ফাইযা-ফারগতা ফানসাব।উচ্চারণ
কাজেই যখনই অবসর পাও ইবাদাতের কঠোর শ্রমে লেগে যাও তাফহীমুল কুরআন
সুতরাং তুমি যখন অবসর পাও, তখন (ইবাদতে) নিজেকে পরিশ্রান্ত কর। মুফতী তাকী উসমানী
অতএব যখনই অবসর পাও সাধনা কর,মুজিবুর রহমান
অতএব, যখন অবসর পান পরিশ্রম করুন।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
অতএব তুমি যখনই অবসর পাও একান্তে ‘ইবাদত কর। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অতএব যখনই তুমি অবসর পাবে, তখনই কঠোর ইবাদাতে রত হও।আল-বায়ান
কাজেই তুমি যখনই অবসর পাবে, ‘ইবাদাতের কঠোর শ্রমে লেগে যাবে,তাইসিরুল
সুতরাং যখন তুমি মুক্ত হয়েছে তখন কঠোর পরিশ্রম করো,মাওলানা জহুরুল হক
বলাবাহুল্য, মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সকল প্রচেষ্টা ও ব্যস্ততা দীনকে কেন্দ্র করেই ছিল। তাবলীগ, তালীম, জিহাদ, প্রশাসন ইত্যাদি সমস্ত কাজই দীনের জন্যই হত এবং এ কারণে তাঁর সব কাজ ইবাদতেরও মর্যাদা রাখত। কিন্তু তা সত্ত্বেও বলা হচ্ছে, আপনি যখন এসব কাজ শেষে অবসর পাবেন, তখন খালেস ইবাদত, যেমন নফল নামায, মৌখিক যিকির ইত্যাদি এ পরিমাণ করবেন, যাতে দেহ ক্লান্ত হয়ে পড়ে। এর দ্বারা বোঝা গেল, যারা দীনের খেদমতে নিয়োজিত আছে, তাদেরও কিছুটা সময় খালেস নফল ইবাদতের জন্য বরাদ্দ রাখা উচিত। এর দ্বারাই আল্লাহ তাআলার সঙ্গে সম্পর্ক দৃঢ় ও ঘনিষ্ঠ হয় এবং এর দ্বারাই অন্যান্য দীনী কাজে বরকত সৃষ্টি হয়।
৭. অতএব আপনি যখনই অবসর পান তখনই কঠোর ইবাদাতে রত হোন।
৭। অতএব যখনই অবসর পাও, তখনই (আল্লাহর ইবাদতে) সচেষ্ট হও।(1)
(1) অর্থাৎ, নামায, তাবলীগ, অথবা জিহাদ থেকে যখনই অবসর পাও তখনই ইবাদত (দু’আ ও যিকরে)র জন্য সচেষ্ট হও। (যেহেতু ইবাদতের পর যিকরই বিধেয়।) অথবা এত বেশী আল্লাহর ইবাদত কর, যাতে তুমি ক্লান্ত হয়ে পড়।