لِّلسَّآئِلِ وَٱلۡمَحۡرُومِ

লিছছাইলি ওয়াল মাহরূম।উচ্চারণ

প্রার্থী ও বঞ্চিতদের। ১৬ তাফহীমুল কুরআন

যাচক ও বঞ্চিতের। মুফতী তাকী উসমানী

প্রার্থী ও বঞ্চিতের।মুজিবুর রহমান

যাঞ্ছাকারী ও বঞ্চিতেরমাওলানা মুহিউদ্দিন খান

যাচ্ঞাকারী ও বঞ্চিতের, ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাচ্ঞাকারী ও বঞ্চিতের,আল-বায়ান

প্রার্থী এবং বঞ্চিতদের,তাইসিরুল

ভিখারির ও বঞ্চিতের জন্য,মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

১৬

সূরা যারিয়াতের ১৯ আয়াতে বলা হয়েছে, “তাদের সম্পদে প্রার্থী এবং বঞ্চিতদের নির্দিষ্ট হকে আছে। ” কেউ কেউ এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট হকের অর্থ মনে করেছেন ফরয যাকাত। কারণ ফরয যাকাতেই নেসাব ও হার দু’টিই নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে। কিন্তু এ ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ, সূরা মা"আরিজ সর্বসম্মত মতে মক্কায় অবতীর্ণ সূরা। কিন্তু নেসাব ও হার নির্দিষ্ট করে যাকাত ফরয হয়েছে মদীনায়। অতএব হকের সঠিক অর্থ হলো, প্রার্থী ও বঞ্চিতদের জন্য তারা নিজেরাই নিজেদের সম্পদে একটা অংশ নির্দিষ্টকরে রেখেছে। এটাকে তাদের হক মনে করে তারা নিজেরাই তা দিয়ে দেয়। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস, হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর, মুজাহিদ, শা"বী এবং ইবরাহীম নাখয়ী এ অর্থই বর্ণনা করেছেন।

প্রার্থী মানে পেশাদার ভিক্ষুক নয়, বরং যেসব অভাবী মানুষ অন্যের সাহায্যপ্রার্থী তারা। আর বঞ্চিত অর্থ এমন লোক যার কোন আয়-উপার্জন নেই। অথবা সে উপার্জনের জন্য চেষ্টা করে ঠিকই কিন্তু তাতে তার প্রয়োজন পূরণ হয় না। অথবা কোন দুর্ঘটনা বা দুর্যোগের শিকার হয়ে অভাবগ্রস্ত হয়ে পড়েছে অথবা আয়-উপার্জনের সামর্থ্যই নেই। এ ধরনের লোকদের ব্যাপারে যখনই জানা যাবে যে, তারা প্রকৃতই বঞ্চিত তখন একজন আল্লাহভীরু মানুষ এ জন্য অপেক্ষা করে না যে, সে তার কাছে সাহায্য প্রার্থনা করুক। বরং তার বঞ্চিত থাকার কথা জানা মাত্র সে নিজেই অগ্রসর হয়ে তাকে সাহায্য করে। (আরো জানার জন্য দেখুন, তাফহীমুল কোরআন, সূরা যারিয়াত, টীকা ১৭)

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

যে গরীব নিজ প্রয়োজন প্রকাশ করে তাকে ‘যাচক’ এবং যে অভাবগ্রস্ত হওয়া সত্ত্বেও নিজ প্রয়োজন প্রকাশ করে না তাকে ‘বঞ্চিত’ শব্দে ব্যক্ত করা হয়েছে।

তাফসীরে জাকারিয়া

২৫. যাচ্ঞাকারী ও বঞ্চিতের,

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(২৫) ভিক্ষুক ও বঞ্চিতের। (1)

(1) বঞ্চিতের মধ্যে সে ব্যক্তিও শামিল যে রুযী হতে বঞ্চিত। আর সে ব্যক্তিও শামিল, যে আসমান ও যমীন থেকে আগত কোন বিপদে আক্রান্ত হওয়ার ফলে পুঁজি হতে বঞ্চিত (পুঁজিহারা, দেউলিয়া) হয়ে গেছে এবং সে ব্যক্তিও এর মধ্যে শামিল, যে অভাবী হওয়া সত্ত্বেও ভিক্ষা, যাচ্ঞা বা হাত পাতার অভ্যাস না থাকার কারণে মানুষের দান-সাদাকা থেকে বঞ্চিত থাকে।