তার জি‘ঊনাহাইন কুনতুম সা-দিকীন।উচ্চারণ
কিন্তু তোমরা দেখতে পাও না। তাফহীমুল কুরআন
তবে তোমরা সেই প্রাণকে ফিরিয়ে আনছ না কেন যদি তোমরা সত্যবাদী হও? #%২৬%#মুফতী তাকী উসমানী
তাহলে তোমরা ওটা ফিরাওনা কেন? যদি তোমরা সত্যবাদী হও!মুজিবুর রহমান
তবে তোমরা এই আত্মাকে ফিরাও না কেন, যদি তোমরা সত্যবাদী হও ?মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
তবে তোমরা তা ফিরাও না কেন ? যদি তোমরা সত্যবাদী হও। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
ফিরিয়ে আনছ না রূহকে, যদি তোমরা সত্যবাদী হও?আল-বায়ান
তাহলে তোমরা তাকে (অর্থাৎ তোমাদের প্রাণকে মৃত্যুর সময়) ফিরিয়ে নাও না কেন যদি তোমরা (তোমাদের দাবীতে) সত্যবাদী হয়েই থাক?তাইসিরুল
তাকে ফিরিয়ে দিতে, যদি তোমরা সত্যবাদী হও?মাওলানা জহুরুল হক
কাফেরগণ যে কুরআন মাজীদের উপর ঈমান আনতে অস্বীকার করত, তার একটা বড় কারণ ছিল ‘আমরা মৃত্যুর পর পুনর্জীবিত হব না’ তাদের এই দাবি। এ সূরারই ৪৫ নং আয়াতে এটা বর্ণিত হয়েছে। আল্লাহ তাআলা এস্থলে সে বিষয়েই আলোকপাত করছেন। বলা হচ্ছে, এ দুনিয়ায় যে-ই আসে, একদিন না একদিন তার মৃত্যু ঘটে। এটা বাস্তব সত্য, যা তোমরাও স্বীকার কর। তো যখন কারও মৃত্যু আসে, তখন তার আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও তার চিকিৎসক সর্ব প্রযত্নে যে-কোনও উপায়ে তাকে মৃত্যু থেকে বাঁচাতে চেষ্টা করে, কিন্তু মৃত্যু এসেই যায় এবং সকলে অসহায়ভাবে তাকিয়ে থাকে। প্রশ্ন হচ্ছে, যদি মৃত্যুর পর পুনর্জীবিত হওয়ার ও হিসাব-নিকাশ হওয়ার ব্যাপার না-ই থাকে, তবে প্রতিটি মানুষকে শেষ পর্যন্ত মৃত্যুবরণ কেন করতে হয়? এবং তোমরা তাকে মৃত্যু হতে রক্ষা করতে কেন এত অপারগ? দুনিয়ায় জীবন ও মৃত্যুর এই যে অমোঘ বিধান কার্যকর রয়েছে, এটাই প্রমাণ করে, জীবন ও মৃত্যুর মালিক বিশ্বজগতকে অহেতুক সৃষ্টি করেননি। তিনি সৃষ্টি করেছেন এই উদ্দেশ্যে যে, মানুষকে জীবন ভরের জন্য অবকাশ দিয়ে পরিশেষে হিসাব নেওয়া হবে সে সেই অবকাশকে কী কাজে লাগিয়েছে।
৮৭. তবে তোমরা ওটা(১) ফিরাও না কেন? যদি তোমরা সত্যবাদী হও!
(১) অর্থাৎ আত্মা কণ্ঠাগত হওয়ার পর তোমরা যখন দেখতে পাচ্ছ যে, তোমাদের সেখানে কোনও করণীয় নেই, তখন তোমাদের জন্য উচিত হবে ঈমান আনা। কিন্তু যদি তা না কর, তাহলে যুক্তির কথা হচ্ছে, তোমরা রূহটাকে ফেরৎ নিয়ে আস, যেন মৃত্যুই না আসে। কিন্তু তোমরা সেটাকে ফেরৎ আনতে সমর্থ নও। (জালালাইন; সা’দী; মুয়াসসার)
(৮৭) তাহলে তোমরা তা ফিরাও না কেন? যদি তোমরা সত্যবাদী হও। (1)
(1) دَانَ يَدِيْنُ এর অর্থ অধীনস্থ হওয়া। দ্বিতীয় অর্থ হল, প্রতিদান বা শাস্তি দেওয়া। অর্থাৎ, তোমরা যদি তোমাদের এই কথায় সত্যবাদী হও যে, তোমাদের এমন কোন প্রভু ও মালিক নেই, তোমরা যাঁর আজ্ঞাবহ দাস ও কর্তৃত্বাধীন, অথবা প্রতিদান ও শাস্তির কোন দিন আসবে না, তাহলে কবয করা ঐ আত্মাকে ফিরিয়ে আন তো দেখি। আর যদি তোমরা এমন করতে না পার, তাহলে তার পরিষ্কার অর্থ হল, তোমাদের ধারণা মিথ্যা। অবশ্যই তোমাদের একজন প্রভু আছেন এবং এমন একদিন অবশ্যই আসবে, যেদিন সেই প্রভু প্রত্যেককে তার কৃতকর্মের প্রতিদান ও শাস্তি দেবেন।