إِنَّهُۥ ظَنَّ أَن لَّن يَحُورَ

ইন্নাহূজান্না আল্লাইঁ ইয়াহূর।উচ্চারণ

সে মনে করেছিল, তাকে কখনো ফিরতে হবে না। তাফহীমুল কুরআন

সে মনে করেছিল, কখনই (আল্লাহর কাছে) ফিরে যাবে না।মুফতী তাকী উসমানী

যেহেতু সে ভাবতো যে, সে কখনই প্রত্যাবর্তিত হবেনা।মুজিবুর রহমান

সে মনে করত যে, সে কখনও ফিরে যাবে না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

সে তো ভাবিত যে, সে কখনই ফিরে যাবে না; ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় সে মনে করত যে, সে কখনো ফিরে যাবে না।আল-বায়ান

সে ভাবত যে, সে কক্ষনো (আল্লাহর কাছে) ফিরে যাবে না।তাইসিরুল

নিঃসন্দেহ সে ভেবেছিল যে সে কখনো ফিরে আসবে না।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

১৪. সে তো ভাবত যে, সে কখনই ফিরে যাবে না(১);

(১) অর্থাৎ যার আমলনামা তার পিঠের দিক থেকে বাম হাতে আসবে, সে মরে মাটি হয়ে যাওয়ার আকাঙ্খা করবে, যাতে আযাব থেকে বেঁচে যায়। কিন্তু সেখানে তা সম্ভবপর হবে না। তাকে জাহান্নামে দাখিল করা হবে। এর এক কারণ এই বলা হয়েছে যে, সে দুনিয়াতে তার পরিবার-পরিজনের মধ্যে আখেরাতের প্রতি উদাসীন হয়ে আনন্দ উল্লাসে দিন যাপন করত। সে তার রবের কাছে ফিরে যাওয়ার ব্যাপারে বিশ্বাসী ছিল না। হিসাব-নিকাশের জন্য পুনরুত্থিত হবে না। কারণ সে পুনরুত্থানে ও আখেরাতে মিথ্যারোপ করত। (ফাতহুল কাদীর)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

১৪। যেহেতু সে ভাবতো যে, সে কখনই প্রত্যাবর্তিত হবে না।(1)

(1) এটা ছিল তার আনন্দিত হওয়ার কারণ। অর্থাৎ, আখেরাতের প্রতি তার বিশ্বাসই ছিল না। حور শব্দের অর্থ হল ফিরে যাওয়া। যেমন, নবী (সাঃ) এ দু’আ করতেন, ‘আল্লাহুম্মা ইন্নী আউযু বিকা মিনাল হাওরি বা’দাল কাওর।’ (সহীহ মুসলিম হজ্জ্ব অধ্যায়, তিরিমিযী, ইবনে মাজাহ) মুসলিম শরীফে ‘বা’দাল কাওন’ শব্দ এসেছে। উদ্দেশ্য হল যে, এ সকল কথা হতে আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি, যাতে আমি ঈমানের পর কুফরী, আনুগত্যের পর অবাধ্যতা অথবা ভালর পর মন্দের দিকে ফিরে না যাই।