ইয়াআইয়াতুহান্নাফছুল মুতমাইন্নাহউচ্চারণ
(অন্যদিকে বলা হবে) হে প্রশান্ত আত্মা! ১৮ তাফহীমুল কুরআন
(অবশ্য নেককারদেরকে বলা হবে,) হে (আল্লাহর ইবাদতে) প্রশান্তি লাভকারী চিত্ত! #%১০%#মুফতী তাকী উসমানী
বলা হবেঃ হে প্রশান্ত চিত্ত!মুজিবুর রহমান
হে প্রশান্ত মন,মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
হে প্রশান্তচিত্ত ! ইসলামিক ফাউন্ডেশন
হে প্রশান্ত আত্মা!আল-বায়ান
(অপর দিকে নেককার লোককে বলা হবে) হে প্রশান্ত আত্মা!তাইসিরুল
"ওহে প্রশান্ত প্রাণ!মাওলানা জহুরুল হক
১৮
‘প্রশান্ত আত্মা’ বলে এমন মানুষকে বুঝানো হয়েছে যে, কোন প্রকার সন্দেহ সংশয় ছাড়াই পূর্ণ নিশ্চিন্ততা সহকারে ঠাণ্ডা মাথায় এক ও লা-শরীক আল্লাহকে নিজের রব এবং নবীগণ যে সত্য দ্বীন এনেছিলেন তাকে নিজের দ্বীন ও জীবন বিধান হিসেবে গণ্য করেছে। আল্লাহ ও তাঁর রসূলের কাছ থেকে যে বিশ্বাস ও বিধানই পাওয়া গেছে তাকে সে পুরোপুরি সত্য বলে মেনে নিয়েছে। আল্লাহর দ্বীন যে জিনিসটি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে তাকে সে অনিচ্ছা সত্ত্বেও নয় বরং এই বিশ্বাস সহকারে বর্জন করেছে যে, সত্যিই তা খারাপ। সত্য-প্রীতির পথে যে কোন ত্যাগ স্বীকারের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে সে নির্দ্ধিধায় তা করেছে। এই পথে যেসব সংকট, সমস্যা, কষ্ট ও বিপদের মুখোমুখি হতে হয়েছে হাসি মুখে সেগুলো বরদাশত করেছে। অন্যায় পথে চলে লোকদের দুনিয়ায় নানান ধরনের স্বার্থ, ঐশ্বর্য ও সুখ-সম্ভার লাভ করার যেসব দৃশ্য সে দেখছে তা থেকে বঞ্চিত থাকার জন্য তার নিজের মধ্যে কোন ক্ষোভ বা আক্ষেপ জাগেনি। বরং সত্য দ্বীন অনুসরণ করার ফলে সে যে এই সমস্ত আবর্জনা থেকে মুক্ত থেকেছে, এজন্য সে নিজের মধ্যে পূর্ণ নিশ্চিন্ততা অনুভব করেছে। কুরআনের অন্যত্র এই অবস্থাটিকে ‘শারহে সদর’ বা হৃদয় উন্মুক্ত করে দেয়া অর্থে বর্ণনা করা হয়েছে। (আল আন’আম, ১২৫)
এটা النفس المطمئنة -এর তরজমা। এর দ্বারা মানুষের সেই আÍাকে বোঝানো হয়, যা আল্লাহ তাআলার ইবাদতে রত থেকে এমন হয়ে গেছে যে, সে কেবল তাতেই শান্তি পায়। আর এভাবে সে গুনাহ থেকে নিজেকে মুক্ত করে নিয়েছে।
২৭. হে প্ৰশান্ত আত্মা!
২৭। হে উদ্বেগশূন্য চিত্ত!