ফাসবির লিহুকমি রব্বিকা ওয়ালা- তুতি‘ মিনহুম আ-ছিমান আও কাফূর- ।উচ্চারণ
তাই তুমি ধৈর্যের সাথে তোমার রবের হুকুম পালন করতে থাকো। ২৮ এবং এদের মধ্যকার কোন দুষ্কর্মশীল এবং সত্য অমান্যকারীর কথা শুনবে না। ২৯ তাফহীমুল কুরআন
সুতরাং তুমি নিজ প্রতিপালকের নির্দেশের উপর অবিচলিত থাক এবং তাদের মধ্যকার কোন গুনাহগার বা কাফেরের আনুগত্য করো না।মুফতী তাকী উসমানী
সুতরাং ধৈর্যের সাথে তোমার রবের নির্দেশের প্রতীক্ষা কর এবং তাদের মধ্য কোনো পাপীষ্ঠ অথবা কাফিরের আনুগত্য করনা।মুজিবুর রহমান
অতএব, আপনি আপনার পালনকর্তার আদেশের জন্যে ধৈর্য্য সহকারে অপেক্ষা করুন এবং ওদের মধ্যকার কোন পাপিষ্ঠ কাফেরের আনুগত্য করবেন না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
সুতরাং ধৈর্যের সঙ্গে তুমি তোমার প্রতিপালকের নির্দেশের প্রতীক্ষা কর এবং এদের মধ্যে যে পাপিষ্ঠ বা কাফির তার আনুগত্য কর না। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অতএব তোমার রবের হুকুমের জন্য ধৈর্য ধারণ কর এবং তাদের মধ্য থেকে কোন পাপিষ্ঠ বা অস্বীকারকারীর আনুগত্য করো না।আল-বায়ান
কাজেই তুমি ধৈর্য ধ’রে, তোমার প্রতিপালকের নির্দেশের অপেক্ষা কর আর তাদের মধ্যেকার পাপাচারী অথবা কাফিরের আনুগত্য কর না।তাইসিরুল
সুতরাং তোমার প্রভুর নির্দেশের জন্য অধ্যবসায় চালিয়ে যাও, আর তাদের মধ্যেকার কোনো পাপিষ্ঠের অথবা সত্যপ্রত্যাখ্যান- কারীর আজ্ঞা পালন করো না।মাওলানা জহুরুল হক
২৮
অর্থাৎ তোমার “রব” তোমাকে যে বিরাট কাজ আঞ্জাম দেয়ার আদেশ দিয়েছেন তা আঞ্জাম দেয়ার পথে যে দুঃখ-যাতনা ও বিপদ-মুসিবত আসবে তার জন্য ‘সবর’ করো। যাই ঘটুক না কেন সাহস ও দৃঢ়তার সাথে তা বরদাশত করতে থাকো এবং এ দৃঢ়তা ও সাহসিকতায় যেন কোন বিচ্যুতি আসতে না পারে।
২৯
অর্থাৎ তাদের কারো চাপে পড়ে দ্বীনে হকের প্রচার ও প্রসারের কাজ থেকে বিরত হয়ো না এবং কোন দুষ্কর্মশীলের কারণে দ্বীনের নৈতিক শিক্ষায় কিংবা সত্য অস্বীকারকারীর কারণে দ্বীনের আকীদা-বিশ্বাসে বিন্দুমাত্র পরিবর্তন করতেও প্রস্তুত হয়ো না। যা হারাম ও নাজায়েজ তাকে খোলাখুলি হারাম ও নাজায়েয বলো, এর সমালোচনার ব্যাপারে কিছুটা নমনীয় হওয়ার জন্য কোন দুষ্কর্মশীল যতই চাপ দিক না কেন। যেসব আকীদা-বিশ্বাস বাতিল তাকে খোলাখুলি বাতিল বলে ঘোষণা করো। আর যা হক তাকে প্রকাশ্যে হক বলে ঘোষণা করো, এক্ষেত্রে কাফেররা তোমার মুখ বন্ধ করার জন্য কিংবা এ ব্যাপারে কিছুটা নমনীয়তা দেখানোর জন্য তোমার ওপর যত চাপই প্রয়োগ করুক না কেন।
২৪. কাজেই আপনি ধৈর্যের সাথে আপনার রাবের নির্দেশের প্রতীক্ষা করুন এবং তাদের মধ্য থেকে কোন পাপিষ্ঠ বা ঘোর অকৃতজ্ঞ কাফিরের আনুগত্য করবেন না।
(২৪) সুতরাং ধৈর্যের সাথে তোমার প্রতিপালকের ফায়সালার প্রতীক্ষা কর(1) এবং তাদের মধ্যে যে পাপিষ্ঠ অথবা অবিশ্বাসী তার আনুগত্য করো না। (2)
(1) অর্থাৎ, তাঁর ফায়সালার অপেক্ষা কর। তিনি তোমার সাহায্যে কিছু দেরী করলে (জানবে) তাতে তাঁর কোন হিকমত আছে। কাজেই ধৈর্য ও উদ্যমের প্রয়োজন আছে।
(2) অর্থাৎ, যদি এরা তোমাকে আল্লাহর নাযিলকৃত নির্দেশাবলী থেকে বাধা দান করে, তবে তাদের কথা না মেনে তবলীগ ও দাওয়াতের কাজ অব্যাহতভাবে চালিয়ে যাও এবং আল্লাহর উপর ভরসা রাখ। তিনি মানুষ (তাদের অনিষ্ট) থেকে তোমার হেফাযত করবেন। ‘পাপিষ্ঠ’ তাকে বলা হয়, যে কর্মের মাধ্যমে আল্লাহর অবাধ্যতা করে। আর ‘অবিশ্বাসী’ হল সেই, যার অন্তর অবিশ্বাসী। অথবা যে কুফরীতে সীমা অতিক্রম করে। কেউ কেউ বলেন, এ থেকে উদ্দেশ্য হল অলীদ ইবনে মুগীরাহ। সে রসূল (সাঃ)-কে বলেছিল, তুমি এ (ইসলাম প্রচার) কাজ থেকে বিরত থাক, আমরা তোমার ইচ্ছামত তোমার জন্য ধন-সম্পদ প্রদান করব এবং আরবের যে মহিলাকে তুমি বিবাহ করতে চাইবে, তারই সাথে আমরা তোমার বিবাহ দিয়ে দেব। (ফাতহুল ক্বাদীর)