ওয়ালা-ইঊছিকুওয়াছা-কাহূআহাদ।উচ্চারণ
এবং আল্লাহ যেমন বাঁধবেন আর কেউ তেমন বাঁধতে পারবে না। তাফহীমুল কুরআন
এবং তাঁর বাঁধার মত বাঁধতেও কেউ পারবে না। মুফতী তাকী উসমানী
এবং তাঁর বন্ধনের মত বন্ধন কেহ করতে পারবেনা।মুজিবুর রহমান
এবং তার বন্ধনের মত বন্ধন কেউ দিবে না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এবং তাঁর বন্ধনের মত বন্ধন কেউ করতে পারবে না। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর কেউ তাঁর বাঁধার মত বাঁধতে পারবে না।আল-বায়ান
এবং তাঁর বাঁধনের মত কেউ বাঁধতে পারবে না।তাইসিরুল
আর না পারবে কেউ বাঁধতে তাঁর বাঁধনের মতো।মাওলানা জহুরুল হক
এর দ্বারা মূলত সেদিনের শাস্তি বোঝানোই উদ্দেশ্য। শাস্তিতো মূলত সেদিন আল্লাহ তাআলাই দেবেন। অন্য কারও তা দেওয়ার সুযোগ থাকবে না, কিন্তু যদি সে সুযোগ থাকতও তবু তাদের পক্ষে যতটা কঠিন শাস্তিই দেওয়া সম্ভব হত, আল্লাহ তাআলার দেওয়া শাস্তি হবে তার চেয়েও অনেক অনেক কঠিন আল্লাহ তাআলা তা থেকে আমাদের হেফাজত করুন। -অনুবাদক
২৬. এবং তার বাঁধার মত বাঁধতে কেউ পারবে না।
২৬। এবং তাঁর বন্ধনের মত বন্ধন কেউ বাঁধতে পারবে না। (1)
(1) এই জন্য যে, সেদিন সমস্ত প্রকার ইচ্ছা ও এখতিয়ার কেবলমাত্র আল্লাহরই হাতে হবে। অন্য কারো তাঁর সামনে কিছু করবার ক্ষমতা থাকবে না। তাঁর অনুমতি ছাড়া কেউ কারো সুপারিশ পর্যন্তও করতে পারবে না। এই অবস্থায় কাফেরদের যে আযাব হবে এবং যেভাবে তারা আল্লাহর বন্ধনে আবদ্ধ থাকবে, তার কল্পনাও করা কারো পক্ষে সম্ভব নয়; তা অনুমান করা তো দূরের কথা। এ অবস্থা তো যালেম ও অপরাধীদের হবে। পক্ষান্তরে ঈমানদার এবং আল্লাহর অনুগত বান্দাগণের অবস্থা হবে এর সম্পূর্ণ বিপরীত; যেমন পরবর্তী আয়াতসমূহে বর্ণিত হয়েছে।