وَٱلَّذِينَ هُمۡ عَلَىٰ صَلَاتِهِمۡ يُحَافِظُونَ

ওয়াল্লাযীনা হুম ‘আলা-সালা-তিহিম ইউহা-ফিজূ ন।উচ্চারণ

যারা নামাযের হিফাযত করে। ২৩ তাফহীমুল কুরআন

এবং যারা তাদের নামাযের ব্যাপারে পুরোপুরি যত্নবান থাকে। #%১০%#মুফতী তাকী উসমানী

এবং নিজেদের সালাতে যত্নবান –মুজিবুর রহমান

এবং যারা তাদের নামাযে যত্নবান,মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

এবং নিজেদের সালাতে যত্নবান- ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর যারা নিজদের সালাতের হিফাযত করে,আল-বায়ান

যারা তাদের নামাযে যত্নবান,তাইসিরুল

আর যারা নিজেরা তাদের নামায সন্বন্ধে সদা যত্নবান,মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

২৩

এ থেকে নামাযের গুরুত্ব বুঝা যায়। যে ধরনের উন্নত চরিত্র ও মহৎ কর্মশীল লোক জান্নাতের উপযুক্ত তাদের গুণাবলী উল্লেখ করতে গিয়ে নামায দিয়ে শুরু করা হয়েছে এবং নামায দিয়েই শেষ করা হয়েছে। তাদের প্রথম গুণ হলো তারা হবে নামাযী।

দ্বিতীয় গুণ হলো, তারা হবে নামাযের প্রতি নিষ্ঠাবান এবং সর্বশেষ গুণ হলো, তারা নামযের হিফাযত করবে। নামাযের হিফাযতের অর্থ অনেক কিছু। যথা সময়ে নামায পড়া, দেহ ও পোশাক-পরিচ্ছদ পাক-পবিত্র আছে কিনা নামাযের পূর্বেই সে ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া, অজু থাকা এবং অজু করার সময় অঙ্গ-প্রত্যংগগুলো ভালভাবে ধোয়া, নামাযের ফরয ওয়াজিব ও মোস্তাহাব গুলো ঠিকমত আদায় করা, নামাযের নিয়ম-কানুন পুরোপুরি মেনে চলা, আল্লাহর নাফরমানী করে নামাযকে ধ্বংস না করা, এসব বিষয়ও নামাযের হিফাযতের অন্তর্ভুক্ত।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

২৩নং আয়াতে নিয়মিত নামায আদায় করার কথা বলা হয়েছে আর এ আয়াতে বলা হয়েছে, তারা নামাযের ব্যাপারে পুরোপুরি যত্নবান থাকে, অর্থাৎ সমস্ত নিয়ম-কানুন ও আদব-কায়দার প্রতি লক্ষ্য রেখে নামায পড়ে। মুমিনদের এই একই গুণাবলীর কথা সূরা মুমিনূনের শুরুতেও বর্ণিত হয়েছে।

তাফসীরে জাকারিয়া

৩৪. আর যারা তাদের সালাতের হিফাযত করে—(১)

(১) এ থেকে সালাতের গুরুত্ব বুঝা যায়। যে ধরনের উন্নত চরিত্র ও মহৎ কৰ্মশীল লোক জান্নাতের উপযুক্ত তাদের গুণাবলী উল্লেখ করতে গিয়ে সালাত দিয়ে শুরু করা হয়েছে এবং সালাত দিয়েই শেষ করা হয়েছে। (ইবন কাসীর) তাদের প্রথম গুণ হলো, তারা হবে সালাত আদায়কারী। দ্বিতীয় গুণ হলো তারা হবে সালাতের প্রতি নিষ্ঠাবান এবং সর্বশেষ গুণ হলো, তারা সালাতের হিফাযত করবে। সালাতের হিফাযতের অর্থ অনেক কিছু। যথা সময়ে সালাত পড়া, দেহ ও পোশাক-পরিচ্ছন্দ পাক-পবিত্ৰ আছে কিনা সালাতের পূর্বেই সে ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া, অযু থাকা এবং অযু করার সময় অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো ভালভাবে ধোয়া, সালাতের ফরয, ওয়াজিব ও মুস্তাহাবগুলো ঠিকমত সালাতকে ধ্বংস না করা, এসব বিষয়ও সালাতের হিফাযতের অন্তর্ভুক্ত। (কুরতুবী)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৩৪) এবং নিজেদের নামাযে যত্নবান--