ওয়া যাকারছমা রব্বিহী ফাসাল্লা-।উচ্চারণ
এবং নিজের রবের নাম স্মরণ করেছে ১৪ তারপর নামায পড়েছে। ১৫ তাফহীমুল কুরআন
এবং নিজ প্রতিপালকের নাম নিয়েছে ও নামায পড়েছে।মুফতী তাকী উসমানী
এবং স্বীয় রবের নাম স্মরণ করে ও সালাত আদায় করে।মুজিবুর রহমান
এবং তার পালনকর্তার নাম স্মরণ করে, অতঃপর নামায আদায় করে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এবং তার প্রতিপালকের নাম স্মরণ করে ও সালাত কায়েম করে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর তার রবের নাম স্মরণ করবে, অতঃপর সালাত আদায় করবে।আল-বায়ান
আর তার প্রতিপালকের নাম স্মরণ করে ও নামায কায়েম করে।তাইসিরুল
এবং তার প্রভুর নাম স্মরণ করে, আর নামায পড়ে।মাওলানা জহুরুল হক
১৪
‘স্মরণ করা’ বলতে আল্লাহকে মনে মনে স্মরণ করা এবং মুখে তা উচ্চারণ করাও বুঝানো হয়েছে। এই উভয়টিই যিকরুল্লাহ বা আল্লাহকে স্মরণ করার অন্তর্ভুক্ত হবে।
১৫
অর্থাৎ কেবল স্মরণ করেই ক্ষান্ত হয়নি বরং নিয়মিত নামাযও পড়ে সে প্রমাণ করেছে যে, যে আল্লাহকে সে নিজের ইলাহ বলে মেনে নিয়েছে কার্যত তাঁর আনুগত্য করতেও সে প্রস্তুত এবং তাঁকে সর্বক্ষণ স্মরণ করার জন্য সে ব্যবস্থা অবলম্বন করছে। এই আয়াতে পর্যায়ক্রমে দু’টি কথা বলা হয়েছে। প্রথমে আল্লাহকে স্মরণ করা তারপর নামায পড়া। এ অনুযায়ী ‘আল্লাহু আকবার’ বলে নামায শুরু করার পদ্ধতি করা হয়েছে। রসূলুল্লাহ ﷺ নামাযের যে পদ্ধতি প্রচলন করেছেন তার সকল অংশই যে কুরআনের ইশারা ইঙ্গিত থেকে গৃহীত, এটি তার অসংখ্য প্রমাণের অন্যতম। কিন্তু আল্লাহর রসূল ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তির পক্ষে এই ইঙ্গিতগুলো জমা করে নামাযকে এ আকারে সাজানো কোনক্রমেই সম্ভবপর ছিল না।
১৫. এবং তার রবের নাম স্মরণ করে ও সালাত কায়েম করে।(১)
(১) কেউ কেউ অর্থ করেছেন, তারা তাদের রবের নাম স্মরণ করে এবং সালাত আদায় করে। বাহ্যতঃ এতে ফরয ও নফল সবরকম সালাত অন্তর্ভুক্ত। কেউ কেউ ঈদের সালাত দ্বারা এর তাফসীর করে বলেছেন যে, যে যাকাতুল ফিতর এবং ঈদের সালাত আদায় করে। কোন কোন মুফাসসির বলেন, “নাম স্মরণ করা’ বলতে আল্লাহকে মনে মনে স্মরণ করা এবং মুখে তা উচ্চারণ করাও উদ্দেশ্য হতে পারে। অর্থাৎ আল্লাহকে মনে মনে বা মুখে উচ্চারণ করে স্মরণ করেছে, তারপর সালাত আদায় করেছে। সে শুধু আল্লাহর স্মরণ করেই ক্ষান্ত থাকেনি বরং নিয়মিত সালাত আদায়ে ব্যাপৃত ছিল। মূলত: এ সবই আয়াতের অর্থ হতে কোন বাধা নেই। (ফাতহুল কাদীর)
১৫। এবং নিজ প্রতিপালকের নাম স্মরণ করে ও নামায আদায় করে।