أَيَحۡسَبُ أَن لَّن يَقۡدِرَ عَلَيۡهِ أَحَدٞ

ওয়া ইয়াহছাবুআল্লাইঁ ইয়াকদির ‘আলাইহি আহাদ।উচ্চারণ

সে কি মনে করে রেখেছে, তার ওপর কেউ জোর খাটাতে পারবে না? তাফহীমুল কুরআন

সে কি মনে করে তার উপর কারও ক্ষমতা চলবে না?মুফতী তাকী উসমানী

সে কি মনে করে যে, কখনও তার উপর কেহ ক্ষমতাবান হবেনা?মুজিবুর রহমান

সে কি মনে করে যে, তার উপর কেউ ক্ষমতাবান হবে না ?মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

সে কি মনে করে যে, কখনও তার ওপর কেউ ক্ষমতাবান হবে না ? ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে কি ধারণা করছে যে, কেউ কখনো তার উপর ক্ষমতাবান হবে না?আল-বায়ান

সে কি মনে করে যে তার উপর কেউ ক্ষমতাবান নেই?তাইসিরুল

সে কি ভাবে যে তার উপরে কেউ কোনো ক্ষমতা রাখতে পারে না?মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

অর্থাৎ এসব অবস্থার মধ্যে যে মানুষ ঘেরাও হয়ে আছে সে কি এই অহংকারে মত্ত হয়েছে যে, দুনিয়ায় সে যা ইচ্ছা করে যাবে, তাকে পকড়াও করার ও তার মাথা নীচু করাবার মতো কোন উচ্চতর কর্তৃপক্ষ নেই? অথচ আখেরাত আসার আগে এই দুনিয়াতেই সে প্রতি মুহূর্তে দেখছে, তার তাকদীরের ওপর অন্য একজনের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত রয়েছে। তাঁর সিদ্ধান্তের সামনে তার নিজের সমস্ত জারিজুরি, কলা-কৌশল পুরোপুরি ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। ভূমিকম্পের একটি ধাক্কা, ঘূর্ণিঝড়ের একটি আঘাত এবং নদী ও সাগরের একটি জলোচ্ছ্বাস তাকে একথা বলে দেবার জন্য যথেষ্ট যে, আল্লাহর শক্তির তুলনায় সে কতটুকু ক্ষমতা রাখে। একটি আকস্মিক দুর্ঘটনা একজন সুস্থ সবল সক্ষম মানুষকে পঙ্গু করে দিয়ে যায়। ভাগ্যের একটি পরিবর্তন একটি প্রবল পরাক্রান্ত বিপুল ক্ষমতা ও কর্তৃত্বের অধিকারী ব্যক্তিকে আকাশ থেকে পাতালে নিক্ষেপ করে। উন্নতির উচ্চতম শিখরে অবস্থানকারী জাতিদের ভাগ্য যখন পরিবর্তিত হয় তখন এই দুনিয়ায় যেখানে তাদের চোখে চোখ মেলাবার হিম্মত কারোর ছিল না সেখানে তারা লাঞ্ছিত ও পদদলিত হয়। এহেন মানুষের মাথায় কেমন করে একথা স্থান পেলো যে, তার ওপর কারোর জোর খাটবে না?

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৫. সে কি মনে করে যে, কখনো তার উপর কেউ ক্ষমতাবান হবে না?

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

৫। সে কি মনে করে যে, কখনো তার উপর কেউ ক্ষমতাবান হবে না? (1)

(1) অর্থাৎ, কেউ তাকে পাকড়াও করার শক্তি রাখে না।