فَجَعَلَهُۥ غُثَآءً أَحۡوَىٰ

ফাজা‘আলাহূগুছাআন আহওয়া-।উচ্চারণ

তারপর তাদেরকে কালো আবর্জনায় পরিণত করেছেন। তাফহীমুল কুরআন

তারপর তাকে কালো আবর্জনায় পরিণত করেছেন। মুফতী তাকী উসমানী

পরে ওকে বিশুস্ক বিমলিন করেছেন,মুজিবুর রহমান

অতঃপর করেছেন তাকে কাল আবর্জনা।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

পরে একে ধূসর আবর্জনায় পরিণত করেন। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তারপর তা কালো খড়-কুটায় পরিণত করেন।আল-বায়ান

অতঃপর তাকে কাল আবর্জনায় পরিণত করেছেন।তাইসিরুল

তারপর তাকে শুকিয়ে পাঁশুটে বানিয়ে ফেলেন।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

অর্থাৎ তিনি কেবল বসন্তকালের আগমন ঘটান না, শীতেরও আগমন ঘটান। তোমাদের চোখ তাঁর উভয় প্রকার ক্ষমতার প্রকাশই দেখছে। একদিকে তিনি সবুজ শ্যামল বৃক্ষলতায় ভরে দেন। তাদের তরতাজা শ্যামল শোভা দেখে মন আনন্দে ভরে ওঠে। আবার অন্যদিকে এ বৃক্ষলতাকে তিনি শুষ্ক শ্রীহীন করে কালো জঞ্জালে পরিণত করেন। এগুলো বাতাসে উড়ে বেড়ায় এবং বন্যার স্রোতে খড়কুটোর মতো ভেসে যায়। তাই এই দুনিয়ায় কোন ব্যক্তির এই ভুল ধারণা করা উচিত নয় যে, সে এখানে কেবল বসন্তকালই দেখবে, শীতের সাথে তার সাক্ষাতই হবে না। এই একই বক্তব্য কুরআন মজীদের বিভিন্ন জায়গায় অন্যভাবে উপস্থাপিত হয়েছে। যেমন দেখুন সূরা ইউনস ২৪ আয়াত, সূরা কাহাফ ৪৫ আয়াত এবং সূরা হাদীদ ২০ আয়াত।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

ইশারা করা হয়েছে যে, দুনিয়ার কোন জিনিসের রূপ ও সৌন্দর্য স্থায়ী নয়। প্রতিটি বস্তুই প্রথমে কিছুকাল তার সৌন্দর্যের চমক দেখায়, তারপর তার সৌন্দর্যের ক্রমোবনতি দেখা দেয় এবং এক সময় সম্পূর্ণ জরাজীর্ণ হয়ে ধ্বংস হয়ে যায়।

তাফসীরে জাকারিয়া

৫. পরে তা ধূসর আবর্জনায় পরিণত করেন।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

৫। পরে ওকে শুষ্ক খড়-কুটায় পরিণত করেছেন। (1)

(1) ঘাস শুকিয়ে গেলে তাকে غُثاء বলা হয়। أحوَى শব্দের অর্থ হল কালো করে দিয়েছেন। অর্থাৎ, তাজা-সবুজ ঘাসকে শুকিয়ে কালো করে দিয়েছেন।