ফালাউকছিমুবিশশাফাক।উচ্চারণ
কাজেই না আমি কসম খাচ্ছি, তাফহীমুল কুরআন
আমি শপথ করছি সান্ধ্য-লালিমারমুফতী তাকী উসমানী
আমি শপথ করি অস্তরাগের –মুজিবুর রহমান
আমি শপথ করি সন্ধ্যাকালীন লাল আভারমাওলানা মুহিউদ্দিন খান
আমি শপথ করি অস্তরাগের, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অতঃপর আমি কসম করছি পশ্চিম আকাশের লালিমার।আল-বায়ান
আমি শপথ করি সন্ধ্যাকালীন লালিমার,তাইসিরুল
কিন্ত না, আমি সাক্ষী করছি সূর্যাস্তের রক্তিমাভা,মাওলানা জহুরুল হক
১৬. অতঃপর আমি শপথ করছি(১) পশ্চিম আকাশের লালিমার,
(১) এখানে আল্লাহ্ তা'আলা তিনটি বস্তুর শপথ করে মানুষকে আবার (إِنَّكَ كَادِحٌ إِلَىٰ رَبِّكَ) আয়াতে বর্ণিত বিষয়ের প্রতি মনোযোগী করেছেন। শপথের জওয়াবে বলা হয়েছে যে, মানুষ এক অবস্থার উপর স্থিতিশীল থাকে না বরং তার অবস্থা প্রতিনিয়তই পরিবর্তিত হতে থাকে। যৌবন থেকে বাৰ্ধক্য, বাৰ্ধক্য থেকে মৃত্যু, মৃত্যু থেকে বরযখ (মৃত্যু ও কিয়ামতের মাঝখানের জীবন), বরযখ থেকে পুনরুজ্জীবন, পুনরুজ্জীবন থেকে হাশরের ময়দান তারপর হিসেব-নিকেশ এবং শাস্তি ও পুরস্কারের অসংখ্য মনযিল মানুষকে অতিক্রম করতে হবে। এ বিভিন্ন পৰ্যায় প্রমাণ করছে যে, একমাত্র আল্লাহই তার মা’বুদ, তিনি বান্দাদের কর্মকাণ্ড নিজস্ব প্রজ্ঞা ও রহমতে নিয়ন্ত্রণ করেন। আর বান্দা মুখাপেক্ষী, অপারগ, মহান প্রবল পরাক্রমশালী দয়ালু আল্লাহর কর্তৃত্বাধীন। (বাদায়ে’উত তাফসীর; ফাতহুল কাদীর; সা’দী)
১৬। আমি শপথ করি অস্তরাগের (1)
(1) شفق (অস্তরাগ) সেই লালবর্ণের আভাকে বলা হয় যা সূর্যাস্তের পর পশ্চিম আকাশে প্রকাশ পায় এবং তা এশার ওয়াক্ত শুরু হওয়া পর্যন্ত বাকী থাকে।