বর্তমান আন্টি-অক্সিডেন্ট, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ভিটামিন ই, বিটা ক্যারোটিন আপনার ত্বকের বয়স বৃদ্ধির প্রক্রিয়াটিকে স্লো করে দেয়। এছাড়া এটি ত্বকের কোষগুলিকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে| এই ফেসপ্যাকটি আপনার ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করে ভেতর থেকে এবং ত্বক মসৃণ করে তোলে|

নানা কারণেই আপনার মুখে কালো ছোপ বা দাগ হতে পারে। রোদে অত্যধিক বেরোনো, কিছু বিশেষ হরমোনের সামঞ্জস্যের অভাব, মুখে ওয়াক্সিং করানো, প্রেগন্যান্সি, ভিটামিনের অভাব, ঘুমের অভাব ও স্ট্রেস আর টেনশন। ঠিক মতো ডায়েটের অভাব, বেশী করে জল না খেলেও কিন্তু ব্রণ ইত্যাদি ত্বকের নানা সমস্যা আপনাকে ভোগাতে পারে। আর ব্রণ হলেই কিন্তু তা আপনার ত্বকে দাগ রেখে যাবেই।

ফুল ফ্যাট গোরুর দুধ ৪ কাপ, ২-৩ চামচ বা প্রয়োজনমত পাতিলেবুর রস বা ভিনিগার, ১ লিটার জল, ২ কাপ চিনি, ১ চামচ দুধ, ১ চামচ সুজি বা ময়দা, ১-২ চামচ গোলাপজল বা কেওড়ার জল।

প্রণালী  

একটি প্যানে দুধ নিয়ে হালকা আঁচে ফোটাতে বসান। দুধে সর পড়লে সেটাকে সরিয়ে দিন ও ক্রমাগত নাড়তে থাকুন যাতে তলা লেগে না যায়। এরপর দুধ ফুটতে শুরু করলে আঁচ কমিয়ে দিন ও অল্প অল্প করে লেবুর রস বা ভিনিগার মেশাতে থাকুন, যতক্ষণ না ছানা দুধ ছানা কেটে যায়। দুধ ছানা কেটে গেলেই গ্যাস নিভিয়ে দিন ও খানিকক্ষণ ছানাটাকে রেখে দিন, যতক্ষণ না পুরোপুরি ছানা কেটে যায় ও হালকা সবুজ জল বেরোতে শুরু করে। এরপর নরম কাপড়ে ছানাটাকে ভালো করে চিপে জল ঝরিয়ে শুকনো করে নিন। এমনভাবে চাপবেন যাতে একটুও বাড়তি জল না থাকে। ছানার মধ্যে জল থাকলে কিন্তু রসগোল্লা বানানোর সময় ভেঙে যাবে। এবার ৭-৮ মিনিট ছানার ওপরে ভারি কোন ওজন চাপিয়ে রাখুন। দেখবেন ছানাটা যেন অতিরিক্ত শুকিয়েও না যায়।

এবার কাপড় সরিয়ে একটা পাত্রে ছানাটা নিন তাতে সুজি বা ময়দা মিশিয়ে ভালো করে মাখুন। সুজি বা ময়দা ছানাকে আঁট করবে। এরপর বেশ কিছুক্ষণ ধরে ছানা ভালো করে হাত দিয়ে মাখুন যাতে মিশ্রণটি নরম ও মসৃণ হয়। মনে রাখবেন রসগোল্লা বানানোর সময় এই মাখাটাই কিন্তু সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ। ছানা মাখতে মাখতে যখন তেলতেলে হতে শুরু করবে, তখন মাখা থামিয়ে ছোট ছোট গোল বলের মতো পাকান এবং বলগুলো ভিজে ন্যাকড়া দিয়ে চাপা দিয়ে সরিয়ে রাখুন।

এবার একটা বড় পাত্রে ২ কাপ চিনি ও ৪ কাপ জল নিয়ে গরম করতে বসান। এক চামচ দুধ দিন যাতে রসটা পরিষ্কার হয়। চিনির রস গরম হতে শুরু করলে নোংরাগুলো যখন ওপরে ভেসে উঠবে তখন চামচ দিয়ে আস্তে করে সেগুলিকে ফেলে দিন ও রস তৈরি হয়ে গেলে কাপড়ে ছেঁকে নিন। এবার দেড় কাপ রস আলাদা করে সরিয়ে রাখুন।

বাকি আড়াই কাপ রস আপনি আবার পাত্রে ঢালুন ও গ্যাসে হালকা আঁচে ফোটাতে বসান। এবার ছানার বলগুলো আস্তে করে এই রসের মিশ্রণে ছাড়তে থাকুন এক এক করে। সবকটা বল রসে ছাড়া হয়ে গেলে পাত্রটি ঢাকা দিয়ে গ্যাসের আঁচ বাড়িয়ে মিনিট পাঁচেক রেখে দিন। খানিক পর অল্প একটু চিনির রস দিয়ে পাত্রটি হালকা করে নাড়িয়ে নিন ও আবার চাপা দিয়ে রাখুন। এবার একটা কাপে জল নিয়ে একটা রসগোল্লা তুলে ফেলে দেখুন, যদি জলে রসগোল্লাটি ডুবে যায়, তাহলে আপনার রসগোল্লা রেডি। এবার চিনির রসে গোলাপ বা কেওড়ার জল মেশান ও রসগোল্লাগুলিকে ঠাণ্ডা হতে দিন। ব্যাস, আপনার রসগোল্লা রেডি।