قَدۡ أَفۡلَحَ مَن تَزَكَّىٰ

কাদ আফলাহা মান তাঝাক-।উচ্চারণ

সে সফলকাম হয়েছে, যে পবিত্রতা অবলম্বন করেছে ১৩ তাফহীমুল কুরআন

সফলতা অর্জন করেছে সেই, যে পবিত্রতা অবলম্বন করেছে। মুফতী তাকী উসমানী

নিশ্চয়ই সে সাফল্য লাভ করবে যে পবিত্রতা অর্জন করে।মুজিবুর রহমান

নিশ্চয় সাফল্য লাভ করবে সে, যে শুদ্ধ হয়মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

নিশ্চয় সাফল্য লাভ করবে যে পবিত্রতা অর্জন করে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অবশ্যই সাফল্য লাভ করবে যে আত্মশুদ্ধি করবে,আল-বায়ান

সাফল্য লাভ করবে সে যে নিজেকে পরিশুদ্ধ করে,তাইসিরুল

সে-ই যথার্থ সফলকাম হবে যে নিজেকে পবিত্র করেছে,মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

১৩

পবিত্রতা অর্থ কুফর ও শিরক ত্যাগ করে ঈমান আনা, অসৎ আচার-আচরণ ত্যাগ করে সদাচার অবলম্বন করা এবং অসৎ কাজ ত্যাগ করে সৎ কাজ করা। সফলতা বলতে পার্থিব সমৃদ্ধি বুঝানো হয়নি বরং আসল ও সত্যিকার সফলতার কথা বুঝানো হয়েছে। এর সাথে পার্থিব সমৃদ্ধি অর্জিত হোক বা না হোক তাতে কিছু আসে যায় না। (ব্যাখ্যার জন্য দেখুন তাফহীমুল কুরআন সূরা ইউনুস ২৩ টীকা, আল মু’মিনুন ১, ১১, ৫০ টীকা এবং সূরা লুকমান ৪ টীকা)।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

অর্থাৎ অন্তঃকরণকে কুফর ও শিরক থেকে, আমলকে রিয়া ও প্রদর্শনেচ্ছা থেকে এবং আখলাক-চরিত্রকে সকল অবগুণ থেকে পবিত্র ও পরিশুদ্ধ করেছে। -অনুবাদক

তাফসীরে জাকারিয়া

১৪. অবশ্যই সাফল্য লাভ করবে যে পরিশুদ্ধ হয়।(১)

(১) এখানে পরিশুদ্ধ বা পবিত্রতার অর্থ কুফর ও শির্ক ত্যাগ করে ঈমান আনা, অসৎ আচার-আচরণ ত্যাগ করে সদাচার অবলম্বন করা এবং অসৎকাজ ত্যাগ করে সৎকাজ করা। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে যা নাযিল হয়েছে তার অনুসরণ করা। আয়াতের আরেক অর্থ, ধনসম্পদের যাকাত প্ৰদান করা। তবে যাকাতকেও এ কারণে যাকাত বলা হয় যে, তা ধন-সম্পদকে পরিশুদ্ধ করে। এখানে تَزَكَّىٰ শব্দের অর্থ ব্যাপক হতে পারে। ফলে ঈমানগত ও চরিত্রগত পরিশুদ্ধি এবং আর্থিক যাকাত প্ৰদান সবই এই আয়াতের অন্তর্ভুক্ত বলে বিবেচিত হবে। (দেখুন: ফাতহুল কাদীর)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

১৪। নিশ্চয় সে সাফল্য লাভ করে, যে নিজেকে পরিশুদ্ধ করে।(1)

(1) অর্থাৎ, যে নিজের আত্মাকে নোংরা আচরণ থেকে এবং অন্তরকে শিরক ও পাপাচারের পঙ্কিলতা থেকে পবিত্র করে।