إِنَّا نَحۡنُ نَزَّلۡنَا عَلَيۡكَ ٱلۡقُرۡءَانَ تَنزِيلٗا

ইন্না-নাহনুনাঝঝালনা- ‘আলাইকাল কুরআ-না তানঝীলা- ।উচ্চারণ

হে নবী, আমিই তোমার উপর এ কুরআন অল্প অল্প করে নাযিল করেছি। ২৭ তাফহীমুল কুরআন

(হে রাসূল!) আমিই তোমার উপর কুরআন নাযিল করেছি অল্প-অল্প করে।মুফতী তাকী উসমানী

আমি তোমার প্রতি কুরআন অবতীর্ণ করেছি পর্যায়ক্রমে।মুজিবুর রহমান

আমি আপনার প্রতি পর্যায়ক্রমে কোরআন নাযিল করেছি।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

আমি তো তোমাদের প্রতি কুরআন অবতীর্ণ করেছি ক্রমে ক্রমে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় আমি তোমার প্রতি পর্যায়ক্রমে আল-কুরআন নাযিল করেছি।আল-বায়ান

(হে নবী!) আমি তোমার কাছে কুরআন অবতীর্ণ করেছি ক্রমে ক্রমে (অল্প অল্প করে)।তাইসিরুল

নিঃসন্দেহ আমরা -- আমরা স্বয়ং তোমার কাছে এই কুরআান এক অবতারণে অবতীর্ণ করেছি।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

২৭

এখানে বাহ্যত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সম্বোধন করা হলেও বক্তব্যের মূল লক্ষ্য কাফেররা। মক্কার কাফেররা বলতো, এ কুরআন মুহাম্মাদ ﷺ নিজে চিন্তা-ভাবনা করে রচনা করেছেন। অন্যথায়, আল্লাহ‌ তা’আলার পক্ষ থেকে কোন ফরমান এলে তা একবারেই এসে যেতো। কুরআনে কোন কোন জায়গায় তাদের এ অভিযোগ উদ্ধৃত করে তার জবাব দেয়া হয়েছে। (উদাহরণস্বরূপ দেখুন, তাফহীমুল কুরআন, আন নাহল, টীকা ১০২, ১০৪, ১০৫, ১০৬; বনী ইসরাঈল, টীকা ১১৯।) এখানে তাদের অভিযোগ উদ্ধৃত না করেই আল্লাহ‌ তা’আলা অত্যন্ত বলিষ্ঠভাবে ঘোষণা করেছেন যে, কুরআনের নাযিলকারী আমি নিজেই। অর্থাৎ মুহাম্মাদ ﷺ এর রচয়িতা নন। আমি নিজেই তা ক্রমান্বয়ে নাযিল করেছি। অর্থাৎ আমার প্রজ্ঞা ও বিচক্ষণতার দাবী হলো, আমার বাণীকে একই সাথে একটি গ্রন্থের আকারে নাযিল না করা অল্প অল্প করে নাযিল করা।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

২৩. নিশ্চয় আমরা আপনার প্রতি কুরআন নাযিল করেছি ক্রমে ক্ৰমে।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(২৩) নিশ্চয় আমি তোমার প্রতি কুরআন অবতীর্ণ করেছি ক্রমে ক্রমে। (1)

(1) অর্থাৎ, একই দফায় অবতীর্ণ করার পরিবর্তে প্রয়োজন ও চাহিদানুযায়ী বিভিন্ন সময়ে অবতীর্ণ করেছি। এর দ্বিতীয় অর্থ এটাও হতে পারে যে, এই কুরআনকে আমিই অবতীর্ণ করেছি। এটা তোমার নিজ রচিত জিনিস নয়; যেমন মুশরিকরা দাবী করে।