وَلَا يَحُضُّ عَلَىٰ طَعَامِ ٱلۡمِسۡكِينِ

ওয়ালা-ইয়াহদ্দু ‘আলা- তা‘আ-মিল মিছকীন।উচ্চারণ

এবং দুস্থ মানুষের খাদ্য দিতে উৎসাহিত করতো না। ২০ তাফহীমুল কুরআন

এবং গরীবকে খাদ্য দানে উৎসাহ দিত না।মুফতী তাকী উসমানী

এবং অভাবগ্রস্তকে খাদ্যদানে উৎসাহিত করতনা।মুজিবুর রহমান

এবং মিসকীনকে আহার্য দিতে উৎসাহিত করত না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

এবং অভাবগ্রস্তকে অন্নদানে উৎসাহিত করত না, ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর মিসকীনকে খাদ্যদানে উৎসাহিত করত না।আল-বায়ান

আর না সে মিসকীনকে খাবার খাওয়াতে উৎসাহ দিত,তাইসিরুল

"আর সে উৎসাহ দেখাত না গরীবদের খাবার দিতে,মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

২০

অর্থাৎ নিজে কোন দরিদ্রকে খাবার দেয়া তো দূরের কথা কাউকে এতটুকু কথা বলাও পছন্দ করতো না যে, আল্লাহর ক্ষুধা ক্লিষ্ট বান্দাদের খাদ্য দান করো।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৩৪. আর মিসকীনকে অন্নদানে উৎসাহিত করত না,

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৩৪) এবং অভাবগ্রস্তকে অন্নদানে উৎসাহিত করত না; (1)

(1) অর্থাৎ, ইবাদত ও আনুগত্য দ্বারা না আল্লাহর হক আদায় করত, আর না সেই অধিকারগুলো আদায় করত যা বান্দাদের আপোসে একে অপরের প্রতি আরোপিত হয়। বুঝা গেল যে, ঈমানদার বান্দার মাঝে এই গুণের সমষ্টি পাওয়া যায় যে, সে আল্লাহর অধিকারের সাথে সাথে সৃষ্টির অধিকারও আদায় করে থাকে।