سَلَٰمٌ هِيَ حَتَّىٰ مَطۡلَعِ ٱلۡفَجۡرِ

ছালা-মুন ( ϣ ϊ)হিয়া হাত্তা-মাতলা‘ইল ফাজর।উচ্চারণ

এ রাতটি পুরোপুরি শান্তিময় ফজরের উদয় পর্যন্ত। তাফহীমুল কুরআন

সে রাত (আদ্যোপান্ত) শান্তি ফজরের আবির্ভাব পর্যন্ত। মুফতী তাকী উসমানী

শান্তিই শান্তি! সেই রাত-ফাজরের আবির্ভাব পর্যন্ত।মুজিবুর রহমান

এটা নিরাপত্তা, যা ফজরের উদয় পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

শান্তিই শান্তি, সেই রজনী ঊষার আবির্ভাব পর্যন্ত।ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শান্তিময় সেই রাত, ফজরের সূচনা পর্যন্ত।আল-বায়ান

(এ রাতে বিরাজ করে) শান্তি আর শান্তি- ফজর উদয় হওয়া পর্যন্ত।তাইসিরুল

শান্তি -- ফজরের উদয় পর্যন্ত তা চলতে থাকবে।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

অর্থাৎ সন্ধ্যা থেকে সকাল পর্যন্ত সারাটা রাত শুধু কল্যাণে পরিপূর্ণ। সেখানে ফিতনা, দুস্কৃতি ও অনিষ্টকারিতার ছিটেফোঁটাও নেই।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

অর্থাৎ সে রাতে ফিরিশতাগণ মুমিনদেরকে সালাম জানায় এবং সে রাতে আল্লাহ তাআলা মানব জাতির জন্য শুধু কল্যাণ ও শান্তিরই ফয়সালা করেন। -অনুবাদক

তাফসীরে জাকারিয়া

৫. শান্তিময়(১) সে রাত, ফজরের আবির্ভাব পর্যন্ত।(১)

(১) অর্থাৎ সন্ধ্যা থেকে সকাল পর্যন্ত সারাটা রাত শুধু শান্তিই শান্তি, মঙ্গলই মঙ্গল তথা কল্যাণে পরিপূর্ণ। সে রাত্র সর্বপ্রকার অনিষ্ট থেকে মুক্ত। (তাবারী)

(২) অৰ্থাৎ লাইলাতুল-কদরের এই বরকত রাত্রির শুরু অর্থাৎ সূর্যাস্তের পর হতে ফজরের উদয় পর্যন্ত বিস্তৃত। (সা’দী)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

৫। শান্তিময়(1) সেই রাত্রি ফজর উদয় হওয়া পর্যন্ত।

(1) অর্থাৎ এতে কোন প্রকার অমঙ্গল নেই। অথবা এই অর্থে ‘শান্তিময়’ যে, মু’মিন এই রাতে শয়তানের অনিষ্ট থেকে নিরাপদে থাকে। অথবা ‘সালাম’-এর অর্থ প্রচলিত ‘সালাম’ই। যেহেতু এ রাতে ফিরিশতাগণ ঈমানদার ব্যক্তিদেরকে সালাম পেশ করেন। কিংবা ফিরিশতাগণ আপোসে এক অপরকে সালাম দিয়ে থাকেন।

শবেকদর রাত্রের জন্য নবী (সাঃ) খাস দু’আ বলে দিয়েছেনঃ ‘আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউবুন তুহিব্বুল আফ্ওয়া ফা’ফু আন্নী।’ অর্থাৎ, হে আল্লাহ! নিশ্চয় তুমি ক্ষমাশীল, ক্ষমাকে পছন্দ কর। অতএব তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও। (তিরমিযী দা’ওয়াত পরিচ্ছেদ, ইবনে মাজাহ দু’আ অধ্যায়, দু’আ বিল্আফবে ওয়াল আফিইয়াহ পরিচ্ছেদ।)