إِلَّا ٱبۡتِغَآءَ وَجۡهِ رَبِّهِ ٱلۡأَعۡلَىٰ

ইল্লাবতিগাআ ওয়াজহি রব্বিহিল আ‘লা-।উচ্চারণ

সেতো কেবলমাত্র নিজের রবের সন্তুষ্টি লাভের জন্য এ কাজ করে। ১০ তাফহীমুল কুরআন

বরং সে (দান করে) কেবল তার মহান প্রতিপালকের সন্তুষ্টির প্রত্যাশায়।মুফতী তাকী উসমানী

বরং শুধু তার মহান রবের সন্তোষ লাভের প্রত্যাশায়,মুজিবুর রহমান

তার মহান পালনকর্তার সন্তুষ্টি অন্বেষণ ব্যতীত।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

কেবল তার মহান প্রতিপালকের সন্তুষ্টির প্রত্যাশায় ; ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কেবল তার মহান রবের সন্তুষ্টির প্রত্যাশায়।আল-বায়ান

একমাত্র তার মহান প্রতিপালকের চেহারা (সন্তোষ) লাভের আশায়।তাইসিরুল

তার মহিমান্বিত প্রভুর প্রসন্নবদন কামনা ব্যতীত।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

১০

এখানে সেই মুত্তাকী ও আল্লাহভীরু ব্যক্তির আন্তরিকতার আরো বিস্তারিত বিবরণ দেয়া হয়েছে। সে নিজের অর্থ যাদের জন্য ব্যয় করে, আগে থেকেই তার কোন অনুগ্রহ তার ওপর ছিল না, যার বদলা সে এখন চুকাচ্ছে অথবা ভবিষ্যতে তাদের থেকে আরো স্বার্থ উদ্ধারের জন্য তাদেরকে উপহার উপঢৌকন ইত্যাদি দিচ্ছে এবং তাদেরকে দাওয়াত খাওয়াচ্ছে। বরং সে নিজের মহান ও সর্বশক্তিমান রবের সন্তুষ্টি লাভের জন্য এমন সব লোককে সাহায্য করছে, যারা ইতিপূর্বে তার কোন উপকার করেনি এবং ভবিষ্যতেও তাদের উপকার করার কোন আশা নেই। এর সর্বোৎকৃষ্ট দৃষ্টান্ত হচ্ছে হযরত আবু বকর সিদ্দীক রাদিয়াল্লাহু আনহুর গোলাম ও বাঁদীদের আযাদ করার কাজটি। মক্কা মু’আযযমার সে অসহায় গোলাম ও বাঁদীরা ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন এবং এই অপরাধে তাদের মালিকরা তাদের ওপর চরম অকথ্য নির্যাতন ও নিপীড়ন চালাচ্ছিল হযরত আবু বকর (রা.) তাদেরকে মালিকদের জুলুম থেকে বাঁচাবার জন্য কিনে নিয়ে আযাদ করে দিচ্ছিলেন। ইবনে জারীর ও ইবনে আসাকির হযরত আমের ইবনে আবদুল্লাহ যুবাইরের এই রেওয়ায়াতটি উদ্ধৃত করেছেনঃ হযরত আবু বকরকে এভাবে গরীব গোলাম ও বাঁদীদেরকে গোলামী মুক্ত করার জন্য অর্থ ব্যয় করতে দেখে তাঁর পিতা তাকে বলেন, হে পুত্র! আমি দেখছি তুমি দুর্বল লোকদের মুক্ত করে দিচ্ছো, যদি এ টাকাটা তুমি শক্তিশালী জোয়ানদের মুক্ত করার জন্য খরচ করতে তাহলে তারা তোমার হাতকে শক্তিশালী করতো। একথায় হযরত আবু বকর (রা.) তাঁকে বলেনঃ اى اباه انما اريد ما عند اللّه “আব্বাজান! আমি তো আল্লাহর কাছে এর প্রতিদান চাই।”

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

২০. শুধু তার মহান রবের সস্তুষ্টির প্ৰত্যাশায়;

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

২০। কেবল তার মহান পালনকর্তার মুখমন্ডল (দর্শন বা সন্তুষ্টি) লাভের প্রত্যাশায়।(1)

(1) বরং ইখলাসের সাথে আল্লাহর সন্তুষ্টি এবং জান্নাতে তাঁর দর্শন পাবার জন্য খরচ করে।