وَٱلَّذِيٓ أَخۡرَجَ ٱلۡمَرۡعَىٰ

ওয়াল্লাযীআখরজাল মার‘আ-।উচ্চারণ

যিনি উদ্ভিদ উৎপন্ন করেছেন। তাফহীমুল কুরআন

এবং যিনি (ভূমি থেকে সবুজ) তৃণ উদগত করেছেনমুফতী তাকী উসমানী

এবং যিনি তৃণাদী উৎপন্ন করেছেন,মুজিবুর রহমান

এবং যিনি তৃণাদি উৎপন্ন করেছেন,মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

এবং যিনি তৃণাদি উৎপন্ন করেন, ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর যিনি তৃণ-লতা বের করেন।আল-বায়ান

যিনি তৃণ ইত্যাদি বের করেছেন।তাইসিরুল

আর যিনি তৃণলতা উদ্‌গত করেন,মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

মূলে মারআ (مَرْعَى) শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে। তৃণভূক প্রাণীদের খাদ্যের জন্য এ শব্দটি ব্যবহার হয়ে থাকে। এই আয়াতের পরবর্তী আলাচনা থেকে বুঝা যায়, এখানে কেবল উদ্ভিদজাত খাদ্যের কথা বলা হয়নি বরং মাটিতে উৎপন্ন সব ধরনের উদ্ভিদের কথাই বলা হয়েছে।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৪. আর যিনি তৃণাদি উৎপন্ন করেন(১),

(১) তিনি চারণভূমির ব্যবস্থা করেছেন। যাবতীয় উদ্ভিদ ও ক্ষেত-খামার। (ইবন কাসীর) غُثَاءً শব্দের অর্থ খড়-কুটা, আবর্জনা; যা বন্যার পানির উপর ভাসমান থাকে। (ফাতহুল কাদীর) أَحْوَىٰ শব্দের অর্থ কৃষ্ণাভ গাঢ় সবুজ রং। (ফাতহুল কাদীর) এ আয়াতে আল্লাহ্ তা'আলা উদ্ভিদ সম্পর্কিত স্বীয় কুদরত ও হেকমত বর্ণনা করেছেন। তিনি ভূমি থেকে সবুজ-শ্যামল ঘাস উৎপন্ন করেছেন, অতঃপর একে শুকিয়ে কাল রং-এ পরিণত করেছেন এবং সবুজতা বিলীন করে দিয়েছেন। এতে দুনিয়ার চাকচিক্য যে ক্ষণস্থায়ী সেদিকে ইঙ্গিত করেছেন। (কুরতুবী)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

৪। এবং যিনি (চারণ-ভূমির) তৃণাদি উদ্‌গত করেছেন। (1)

(1) যাতে চতুষ্পদ জন্তুরা চরে বেড়ায়।