إِنَّ هَٰذَا كَانَ لَكُمۡ جَزَآءٗ وَكَانَ سَعۡيُكُم مَّشۡكُورًا

ইন্না হা-যা- ক-না লাকুম জাঝাআওঁ ওয়া ক-না ছা‘ইউকুম মাশকূর- ।উচ্চারণ

এ হচ্ছে তোমাদের জন্য প্রতিদান। কারণ, তোমাদের কাজ কর্ম মূল্যবান প্রমাণিত হয়েছে। ২৬ তাফহীমুল কুরআন

এবং (বলবেন), এটা তোমাদের পুরস্কার এবং তোমরা (দুনিয়ায়) যে মেহনত করেছিলে তার পরিপূর্ণ মূল্যায়ন করা হল।মুফতী তাকী উসমানী

অবশ্যই এটাই তোমাদের পুরস্কার এবং তোমাদের কর্মপ্রচেষ্টা স্বীকৃতি প্রাপ্ত।মুজিবুর রহমান

এটা তোমাদের প্রতিদান। তোমাদের প্রচেষ্টা স্বীকৃতি লাভ করেছে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

অবশ্য, এটাই তোমাদের পুরস্কার এবং তোমাদের কর্মপ্রচেষ্টা স্বীকৃত।ইসলামিক ফাউন্ডেশন

(তাদেরকে বলা হবে) ‘এটিই তোমাদের পুরস্কার; আর তোমাদের প্রচেষ্টা ছিল প্রশংসাযোগ্য।’আল-বায়ান

‘এটাই তোমাদের প্রতিদান, তোমাদের চেষ্টা-সাধনা সাদরে গৃহীত হয়েছে।’তাইসিরুল

নিঃসন্দেহ এটি হচ্ছে তোমাদের জন্য পুরস্কার, আর তোমাদের প্রচেষ্টা স্বীকৃত হয়েছে।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

২৬

মূল বাক্য হলো, كَانَ سَعْيُكُم مَّشْكُورًا অর্থাৎ তোমাদের কাজ-কর্ম মূল্যবান প্রমাণিত হয়েছে। سعي অর্থ বান্দা সারা জীবন দুনিয়াতে যেসব কাজ-কর্ম আঞ্জাম দিয়েছে বা দেয় তা সবই। যেসব কাজে সে তার শ্রম দিয়েছে এবং যেসব লক্ষ্যে সে চেষ্টা-সাধনা করেছে তার সমষ্টি হলো তার سعي আর তা মূল্যবান প্রমাণিত হওয়ার অর্থ হলো আল্লাহ‌ তা’আলার কাছে তা মূল্যবান বলে স্বীকৃত হয়েছে। শোকরিয়া কথাটি যখন বান্দার পক্ষ থেকে আল্লাহর জন্য হয় তখন তার অর্থ হয় তাঁর নিয়ামতের জন্য কৃতজ্ঞতা স্বীকার করা। আর যখন আল্লাহর পক্ষ থেকে বান্দার জন্য হয় তখন তর অর্থ হয় আল্লাহ‌ তা’আলা তার কাজ-কর্মের মূল্য দিয়েছেন। এটি মনিব বা প্রভুর একটি বড় মেহেরবানী যে, বান্দা যখন তাঁর মর্জি অনুসারে নিজের দায়িত্ব ও কর্তব্য আঞ্জাম দেয় মনিব তখন তার মূল্য দেন বা স্বীকৃতি দেন।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

২২. নিশ্চয় এটা তোমাদের পুরস্কার; আর তোমাদের কর্মপ্রচেষ্টা ছিল প্ৰসংশাযোগ্য।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(২২) (বলা হবে) নিশ্চয় এটাই তোমাদের পুরস্কার এবং তোমাদের কর্মপ্রচেষ্টা স্বীকৃত।