ওয়া আযিনাত লিরব্বিহা-ওয়া হুক্কাত।উচ্চারণ
এবং নিজের রবের হুকুম পালন করবে। ১ আর (নিজের রবের হুকুম মেনে চলা), এটিই তার জন্য সত্য। তাফহীমুল কুরআন
এবং তার প্রতিপালকের আদেশ শুনে তা পালন করবে এবং তা তার জন্য অপরিহার্যমুফতী তাকী উসমানী
এবং ওটা স্বীয় রবের আদেশ পালন করবে, আর ওকে তদুপযোগী করা হবে,মুজিবুর রহমান
ও তার পালনকর্তার আদেশ পালন করবে এবং আকাশ এরই উপযুক্তমাওলানা মুহিউদ্দিন খান
ও তার প্রতিপালকের আদেশ পালন করবে এবং এটাই তার করণীয়। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর তার রবের নির্দেশ পালন করবে এবং এটাই তার করণীয়।আল-বায়ান
এবং স্বীয় রব-এর নির্দেশ পালন করবে, আর তাই তার করণীয়।তাইসিরুল
আর তার প্রভুর প্রতি উৎকর্ণ হবে এবং কর্তব্যরত হবে --মাওলানা জহুরুল হক
১
মূলে اَذِنَتْ لِرَبِّحَا শব্দগুলো ব্যবহৃত হয়েছে। এর শাব্দিক মানে হয়, “সে নিজের রবের হুকুম শুনবে।” কিন্তু আরবী প্রবাদ অনুযায়ী اَذِنَ لَء এর মানে শুধু মাত্র হুকুম শুনা হয় না বরং এর মানে হয়, সে হুকুম শুনে একজন অনুগতের ন্যায় নির্দেশ পালন করেছে এবং একটুও অবাধ্যতা প্রকাশ করেনি।
২. আর তার রবের আদেশ পালন করবে এবং এটাই তার করণীয়।(১)
(১) এখানে কেয়ামতের দিন আকাশ ও পৃথিবীর উপর আল্লাহ্ তা'আলার কর্তৃত্ব সম্পর্কে বলা হয়েছে, (وَأَذِنَتْ لِرَبِّهَا وَحُقَّتْ) এর মধ্যে أَذِنَتْ অর্থ শুনেছে তথা আদেশ পালন করেছে। সে হিসেবে (وَأَذِنَتْ لِرَبِّهَا) এর শাব্দিক অর্থ হয়, “সে নিজের রবের হুকুম শুনবে।” এর মানে শুধুমাত্র হুকুম শুনা নয় বরং এর মানে সে হুকুম শুনে একজন অনুগতের ন্যায় নির্দেশ পালন করেছে এবং একটুও অবাধ্যতা প্রকাশ করেনি। (সা’দী) আর حُقَّتْ এর অর্থ “আদেশ পালন করাই তার ওয়াজিব কর্তব্য ছিল”। কারণ সে একজন মহান বাদশার কর্তৃত্বাধীন ও পরিচালনাধীন। যাদের নির্দেশ অমান্য করা যায় না, আর তার হুকুমের বিপরীত করা যায় না। (ইবন কাসীর; সা’দী)
২। এবং তা স্বীয় প্রতিপালকের আদেশে কর্ণপাত করবে।(1) আর এটিই তার কর্তব্য। (2)
(1) অর্থাৎ, আল্লাহ তাকে ফেটে যাওয়ার যে আদেশ করবেন, তা সে শুনবে ও পালন করবে।
(2) অর্থাৎ, তার জন্য এটা কর্তব্য যে, সে শ্রবণ করে এবং আনুগত্য করে। এই জন্য যে, তিনি হলেন সবারই উপর প্রভাবশালী এবং সবাই তাঁর আয়ত্তে। কে আছে, যে তাঁর হুকুম অমান্য করতে পারে?