ওয়ালা- তা‘আ-মুন ইল্লা-মিন গিছলীন।উচ্চারণ
আর কোন খাদ্যও নেই ক্ষত নিঃসৃত পুঁজ-রক্ত ছাড়া। তাফহীমুল কুরআন
এবং না কোন খাদ্য গিসলীন ছাড়ামুফতী তাকী উসমানী
এবং কোন খাদ্য থাকবেনা, ক্ষতনিঃসৃত স্রাব ব্যতীত।মুজিবুর রহমান
এবং কোন খাদ্য নাই, ক্ষত-নিঃসৃত পুঁজ ব্যতীত।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এবং কোন খাদ্য থাকবে না ক্ষতনিঃসৃত পুঁজ ব্যতীত, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর ক্ষত-নিংসৃত পূঁজ ছাড়া কোন খাদ্য থাকবে না,আল-বায়ান
ক্ষত হতে পড়া পুঁজ ছাড়া কোন খাদ্য নেই,তাইসিরুল
"আর কোনো খাদ্য থাকবে না ক্ষতনিঃসৃত পুজঁ ব্যতীত --মাওলানা জহুরুল হক
‘গিসলীন’ বলা হয় মূলত সেই পানিকে, যা কোন ক্ষতস্থান ধোয়ার সময় তা থেকে ঝরে পড়ে। কোন কোন মুফাসসির বলেন, এটা সম্ভবত জাহান্নামীদের কোন খাদ্য, যা ক্ষতস্থান থেকে ঝরা পানি-সদৃশ হবে।
৩৬. আর কোন খাদ্য থাকবে না ক্ষত নিঃসৃত স্রাব ছাড়া,
(৩৬) এবং কোন খাদ্য থাকবে না ক্ষতনিঃসৃত পুঁজ ব্যতীত। (1)
(1) কেউ কেউ বলেন, ‘গিসলীন’ হল জাহান্নামের কোন গাছের নাম। আবার কেউ বলেন, যাক্কুমকেই এখানে ‘গিসলীন’ বলা হয়েছে। আবার কিছু সংখ্যক উলামা বলেন, এটা হল জাহান্নামীদের ক্ষতনিঃসৃত পুঁজ অথবা তাদের দেহ থেকে নির্গত রক্ত এবং দুর্গন্ধময় পানি। أَعَاذََنَا اللهُ مِنْهُ।