ইন্নাহূক-না ফীআহলিহী মাছরূর-।উচ্চারণ
সে নিজের পরিবারের লোকদের মধ্যে ডুবে ছিল। ৯ তাফহীমুল কুরআন
পূর্বে সে তার পরিবারবর্গের মধ্যে বেশ আনন্দে ছিল।মুফতী তাকী উসমানী
সে তার স্বজনদের মধ্যেতো সহর্ষে ছিল,মুজিবুর রহমান
সে তার পরিবার-পরিজনের মধ্যে আনন্দিত ছিল।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
সে তো তার স্বজনদের মধ্যে আনন্দে ছিল, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
নিশ্চয় সে তার পরিবার-পরিজনদের মধ্যে আনন্দে ছিল।আল-বায়ান
সে তার পরিবার-পরিজনের মাঝে আনন্দে মগ্ন ছিল,তাইসিরুল
নিঃসন্দেহ সে তার স্বজনদের মধ্যে ফুর্তিতে ছিল।মাওলানা জহুরুল হক
৯
অর্থাৎ তার অবস্থা ছিল আল্লাহর সৎবান্দাদের থেকে আলাদা। আল্লাহর এই সৎ বান্দাদের সম্পর্কে সূরা ত্বা-হা’র ২৬ আয়াতে বলা হয়েছেঃ তারা নিজেদের পরিবারের লোকদের মধ্যে আল্লাহর ভয়ে ভীত লোকদের জীবন যাপন করতো। অর্থাৎ সবসময় তারা ভয় করতো নিজেদের সন্তান ও পরিবারের লোকদের প্রতি ভালবাসায় উদ্বুদ্ধ হয়ে তাদের দুনিয়ার স্বার্থ উদ্ধার করতে গিয়ে নিজের পরকাল বরবাদ না করে ফেলে। বিপরীত পক্ষে সেই ব্যক্তির অবস্থা ছিল এই যে, সে নিজের ঘরে আরামে সুখের জীবন যাপন করছিল। সন্তান-সন্তুতি ও পরিবারের লোকজনদের বিলাসী জীবন যাপনের জন্য যতই হারাম পদ্ধতি অবলম্বন এবং অন্যের অধিকার হরণ করার প্রয়োজন হোক না কেন তা তারা করে চলছিল। এই বিলাসী জীবন যাপন করতে গিয়ে আল্লাহর নির্ধারিত সীমারেখাগুলোকে সে চোখ বন্ধ করে ধ্বংস করে চলছিল।
১৩. নিশ্চয় সে তার স্বজনদের মধ্যে আনন্দে ছিল,
১৩। কেননা, সে তার স্বজনদের মধ্যে আনন্দে মত্ত ছিল।(1)
(1) অর্থাৎ, দুনিয়ায় নিজের প্রবৃত্তির চাহিদা মিটাতে মগ্ন এবং আপন পরিবারের মাঝে বড় আনন্দিত ছিল।