ফালাউকছিমুবিরব্বিল মাশা-রিকিওয়াল মাগা-রিবি ইন্না- লাক-দিরূন।উচ্চারণ
অতএব না, ২৭ আমি শপথ করছি উদয়াচল ও অস্তাচলসমূহের মালিকের। ২৮ আমি তাদের চাইতে উৎকৃষ্টতর লোকদেরকে তাদের স্থলাভিষিক্ত করতে সক্ষম। তাফহীমুল কুরআন
আমি শপথ করছি (নক্ষত্ররাজির) উদয়স্থল ও অস্তাচলসমূহের অধিপতির, নিশ্চয়ই আমি এ বিষয়ে সক্ষম মুফতী তাকী উসমানী
আমি শপথ করছি উদয়াচল ও অস্তাচলের অধিপতির! নিশ্চয়ই আমি সক্ষম –মুজিবুর রহমান
আমি শপথ করছি উদয়াচল ও অস্তাচলসমূহের পালনকর্তার, নিশ্চয়ই আমি সক্ষম!মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
আমি শপথ করছি উদয়াচলসমূহ ও অস্তাচলসমূহের অধিপতির-নিশ্চয়ই আমি সক্ষম, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অতএব, আমি উদয়স্থল ও অস্তাচলসমূহের রবের কসম করছি যে, আমি অবশ্যই সক্ষম!আল-বায়ান
আমি শপথ করছি উদয়স্থানসমূহের ও অস্তাচলসমূহের রবেবর-আমি অবশ্যই সক্ষম,তাইসিরুল
কিন্তু না, আমি উদয়াচলের ও অস্তাচলের প্রভুর নামে শপথ করছি যে আমরা আলবৎ সমর্থ --মাওলানা জহুরুল হক
২৭
অর্থাৎ তারা যা মনে করে বসে আছে ব্যাপার আসলে তা নয়।
২৮
এখানে মহান আল্লাহ নিজেই নিজের সত্তার শপথ করেছেন। “উদয়াচলসমূহ ও অস্তাচলসমূহ” এ শব্দ ব্যবহারের কারণ হলো, গোটা বছরের আবর্তন কালে সূর্য প্রতিদিনই একটি নতুন কোণ থেকে উদিত হয় এবং একটি নতুন কোণে অস্ত যায়। তাছাড়া ও ভূপৃষ্ঠের বিভিন্ন অংশে সূর্য ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ক্রমাগত উদিত ও অস্তমিত হতে থাকে। এ হিসেবে সূর্যের উদয় হওয়ার ও অস্ত যাওয়ার স্থান একটি নয়, অনেক। আরেক হিসেবে উত্তর ও দক্ষিণ দিকের তুলনায় একটি দিক হলো পূর্ব এবং আরেকটি দিক হলো পশ্চিম। তাই সূরা শূ’আরার ২৮ আয়াতে এবং সূরা মুয্যাম্মিলের ১৯ আয়াতে رَبُّ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ রাব্বিল মাশরিকি ওয়াল মাগরিবি শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে। আরেক বিচারে পৃথিবীর দু’টি উদয়াচল এবং দু’টি অস্তাচল আছে। কারণ পৃথিবীর এক গোলার্ধে যখন সূর্য অস্ত যায় তখন অপর গোলার্ধে উদিত হয়। এ কারণে সূরা আর রহমানের ১৭ আয়াতে رَبُّ الْمَشْرِقَيْنِ وَرَبُّ الْمَغْرِبَيْنِ রাব্বুল মাশরিকাইনি ওয়া রাব্বুল মাগরিবাইনি শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে। (অধিক ব্যাখ্যার জন্য, দেখুন, তাফহীমুল কোরআন, সূরা আর রহমান, টীকা ১৭)।
৪০. অতএব আমি শপথ করছি উদয়াচলসমূহ এবং অস্তাচলসমূহের রবের-অবশ্যই আমরা সক্ষম(১)
(১) এখানে মহান আল্লাহ নিজেই নিজের সত্তার শপথ করেছেন। “উদয়াচলসমূহ ও অস্তাচলসমূহ” এ শব্দ ব্যবহারের কারণ হলো, গোটা বছরের আবর্তন কালে সূর্য প্রতিদিনই একটি নতুন কোণ থেকে উদিত হয় এবং একটি নতুন কোণে অস্ত যায়। তাছাড়াও ভূপৃষ্ঠের বিভিন্ন অংশে সূর্য ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ক্রমাগত উদিত ও অস্তমিত হতে থাকে। এ হিসেবে সূর্যের উদয় হওয়ার ও অস্ত যাওয়ার স্থান একটি নয়, অনেক। আরেক হিসেবে উত্তর ও দক্ষিণ দিকের তুলনায় একটি দিক হলো পুর্ব এবং আরেকটি দিক হলো পশ্চিম। তাই কোন কোন আয়াতে مشرق ও مغرب শব্দ একবচন ব্যবহৃত হয়েছে। (সূরা আশ- শু'আরা: ২৮, ও সূরা আল-মুযযাম্মিল: ১৯) আরেক বিচারে পৃথিবীর দুটি উদয়াচল এবং দুটি অস্তাচল আছে। কারণ পৃথিবীর এক গোলার্ধে যখন সূর্য অস্ত যায় তখন অপর গোলার্ধে উদিত হয়। এ কারণে কোন কোন আয়াতে বলা হয়েছে مشرقين ও مغربين (সূরা আর-রাহমান: ১৭) (দেখুন: আদওয়াউল বায়ান)
(৪০) আমি শপথ করছি উদয়াচল ও অস্তাচল-সমূহের(1) অধিকর্তার! নিশ্চয়ই আমি সক্ষম--
(1) প্রতিদিন সূর্য পূর্বের ভিন্ন ভিন্ন স্থান থেকে উদয় হয় এবং তা পশ্চিমে ভিন্ন ভিন্ন স্থানে অস্ত যায়। এই হিসাবে উদয়াচলও অনেক এবং অস্তাচলও। বিস্তারিত জানার জন্য সূরা ‘সাফফাত’ এর ৫নং আয়াত দ্রষ্টব্য।