ওয়াছ ছামাই ওয়াততা-রিক।উচ্চারণ
কসম আকাশের এবং রাতে আত্মপ্রকাশকারীর। তাফহীমুল কুরআন
শপথ আকাশের ও রাতের আগমনকারীর। মুফতী তাকী উসমানী
শপথ আকাশের এবং রাতে যা আবির্ভূত হয় তার;মুজিবুর রহমান
শপথ আকাশের এবং রাত্রিতে আগমনকারীর।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
শপথ আকাশের এবং রাত্রিতে যা আবির্ভূত হয় তার;ইসলামিক ফাউন্ডেশন
কসম আসমানের ও রাতে আগমনকারীর।আল-বায়ান
শপথ আসমানের আর যা রাতে আসে তার,তাইসিরুল
ভাবো আকাশের ও রাতের আগন্তুকের কথা!মাওলানা জহুরুল হক
‘রাতের আগমনকারী’ এটা ‘তারিক’ -এর তরজমা। এরই দ্বারা সূরার নামকরণ করা হয়েছে। পরের দুই আয়াতে এর ব্যাখ্যা করা হয়েছে যে, এর দ্বারা উজ্জ্বল নক্ষত্র বোঝানো উদ্দেশ্য; যেহেতু তা রাতের বেলাই দৃষ্টিগোচর হয়। এর শপথ করার পর বলা হয়েছে, এমন কোন মানুষ নেই, যার উপর কোন তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত নেই। নক্ষত্রের শপথ করার তাৎপর্য এই যে, আকাশের নক্ষত্র যেমন পৃথিবীর সর্বত্র থেকে পরিদৃষ্ট হয় এবং পৃথিবীর সবকিছুই তার সামনে থাকে, তেমনি আল্লাহ তাআলা নিজেও প্রতিটি মানুষের প্রতিটি কথা ও কাজ লক্ষ রাখছেন এবং তাঁর ফেরেশতাগণও এ কাজে নিয়োজিত আছে।
১. শপথ আসমানের এবং রাতে যা আবির্ভূত হয় তার;
১। শপথ আকাশের এবং রাত্রিতে যা আবির্ভূত হয় তার।