ওয়া লাছাওফা ইয়ারদা-।উচ্চারণ
আর তিনি অবশ্যি (তার প্রতি) সন্তুষ্ট হবেন। ১১ তাফহীমুল কুরআন
নিশ্চয়ই সে অচিরেই খুশী হয়ে যাবে। মুফতী তাকী উসমানী
সেতো অচিরেই সন্তোষ লাভ করবে।মুজিবুর রহমান
সে সত্বরই সন্তুষ্টি লাভ করবে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
সে তো অচিরেই সন্তোষ লাভ করবে।ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর অচিরেই সে সন্তোষ লাভ করবে।আল-বায়ান
সে অবশ্যই অতি শীঘ্র (আল্লাহর নি‘মাত পেয়ে) সন্তুষ্ট হয়ে যাবে।তাইসিরুল
আর অচিরেই সে তো সন্তোষ লাভ করবেই।মাওলানা জহুরুল হক
১১
এ আয়াতের দু’টি অর্থ হতে পারে। দু’টি অর্থই সঠিক। একটি অর্থ হচ্ছে, নিশ্চয়ই আল্লাহ তার প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে যাবেন! আর দ্বিতীয় অর্থটি হচ্ছে, শীঘ্রই আল্লাহ এ ব্যক্তিকে এতসব কিছু দেবেন যার ফলে সে খুশী হয়ে যাবে।
এই সংক্ষিপ্ত বাক্যটির মধ্যে নি‘আমতের এক জগৎ লুকায়িত আছে। বলা হয়েছে যে, এরূপ ব্যক্তি জান্নাতে নিজ আমলের এমন পুরস্কার লাভ করবে, যা দ্বারা সে যথার্থভাবে খুশী হয়ে যাবে।
২১. আর অচিরেই সে সন্তুষ্ট হবে।(১)
(১) বলা হয়েছে, শীঘ্রই আল্লাহ এ ব্যক্তিকে এত-কিছু দেবেন যার ফলে সে খুশী হয়ে যাবে। অর্থাৎ যে ব্যক্তি কেবলমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যেই দুনিয়াতে তার ধনসম্পদ ব্যয় করেছে এবং কষ্ট করেছে, আল্লাহ তা'আলাও আখেরাতে তাকে সন্তুষ্ট করবেন এবং জান্নাতের মহা নেয়ামত তাকে দান করবেন। (তাবারী) এই শেষ বাক্যটি মুত্তাকীদের জন্য, বিশেষ করে আবু বকর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু-এর জন্যে একটি বিরাট সুসংবাদ। আল্লাহ তাকে সন্তুষ্ট করবেন-এ সংবাদ এখানে তাকে শোনানো হয়েছে। (আদওয়াউল বায়ান)
২১। আর সে অচিরেই সন্তুষ্ট হবে। (1)
(1) অথবা সে রাযী হয়ে যাবে। অর্থাৎ, যে ব্যক্তি এই সমস্ত গুণের অধিকারী হবে, আল্লাহ তাকে জান্নাতের নিয়ামত এবং সম্মান ও মর্যাদা দান করবেন। যার কারণে সে সন্তুষ্ট ও রাযী হয়ে যাবে। অধিকাংশ ব্যাখ্যাতাগণ বলেছেন, বরং কেউ কেউ এ ব্যাপারে ‘ইজমা’ (ঐক্যমত) বর্ণনা করেছেন যে, এই আয়াতগুলি আবু বাকর (রাঃ)-এর শানে অবতীর্ণ হয়েছে। তবুও অর্থের দিক দিয়ে তা ব্যাপক। যে ব্যক্তি অনুরূপ উচ্চ গুণে গুণাম্বিত হবে, সেও আল্লাহর দরবারে উক্ত মর্যাদার অধিকারী হবে।